ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চৌফলদন্ডি ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ফোরকান মাহমুদ উখিয়ায় পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বু/লে/টপ্রুফ ভেস্ট ও অ/স্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার সেনা সদস্য তিতাস শেখ হ/ত্যার বিচারের দাবিতে টেকনাফে বিএনপির মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ ‘অভিযানে যাব, দোয়া কইরো’— মায়ের সঙ্গে সেনা সদস্যের শেষ কথা টানা তিন দফা বৃদ্ধির পর কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২৭৪১ টাকা লোহাগাড়ায় সার ডিলার নিয়োগে অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের তদন্তের নির্দেশ পেকুয়ায় অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের লোহাগাড়ায় ইয়াবা সেবন করে মাকে মারধর, ছেলের এক মাসের কারাদণ্ড প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর আজিজনগরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বাছাই হাসিনার সম্পত্তি বিক্রির অর্ধেক অর্থ পাবেন অভ্যুত্থানে নিহতদের স্বজনেরা, মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাহাড়সম অদক্ষতা চাপা দেওয়ার জন্য বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছে সরকার: জামায়াত আমির রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনাফে মাছ ধরার নৌকায় বজ্রপাত, জেলের মৃত্যু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চায় বাংলাদেশ আজ জেলহত্যা দিবস

সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় নতুন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার

 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে ডলফিন, তিমি, হাঙর, শাপলাপাতা মাছ, ও সামুদ্রিক কাছিমসহ বিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী এবং তাদের বাসস্থান রক্ষা করা হবে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, এ পরিকল্পনা টেকসই মৎস্য আহরণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষা এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সহায়ক হবে। পরিকল্পনায় মৎস্য আহরণ, জাহাজ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, এবং পর্যটন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিকল্পনায় তিনটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে— মাছের প্রজনন ও পোনা লালন-পালনের এলাকা, সামুদ্রিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকা, এবং টেকসই মৎস্য আহরণ এলাকা। সংরক্ষিত এলাকার পরিধি ১,৭৩৮ বর্গকিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৬,৮৬৬ বর্গকিলোমিটার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস, যুগ্মসচিব (বন) শামিমা বেগম এবং উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রণীত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন— ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন সোসাইটির সিনিয়র অ্যাডভাইজার ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এই উদ্যোগটি বিভিন্ন সংস্থা ও উপকূলীয় জনগণের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এটি সামুদ্রিক সম্পদের সুষম ব্যবহার ও পরিবেশ সংরক্ষণের ভারসাম্য নিশ্চিত করবে।