ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪ পেকুয়ায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি অনুমোদন: সভাপতি রফিকুল, সম্পাদক ছাফওয়ান সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী মহানবমী আজ, শুরু দেবীর বিদায়ের ক্ষণগণনা আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯ আইডিইবির সদস্যপদ পেলেন কক্সবাজারের ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড এক দিনে দুই দফা ডাকাতি : ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ফের আতংক এআই দিয়ে কণ্ঠ নকল করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে কচ্ছপিয়ার সোহেল সিকদার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা নিয়ে কক্সবাজারের পূজামণ্ডপে পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু আইনের তোয়াক্কা না করে মেরিন ড্রাইভে ঝুঁকিপূর্ণ রিসোর্ট, ১০ প্রাণের বিনিময়েও জাগেনি প্রশাসন সৌদিতে নিহত প্রবাসীর পরিবার পেলো ক্ষতিপূরণ

ভালোবাসাই যেন বিজয়ের প্রেরণা: মেসি ও ভিরাট যেখানে মিলে যান একই বিন্দুতে..

এক সময় ছিল যখন ভিরাট কোহলি আইপিএলের ট্রফির সামনে দাঁড়িয়ে থেকেও বারবার ফিরে এসেছেন খালি হাতে। আর লিওনেল মেসি—ফুটবল বিশ্বে শতাব্দীর সেরা হয়েও বারবার শুনেছেন, “তোমার তো বিশ্বকাপ নেই!” কিন্তু এই দুই কিংবদন্তির যাত্রা শুধু খেলার মাঠেই শেষ হয়নি, তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় এসেছে হৃদয়ের মাঠে—সঙ্গীর ভালোবাসা, সাহস আর সমর্থনে।

ভিরাট যখন ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত চাপে ভেঙে পড়ার উপক্রম, তখন আনুশকাই ছিলেন তার ছায়া হয়ে। মিডিয়ার আঘাত, ব্যর্থতার অভিশাপ, হাজারো সমালোচনার মাঝেও আনুশকা কখনো চোখ ফেরাননি। খেলার শেষে যখন সকলের চোখ ট্রফিতে, আনুশকার চোখ ছিল শুধুই ভিরাটের ক্লান্ত কিন্তু শান্ত মুখে। সে যেন শুধু একজন স্ত্রী নয়—একজন নীরব অনুপ্রেরণা, লড়াইয়ের দিনের মানসিক শক্তি, একজন যোদ্ধার হার না মানা অবয়ব..

অন্যদিকে, মেসির জীবনেও আন্তোনেলা ছিল তার শৈশবের আলো। ফুটবলের মাঠে একের পর এক ট্রফি উঠেছে তার হাতে, কিন্তু সাধের বিশ্বকাপ ছিল অধরাই। সবাই ভেবেছিল, হয়তো এটাই ফুটবল জাদুকরের জীবনের একমাত্র অপূর্ণতা।

কিন্তু আন্তোনেলা কখনো সেই ব্যর্থতাকে ব্যর্থতা ভাবেননি। তাঁর জন্য, মেসি সবসময়ই চ্যাম্পিয়ন। যখন বিশ্বকাপ হাতে মেসি চোখ বন্ধ করে হাসছিলেন, তখন আন্তোনেলার চোখে ভর করেছিলো শত শত নির্ঘুম রাতের প্রার্থনার জ্যোতি।

এই দুই মানুষ—ভিরাট আর মেসি—যারা শুধুই ক্রিকেট বা ফুটবল নয়, পুরো দুনিয়াকে দেখিয়েছেন যে, একজন মানুষের পেছনে যদি থাকে ভালোবাসা, সাহস আর একটুখানি নির্ভরতা, তবে সে পারে পৃথিবীর যেকোনো শৃঙ্গ জয় করতে।

এই গল্প শুধু খেলার নয়, ভালোবাসার, প্রতীক্ষার, আত্মবিশ্বাসের—আর নীরব সেই মানুষগুলোর, যারা সামনে না থেকেও পাশে থেকে বারবার প্রমাণ করে যান নজরুলকে-

” কোন কালে একা হয়নি ক’ জয়ী পুরুষের তরবারি,

প্রেরণা দিয়াছে, শক্তি দিয়াছে বিজয় লক্ষ্মী নারী”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভালোবাসাই যেন বিজয়ের প্রেরণা: মেসি ও ভিরাট যেখানে মিলে যান একই বিন্দুতে..

আপডেট সময় : ০৮:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

এক সময় ছিল যখন ভিরাট কোহলি আইপিএলের ট্রফির সামনে দাঁড়িয়ে থেকেও বারবার ফিরে এসেছেন খালি হাতে। আর লিওনেল মেসি—ফুটবল বিশ্বে শতাব্দীর সেরা হয়েও বারবার শুনেছেন, “তোমার তো বিশ্বকাপ নেই!” কিন্তু এই দুই কিংবদন্তির যাত্রা শুধু খেলার মাঠেই শেষ হয়নি, তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় এসেছে হৃদয়ের মাঠে—সঙ্গীর ভালোবাসা, সাহস আর সমর্থনে।

ভিরাট যখন ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত চাপে ভেঙে পড়ার উপক্রম, তখন আনুশকাই ছিলেন তার ছায়া হয়ে। মিডিয়ার আঘাত, ব্যর্থতার অভিশাপ, হাজারো সমালোচনার মাঝেও আনুশকা কখনো চোখ ফেরাননি। খেলার শেষে যখন সকলের চোখ ট্রফিতে, আনুশকার চোখ ছিল শুধুই ভিরাটের ক্লান্ত কিন্তু শান্ত মুখে। সে যেন শুধু একজন স্ত্রী নয়—একজন নীরব অনুপ্রেরণা, লড়াইয়ের দিনের মানসিক শক্তি, একজন যোদ্ধার হার না মানা অবয়ব..

অন্যদিকে, মেসির জীবনেও আন্তোনেলা ছিল তার শৈশবের আলো। ফুটবলের মাঠে একের পর এক ট্রফি উঠেছে তার হাতে, কিন্তু সাধের বিশ্বকাপ ছিল অধরাই। সবাই ভেবেছিল, হয়তো এটাই ফুটবল জাদুকরের জীবনের একমাত্র অপূর্ণতা।

কিন্তু আন্তোনেলা কখনো সেই ব্যর্থতাকে ব্যর্থতা ভাবেননি। তাঁর জন্য, মেসি সবসময়ই চ্যাম্পিয়ন। যখন বিশ্বকাপ হাতে মেসি চোখ বন্ধ করে হাসছিলেন, তখন আন্তোনেলার চোখে ভর করেছিলো শত শত নির্ঘুম রাতের প্রার্থনার জ্যোতি।

এই দুই মানুষ—ভিরাট আর মেসি—যারা শুধুই ক্রিকেট বা ফুটবল নয়, পুরো দুনিয়াকে দেখিয়েছেন যে, একজন মানুষের পেছনে যদি থাকে ভালোবাসা, সাহস আর একটুখানি নির্ভরতা, তবে সে পারে পৃথিবীর যেকোনো শৃঙ্গ জয় করতে।

এই গল্প শুধু খেলার নয়, ভালোবাসার, প্রতীক্ষার, আত্মবিশ্বাসের—আর নীরব সেই মানুষগুলোর, যারা সামনে না থেকেও পাশে থেকে বারবার প্রমাণ করে যান নজরুলকে-

” কোন কালে একা হয়নি ক’ জয়ী পুরুষের তরবারি,

প্রেরণা দিয়াছে, শক্তি দিয়াছে বিজয় লক্ষ্মী নারী”