ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
​‘বজ্রপাত’ বলতে গিয়ে ‘বীর্যপাত’! বললেন সাবরাংয়ের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মান্নান চট্টগ্রামে চালককে অচেতন করে চিনি ছিনতাই, লামায় উদ্ধার ১৪৪ বস্তা জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে সেন্ট্রাল ডাটাবেজ করার দাবি তরুণদের দেড় মিনিটে মন্ত্রীকে ৩৫ বার ‘স্যার’ বলে ভাইরাল ইউএনও অগ্নিকাণ্ডের পর ইকো রিসোর্ট এড়িয়ে চলছেন পর্যটকরা প্রথমে শাস্তি মনে হয়েছিল, পরে বুঝলাম রক্ষা পেয়েছি: পদত্যাগ প্রসঙ্গে ইশরাক জীবনানন্দ দাশের ৭২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বঙ্গোপসাগরে ফের লঘুচাপ সৃষ্টির শঙ্কা, সারা দেশে বৃষ্টির আভাস সেন্টমার্টিনে থাকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ: প্রতি ইউনিট ৪২ টাকা, আরও বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ গর্জনিয়া থেকে বিদেশী পিস্তল-গুলিসহ যুবক আটক ঈদগাঁও ঈদগড় সড়কে গণ ডাকাতি’র নেতৃত্বে ছালেক,গড়ে তুলেছে হক বাহিনী!   টেকনাফে বসতঘর থেকে উদ্ধার কিং কোবরা, জাহাজপুরায় বনে অবমুক্ত জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে দোকান কর্মচারীকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ হিমছড়িতে গোসলে নেমে সানি, আকাশ ও হারুনের মৃত্যু রামুর বাঁকখালী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত

অনিয়ম প্রমাণ হলেও উখিয়ার সেই ‘আলোচিত’ কাজী বহাল! নেপথ্যে সমাজসেবা কর্তা?

১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ার আগেই বিয়ে করাতে পারদর্শী তিনি, কৌশল করে সম্পন্ন করেছিলেন অগ্রিম ৪০ টি বিয়ের নিকাহনামা।

২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার তথা  কাজী আখতার হোসাইনের এমন অনিয়মের হাতে নাতে প্রমাণ পান উখিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাহমুদ হোসাইন।

সেসময় এই ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়, আড়াই বছর অতিবাহিত হলেও এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্বে আছেন তিনি।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, তৎকালীন ইউএনও ইমরান হোসেন সজীবের নির্দেশে নিজের সহকর্মী শিশু সুরক্ষা কর্মী নজরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে আখতারের অনিয়ম প্রমাণ করেন ৪ বছর ধরে উখিয়ায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাহমুদ হোসাইন।

রহস্যজনকভাবে যথেষ্ট প্রমাণ থাকার পরও আখতারের বিরুদ্ধে কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সূত্র বলছে, নিজে প্রমাণ করার পরও আখতারের কাছে পাওয়া মোটা অংকের উৎকোষে তার পক্ষে অবস্থান নেন আল মাহমুদ এবং দফারফা করেন মাহমুদের সহযোগী নজরুল ইসলাম।

এবিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে ফোন করা হলেও সমাজসেবা কর্মকর্তার উত্তর মেলেনি।

আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সহযোগিতায় নিকাহ রেজিস্ট্রার হওয়া আখতার হলদিয়াপালংয়ে স্থায়ী বাসিন্দা নন, যা আইন বহির্ভূত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পার্শ্ববর্তী রামুর খুনিয়াপালংয়ের ছৈয়দুর রহমানের এই পুত্র নিজের কাজী অফিসকে বানিয়েছেন দুর্নীতির আঁতুড়ঘর।

অর্থের বিনিময়ে ভুয়া কাবিননামা, বাল্য বিবাহ করানো সহ নানা অনিয়মে আখতার জড়িত জানিয়ে তার নিয়োগ বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে প্রশাসনের কাছে। প্রকাশ্যে অনিয়ম ধরা পড়লেও অভিযোগ এড়িয়ে যান আলোচিত এই কাজী।

তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসাইন চৌধুরী।

ভুক্তভোগী সহ হলদিয়াপালংয়ের স্থানীয়দের প্রত্যাশা অচিরেই আখতারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিবে প্রশাসন, কমবে জনভোগান্তি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

​‘বজ্রপাত’ বলতে গিয়ে ‘বীর্যপাত’! বললেন সাবরাংয়ের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মান্নান

অনিয়ম প্রমাণ হলেও উখিয়ার সেই ‘আলোচিত’ কাজী বহাল! নেপথ্যে সমাজসেবা কর্তা?

আপডেট সময় : ০৬:১১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ার আগেই বিয়ে করাতে পারদর্শী তিনি, কৌশল করে সম্পন্ন করেছিলেন অগ্রিম ৪০ টি বিয়ের নিকাহনামা।

২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার তথা  কাজী আখতার হোসাইনের এমন অনিয়মের হাতে নাতে প্রমাণ পান উখিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাহমুদ হোসাইন।

সেসময় এই ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়, আড়াই বছর অতিবাহিত হলেও এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্বে আছেন তিনি।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, তৎকালীন ইউএনও ইমরান হোসেন সজীবের নির্দেশে নিজের সহকর্মী শিশু সুরক্ষা কর্মী নজরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে আখতারের অনিয়ম প্রমাণ করেন ৪ বছর ধরে উখিয়ায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাহমুদ হোসাইন।

রহস্যজনকভাবে যথেষ্ট প্রমাণ থাকার পরও আখতারের বিরুদ্ধে কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সূত্র বলছে, নিজে প্রমাণ করার পরও আখতারের কাছে পাওয়া মোটা অংকের উৎকোষে তার পক্ষে অবস্থান নেন আল মাহমুদ এবং দফারফা করেন মাহমুদের সহযোগী নজরুল ইসলাম।

এবিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে ফোন করা হলেও সমাজসেবা কর্মকর্তার উত্তর মেলেনি।

আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সহযোগিতায় নিকাহ রেজিস্ট্রার হওয়া আখতার হলদিয়াপালংয়ে স্থায়ী বাসিন্দা নন, যা আইন বহির্ভূত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পার্শ্ববর্তী রামুর খুনিয়াপালংয়ের ছৈয়দুর রহমানের এই পুত্র নিজের কাজী অফিসকে বানিয়েছেন দুর্নীতির আঁতুড়ঘর।

অর্থের বিনিময়ে ভুয়া কাবিননামা, বাল্য বিবাহ করানো সহ নানা অনিয়মে আখতার জড়িত জানিয়ে তার নিয়োগ বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে প্রশাসনের কাছে। প্রকাশ্যে অনিয়ম ধরা পড়লেও অভিযোগ এড়িয়ে যান আলোচিত এই কাজী।

তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসাইন চৌধুরী।

ভুক্তভোগী সহ হলদিয়াপালংয়ের স্থানীয়দের প্রত্যাশা অচিরেই আখতারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিবে প্রশাসন, কমবে জনভোগান্তি।