ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি ডেপুটি স্পিকার হলেন কায়সার কামাল ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ আজ জনআকাঙ্ক্ষা, গণতন্ত্রের পদযাত্রা শুরুর সংসদ: সালাহউদ্দিন আহমদ ইসরায়েল থেকে স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার স্পেনের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ দ্বীপবর্তিকার ইফতার মাহফিল সম্পন্ন জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমার ক্যালিগ্রাফি টেকনাফে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেফতার, র‌্যাবের ২টি মোটরসাইকেলে আগুন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৫ জন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরসা সন্ত্রাসী গ্রেফতার লবণ চাষীদের গলা কাটছে ইজারাদার রামুতে অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ছাই: প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি কউকে ভাঙ্গল ‘রিশাদ’ সিন্ডিকেট, ঘুষ ছাড়া মিলত না ভবন তৈরির অনুমতি লবণচাষীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবিতে মহেশখালী রান ২০২৬, রেজিস্ট্রেশন শুরু

কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সভায় বক্তারা: ‎কুতুবদিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটনের বিকল্প নেই ‎

কুতুবদিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটন খাতকে কেন্দ্র করে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে হবে এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

তাঁদের মতে, দ্বীপাঞ্চলের উন্নয়নে পর্যটন হতে পারে সবচেয়ে টেকসই ও সম্ভাবনাময় খাত। এজন্য প্রয়োজন স্থানীয় নেতৃত্ব, উদ্যোক্তা ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ।

‎শুক্রবার রাতে কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হলে পর্যটন খাতের বিকাশ সম্ভব নয়।

‎সভায় সভাপতিত্ব করেন কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন ছোটন। তিনি বলেন, “কুতুবদিয়ার পর্যটন বিকাশের জন্য প্রথমেই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন। বর্তমান ইজারা পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্থায়ী ফেরি পারাপারের ব্যবস্থা করা গেলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকদের গাড়ি সরাসরি কুতুবদিয়ায় প্রবেশ করতে পারবে। এতে পর্যটন শিল্পে এক নতুন গতি আসবে।”

‎সভায় কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও দ্বীপাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক আকবর খান বলেন, “কুতুবদিয়ার পর্যটন শিল্পকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি ‘বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি’ গঠন করা প্রয়োজন। এতে দ্বীপের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করতে হবে।”

‎তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরে বড়ঘোপ সমুদ্র সৈকতের একটি নির্দিষ্ট অংশে আলোকসজ্জা, কিটকাট চেয়ার, ফুচকা ও চটপটির দোকান স্থাপনসহ প্রাথমিক কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পর্যটকদের আকর্ষণ করবে।

‎এছাড়া তাঁর পরিচালিত ‘সোনারতরী টুরিজম’ এর মাধ্যমে কুতুবদিয়া থেকে সিলেট, সুন্দরবনসহ দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে সহজ ভ্রমণ প্যাকেজ চালুর পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান। পাশাপাশি চট্টগ্রাম থেকে জাহাজযোগে কুতুবদিয়া ভ্রমণ ব্যবস্থাও চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, অর্থ সম্পাদক আবদুল মান্নান, সদস্য প্রভাষক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

‎অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্টা সদস্য রুহুল কাদের বাদশা, সাংবাদিক আবুল কাশেম, মনিরুল ইসলাম, হানিফ কুতুবী ও শাহাদুল ইসলাম মনিরসহ অন্যান্যরা।

ট্যাগ :

কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সভায় বক্তারা: ‎কুতুবদিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটনের বিকল্প নেই ‎

আপডেট সময় : ০৪:২২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

কুতুবদিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটন খাতকে কেন্দ্র করে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে হবে এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

তাঁদের মতে, দ্বীপাঞ্চলের উন্নয়নে পর্যটন হতে পারে সবচেয়ে টেকসই ও সম্ভাবনাময় খাত। এজন্য প্রয়োজন স্থানীয় নেতৃত্ব, উদ্যোক্তা ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ।

‎শুক্রবার রাতে কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না হলে পর্যটন খাতের বিকাশ সম্ভব নয়।

‎সভায় সভাপতিত্ব করেন কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন ছোটন। তিনি বলেন, “কুতুবদিয়ার পর্যটন বিকাশের জন্য প্রথমেই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন। বর্তমান ইজারা পদ্ধতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্থায়ী ফেরি পারাপারের ব্যবস্থা করা গেলে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকদের গাড়ি সরাসরি কুতুবদিয়ায় প্রবেশ করতে পারবে। এতে পর্যটন শিল্পে এক নতুন গতি আসবে।”

‎সভায় কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও দ্বীপাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক আকবর খান বলেন, “কুতুবদিয়ার পর্যটন শিল্পকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি ‘বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি’ গঠন করা প্রয়োজন। এতে দ্বীপের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করতে হবে।”

‎তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরে বড়ঘোপ সমুদ্র সৈকতের একটি নির্দিষ্ট অংশে আলোকসজ্জা, কিটকাট চেয়ার, ফুচকা ও চটপটির দোকান স্থাপনসহ প্রাথমিক কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পর্যটকদের আকর্ষণ করবে।

‎এছাড়া তাঁর পরিচালিত ‘সোনারতরী টুরিজম’ এর মাধ্যমে কুতুবদিয়া থেকে সিলেট, সুন্দরবনসহ দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে সহজ ভ্রমণ প্যাকেজ চালুর পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান। পাশাপাশি চট্টগ্রাম থেকে জাহাজযোগে কুতুবদিয়া ভ্রমণ ব্যবস্থাও চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, অর্থ সম্পাদক আবদুল মান্নান, সদস্য প্রভাষক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

‎অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্টা সদস্য রুহুল কাদের বাদশা, সাংবাদিক আবুল কাশেম, মনিরুল ইসলাম, হানিফ কুতুবী ও শাহাদুল ইসলাম মনিরসহ অন্যান্যরা।