ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ার আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিফাত টেকনাফে গ্রেপ্তার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কু/পি/য়ে/ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাইপো ২০২১ সালের আইন, ২০২৫ সালের জরিপ: আয়োডিনযুক্ত লবণের মান নিয়ে আমরা কি সঠিক প্রশ্ন করছি? সদর থানার বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘন্টায় গ্রেফতার ২৫ জন এডভোকেট হারুন অর রশিদের ২ দফা জানাজা সম্পন্ন : শোকার্ত মানুষের ঢল টেকনাফে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফুটবলার সৈয়দ করিমের মৃত্যু শাহপরীরদ্বীপে নাফ নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই শিশুর মৃত্যু লোহাগাড়ায় চেকপোস্টে তল্লাশী : মার্কিন পিস্তল-গুলি ও ইয়াবাসহ কক্সবাজারের দুই যুবক গ্রেফতার পেকুয়ায় আবু তাহের হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিফাত গ্রেপ্তার ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, শিগগিরই সিদ্ধান্ত: চিফ হুইপ লঘুচাপের প্রভাবে সারা দেশে বৃষ্টির আভাস মাদক মামলায় ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি কামাল হোসেন গ্রেফতার আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে আরও বাড়ল লোডশেডিং পেকুয়ায় দোকানের আড়ালে মাদক বিক্রি, পুলিশের হাতে আটক ২ আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীর স্মরণে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় নতুন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার

 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে ডলফিন, তিমি, হাঙর, শাপলাপাতা মাছ, ও সামুদ্রিক কাছিমসহ বিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী এবং তাদের বাসস্থান রক্ষা করা হবে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, এ পরিকল্পনা টেকসই মৎস্য আহরণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষা এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সহায়ক হবে। পরিকল্পনায় মৎস্য আহরণ, জাহাজ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, এবং পর্যটন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিকল্পনায় তিনটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে— মাছের প্রজনন ও পোনা লালন-পালনের এলাকা, সামুদ্রিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকা, এবং টেকসই মৎস্য আহরণ এলাকা। সংরক্ষিত এলাকার পরিধি ১,৭৩৮ বর্গকিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৬,৮৬৬ বর্গকিলোমিটার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস, যুগ্মসচিব (বন) শামিমা বেগম এবং উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রণীত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন— ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন সোসাইটির সিনিয়র অ্যাডভাইজার ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এই উদ্যোগটি বিভিন্ন সংস্থা ও উপকূলীয় জনগণের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এটি সামুদ্রিক সম্পদের সুষম ব্যবহার ও পরিবেশ সংরক্ষণের ভারসাম্য নিশ্চিত করবে।