ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চকরিয়ার শহীদ আহসান হাবিবের পরিবারের পাশে জুলাই যোদ্ধারা,দিলেন আর্থিক সহায়তা কোটবাজারে পিকআপ-সিএনজি-অটোরিক্সার ত্রিমুখি সংঘর্ষ, আহত ১০ ​আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আবার বিয়ে করবেন পরী মনি! কক্সবাজারকে বিশ্বের পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করা হবে দেশে ফিরলে শেখ হাসিনার কী হতে পারে? আইন, বিচার ও রাজনৈতিক বাস্তবতা মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩ কেন আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে চান স্পেন কোচ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের পাটের মান বেশি উন্নত: ভারতীয় কৃষিমন্ত্রী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নীল জার্সিতে নামবে আর্জেন্টিনা, কেন এই জার্সি নিয়ে এত আলোচনা? দায়িত্ববোধ-সচেতনতা তৈরি করা গেলে পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা যাবে  দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত

অনিয়ম প্রমাণ হলেও উখিয়ার সেই ‘আলোচিত’ কাজী বহাল! নেপথ্যে সমাজসেবা কর্তা?

১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ার আগেই বিয়ে করাতে পারদর্শী তিনি, কৌশল করে সম্পন্ন করেছিলেন অগ্রিম ৪০ টি বিয়ের নিকাহনামা।

২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার তথা  কাজী আখতার হোসাইনের এমন অনিয়মের হাতে নাতে প্রমাণ পান উখিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাহমুদ হোসাইন।

সেসময় এই ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়, আড়াই বছর অতিবাহিত হলেও এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্বে আছেন তিনি।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, তৎকালীন ইউএনও ইমরান হোসেন সজীবের নির্দেশে নিজের সহকর্মী শিশু সুরক্ষা কর্মী নজরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে আখতারের অনিয়ম প্রমাণ করেন ৪ বছর ধরে উখিয়ায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাহমুদ হোসাইন।

রহস্যজনকভাবে যথেষ্ট প্রমাণ থাকার পরও আখতারের বিরুদ্ধে কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সূত্র বলছে, নিজে প্রমাণ করার পরও আখতারের কাছে পাওয়া মোটা অংকের উৎকোষে তার পক্ষে অবস্থান নেন আল মাহমুদ এবং দফারফা করেন মাহমুদের সহযোগী নজরুল ইসলাম।

এবিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে ফোন করা হলেও সমাজসেবা কর্মকর্তার উত্তর মেলেনি।

আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সহযোগিতায় নিকাহ রেজিস্ট্রার হওয়া আখতার হলদিয়াপালংয়ে স্থায়ী বাসিন্দা নন, যা আইন বহির্ভূত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পার্শ্ববর্তী রামুর খুনিয়াপালংয়ের ছৈয়দুর রহমানের এই পুত্র নিজের কাজী অফিসকে বানিয়েছেন দুর্নীতির আঁতুড়ঘর।

অর্থের বিনিময়ে ভুয়া কাবিননামা, বাল্য বিবাহ করানো সহ নানা অনিয়মে আখতার জড়িত জানিয়ে তার নিয়োগ বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে প্রশাসনের কাছে। প্রকাশ্যে অনিয়ম ধরা পড়লেও অভিযোগ এড়িয়ে যান আলোচিত এই কাজী।

তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসাইন চৌধুরী।

ভুক্তভোগী সহ হলদিয়াপালংয়ের স্থানীয়দের প্রত্যাশা অচিরেই আখতারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিবে প্রশাসন, কমবে জনভোগান্তি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চকরিয়ার শহীদ আহসান হাবিবের পরিবারের পাশে জুলাই যোদ্ধারা,দিলেন আর্থিক সহায়তা

অনিয়ম প্রমাণ হলেও উখিয়ার সেই ‘আলোচিত’ কাজী বহাল! নেপথ্যে সমাজসেবা কর্তা?

আপডেট সময় : ০৬:১১:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ার আগেই বিয়ে করাতে পারদর্শী তিনি, কৌশল করে সম্পন্ন করেছিলেন অগ্রিম ৪০ টি বিয়ের নিকাহনামা।

২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার তথা  কাজী আখতার হোসাইনের এমন অনিয়মের হাতে নাতে প্রমাণ পান উখিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাহমুদ হোসাইন।

সেসময় এই ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়, আড়াই বছর অতিবাহিত হলেও এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্বে আছেন তিনি।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, তৎকালীন ইউএনও ইমরান হোসেন সজীবের নির্দেশে নিজের সহকর্মী শিশু সুরক্ষা কর্মী নজরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে আখতারের অনিয়ম প্রমাণ করেন ৪ বছর ধরে উখিয়ায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাহমুদ হোসাইন।

রহস্যজনকভাবে যথেষ্ট প্রমাণ থাকার পরও আখতারের বিরুদ্ধে কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সূত্র বলছে, নিজে প্রমাণ করার পরও আখতারের কাছে পাওয়া মোটা অংকের উৎকোষে তার পক্ষে অবস্থান নেন আল মাহমুদ এবং দফারফা করেন মাহমুদের সহযোগী নজরুল ইসলাম।

এবিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে ফোন করা হলেও সমাজসেবা কর্মকর্তার উত্তর মেলেনি।

আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সহযোগিতায় নিকাহ রেজিস্ট্রার হওয়া আখতার হলদিয়াপালংয়ে স্থায়ী বাসিন্দা নন, যা আইন বহির্ভূত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পার্শ্ববর্তী রামুর খুনিয়াপালংয়ের ছৈয়দুর রহমানের এই পুত্র নিজের কাজী অফিসকে বানিয়েছেন দুর্নীতির আঁতুড়ঘর।

অর্থের বিনিময়ে ভুয়া কাবিননামা, বাল্য বিবাহ করানো সহ নানা অনিয়মে আখতার জড়িত জানিয়ে তার নিয়োগ বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে প্রশাসনের কাছে। প্রকাশ্যে অনিয়ম ধরা পড়লেও অভিযোগ এড়িয়ে যান আলোচিত এই কাজী।

তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসাইন চৌধুরী।

ভুক্তভোগী সহ হলদিয়াপালংয়ের স্থানীয়দের প্রত্যাশা অচিরেই আখতারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিবে প্রশাসন, কমবে জনভোগান্তি।