ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাম মোকাবিলায় সরকার বদ্ধপরিকর : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নদীতে ফুল দিয়ে শুরু হলো পাহাড়ের প্রাণের উৎসব ‘বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু’ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হামের ঝুঁকি: অবশেষে চালু হচ্ছে আইসোলেশন ওয়ার্ড মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি নাইক্ষ্যংছড়িতে দুটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, রোহিঙ্গা যুবকসহ আটক ২ অবৈধ পন্থায় উত্তোলন হচ্ছিলো বালি, অভিযানে মালামালসহ জব্দ ঝিলংজায় মাথা ও হাতের কবজিবিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার প্রতিবাদ এক সাথে বিনা খরচে ঘর বাঁধলো চার দম্পতি ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির জেলা কমিটি গঠন টেকনাফে প্রায় ২৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার বিজিবির ‘নব্য ফ্যাসিজম রুখতে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের আহ্বান’ শেষ হলো ‘রামু গ্রন্থমেলা-২০২৬’ টেকনাফে র‍্যাবের অভিযান: ৪ ভিক্টিম উদ্ধার, ২ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার রামুতে বিজিবির অভিযান: ৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার

জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের সাথে ইয়াসিডের ইফতার

সুবিধাবঞ্চিত জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য পবিত্র রমজান মাসে সম্প্রীতি ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতে ইয়াসিড (YASID) আয়োজন করেছে বিশেষ ইফতার অনুষ্ঠান। সংগঠনটির সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছরের মতো এবারও এ আয়োজন করা হয়।

নাজিরারটেক ও সমিতিপাড়ায় বসবাসরত এসব শিশুদের বেশিরভাগই মহেশখালী ও কুতুবদিয়া থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা পরিবারগুলোর সদস্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে তারা তাদের নিজ ভূমি হারিয়ে এখানে নতুনভাবে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছে। তাদের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ইয়াসিড গত চার বছর ধরে কাজ করে আসছে। সংগীত শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক সংহতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংগঠনটি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রমজানের উষ্ণতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাকে আরও দৃঢ় করতে এই ইফতার আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা একসাথে ইফতার করে এবং দিনটি আনন্দঘন মুহূর্তে পরিণত হয়। ইয়াসিডের স্বেচ্ছাসেবীরা এই আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন, যারা পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ইয়াসিডের নির্বাহী পরিচালক কায়সার হামিদ, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কাউসার, উন্নয়ন কর্মী মোঃ শফি এবং মাহবুবা আক্তার সুইটি, সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা, এবং সংগঠনের মিউজিক ভলান্টিয়াররা। আয়োজনে অংশ নেওয়া শিশুরা ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত ছিল।

শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে ইয়াসিড ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। সংগঠনের লক্ষ্য শুধু সংগীত শিক্ষা নয়, বরং জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের সাথে ইয়াসিডের ইফতার

আপডেট সময় : ১২:১৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

সুবিধাবঞ্চিত জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য পবিত্র রমজান মাসে সম্প্রীতি ও আনন্দ ছড়িয়ে দিতে ইয়াসিড (YASID) আয়োজন করেছে বিশেষ ইফতার অনুষ্ঠান। সংগঠনটির সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছরের মতো এবারও এ আয়োজন করা হয়।

নাজিরারটেক ও সমিতিপাড়ায় বসবাসরত এসব শিশুদের বেশিরভাগই মহেশখালী ও কুতুবদিয়া থেকে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা পরিবারগুলোর সদস্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে তারা তাদের নিজ ভূমি হারিয়ে এখানে নতুনভাবে বসতি স্থাপন করতে বাধ্য হয়েছে। তাদের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ইয়াসিড গত চার বছর ধরে কাজ করে আসছে। সংগীত শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি সামাজিক সংহতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংগঠনটি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

রমজানের উষ্ণতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চাকে আরও দৃঢ় করতে এই ইফতার আয়োজন করা হয়। এতে সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা একসাথে ইফতার করে এবং দিনটি আনন্দঘন মুহূর্তে পরিণত হয়। ইয়াসিডের স্বেচ্ছাসেবীরা এই আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন, যারা পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ইয়াসিডের নির্বাহী পরিচালক কায়সার হামিদ, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ কাউসার, উন্নয়ন কর্মী মোঃ শফি এবং মাহবুবা আক্তার সুইটি, সংগীত স্কুলের শিক্ষার্থীরা, এবং সংগঠনের মিউজিক ভলান্টিয়াররা। আয়োজনে অংশ নেওয়া শিশুরা ইফতারের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পেরে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত ছিল।

শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে ইয়াসিড ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। সংগঠনের লক্ষ্য শুধু সংগীত শিক্ষা নয়, বরং জলবায়ু উদ্বাস্তু শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।