ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ মানবসেবার তিন দশক: কক্সবাজার সদরের শ্রেষ্ঠ সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক চৌফলদন্ডির হালিমা বেগম লবণসহিষ্ণু জাতে সাফল্য, কক্সবাজারের লবণ মাঠে হচ্ছে ধান চাষ বারবাকিয়ায় ১১ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও, এলাকাজুড়ে স্বস্তি পুণরায় ফুটপাত দখল করলে আইনের আওতায় আনা হবে:ইউএনও চকরিয়া লোহাগাড়ায় নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশোভন আচরণ, যুবক আটক বিশ্ব মান দিবসের আলোচনা সভা, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহবান উখিয়ায় খালে ড্রেজার মেশিন দিয়ে কোটি টাকার বালু উত্তোলন, ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, নিরব ভূমিকায় প্রশাসন খুনিয়াপালংয়ে বালু উত্তোলন : ড্রেজার ও পাইপ জব্দ কক্সবাজার–মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাকের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ, সর্বনিম্ন ৩৫ টাকা মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি ২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস, থামবে যেসব স্টেশনে লামায় স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ ৩ কিশোরী, তিন দিনেও মেলেনি সন্ধান ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী
অধিক মামলার চাপ:

উখিয়া-টেকনাফে আলাদা ‘তদন্ত সেন্টার’ চান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা

স্থানীয়দের মামলার পাশাপাশি উখিয়া টেকনাফে আছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রীক অতিরিক্ত মামলাও। এসব মামলার মধ্যে আছে হত্যা, মাদক, চোরাচালান, মানবপাচার, ধর্ষণ, অস্ত্রসহ অত্যন্ত সংবেদনশীল ঘটনা। যার কারনে অতিরিক্ত মামলার চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় থানা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তাদের।

সম্প্রতি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্লাস্ট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উখিয়া টেকনাফে আলাদা তদন্ত সেন্টার দরকার বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএন-৮ এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক খন্দকার ফজলে রাব্বি এতে বলেন, ২১৪ এর মতো হত্যা মামলা, দেড় হাজারের অধিক মাদকের মামলা আছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রীক। কিন্তু আইন অনুযায়ী এপিবিএনের কাছে তদন্তের ক্ষমতা নেই। তাই এসব মামলা তদন্ত করেন বেশিরভাগই থানা পুলিশ। যার কারনে ব্যাগ পেতে হয় মামলার তদন্তে।

এর সূত্র ধরে ১৪ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইহসানুল ফেরদৌস বলেন, উখিয়া টেকনাফে আলাদা তদন্ত সেন্টার দরকার।

এসময় জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এতো ছোটো জায়গায় এতো মানুষের বসবাস, সেখানে অপরাধ হলে সেটা মোকাবিলাও বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রতি থানায় মাত্র ৬০ সদস্য উল্লেখ করে নাজমুস সাকিব বলেন, ৩০ এর অধিক মামলা সামাল দিতে হয় একজন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। তাই লজিস্টিক বাড়ানো উচিৎ।

রোহিঙ্গাদের আইনগত সহায়তা সংক্রান্ত ওই আয়োজনে এপিবিএনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শুভাশিষ ধর বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মামলার ক্ষেত্রে তদন্তে এপিবিএনকে সম্পৃক্ত বা তদন্ত ক্ষমতা ন্যাস্ত করলে ভালো হয়।

এছাড়াও ক্যাম্পে অপরাধ কমাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার প্রস্তাবনা তুলে শুভাশিষ বলেন, অনেক দাগী আসামী জামিন দেয়ার ক্ষেত্রেও আরো বিবেচনা দরকার।

এপিবিএনের ডিআইজি প্রলয় কিসিম বলেন, উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১৯শ এপিবিএন সদস্য কাজ করে, অথচ সেখানে আছে শুরু ৭৮ নারী সদস্য। ব্যারাকসহ নানান সীমাবদ্ধতার কারনে নারী পুলিশের অভাবে সার্ভিস দেয়াও কষ্টের।

সেখানে উপস্থিত কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মুনশি আব্দুল মজিদও উখিয়া টেকনাফে তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড়ানো উচিৎ বলে অভিমত দেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য

অধিক মামলার চাপ:

উখিয়া-টেকনাফে আলাদা ‘তদন্ত সেন্টার’ চান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা

আপডেট সময় : ০২:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

স্থানীয়দের মামলার পাশাপাশি উখিয়া টেকনাফে আছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রীক অতিরিক্ত মামলাও। এসব মামলার মধ্যে আছে হত্যা, মাদক, চোরাচালান, মানবপাচার, ধর্ষণ, অস্ত্রসহ অত্যন্ত সংবেদনশীল ঘটনা। যার কারনে অতিরিক্ত মামলার চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় থানা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তাদের।

সম্প্রতি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্লাস্ট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কক্সবাজারের বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উখিয়া টেকনাফে আলাদা তদন্ত সেন্টার দরকার বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএন-৮ এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক খন্দকার ফজলে রাব্বি এতে বলেন, ২১৪ এর মতো হত্যা মামলা, দেড় হাজারের অধিক মাদকের মামলা আছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রীক। কিন্তু আইন অনুযায়ী এপিবিএনের কাছে তদন্তের ক্ষমতা নেই। তাই এসব মামলা তদন্ত করেন বেশিরভাগই থানা পুলিশ। যার কারনে ব্যাগ পেতে হয় মামলার তদন্তে।

এর সূত্র ধরে ১৪ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইহসানুল ফেরদৌস বলেন, উখিয়া টেকনাফে আলাদা তদন্ত সেন্টার দরকার।

এসময় জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এতো ছোটো জায়গায় এতো মানুষের বসবাস, সেখানে অপরাধ হলে সেটা মোকাবিলাও বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রতি থানায় মাত্র ৬০ সদস্য উল্লেখ করে নাজমুস সাকিব বলেন, ৩০ এর অধিক মামলা সামাল দিতে হয় একজন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। তাই লজিস্টিক বাড়ানো উচিৎ।

রোহিঙ্গাদের আইনগত সহায়তা সংক্রান্ত ওই আয়োজনে এপিবিএনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শুভাশিষ ধর বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মামলার ক্ষেত্রে তদন্তে এপিবিএনকে সম্পৃক্ত বা তদন্ত ক্ষমতা ন্যাস্ত করলে ভালো হয়।

এছাড়াও ক্যাম্পে অপরাধ কমাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার প্রস্তাবনা তুলে শুভাশিষ বলেন, অনেক দাগী আসামী জামিন দেয়ার ক্ষেত্রেও আরো বিবেচনা দরকার।

এপিবিএনের ডিআইজি প্রলয় কিসিম বলেন, উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১৯শ এপিবিএন সদস্য কাজ করে, অথচ সেখানে আছে শুরু ৭৮ নারী সদস্য। ব্যারাকসহ নানান সীমাবদ্ধতার কারনে নারী পুলিশের অভাবে সার্ভিস দেয়াও কষ্টের।

সেখানে উপস্থিত কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মুনশি আব্দুল মজিদও উখিয়া টেকনাফে তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড়ানো উচিৎ বলে অভিমত দেন।