ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সালাহউদ্দিন আহমদ-“আওয়ামীলীগের বিচার শুরু হবে বলে আশা করছি” কবে গঠিত হবে নতুন সরকার? চট্টগ্রামে ১৬টির মধ্যে ১৪ আসন বিএনপির, কে কত ভোট পেলেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতেছে, কী কী বদল আসবে গোপালগঞ্জে শেখ হাসিনার আসনে জয় পেয়েছে বিএনপির জিলানী কক্সবাজারের চার আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল; কে কতো ভোটে জিতলেন কত ভোট পেলেন তাসনিম জারা সরকার গঠনে জোট করার প্রশ্নই আসে না: সালাহউদ্দিন তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা, কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন দূতাবাস তারেক রহমানকে মোদির অভিনন্দন রুমিন ফারহানা–তাহসিনা রুশদীর–শামা ওবায়েদসহ জয়ী হলেন ৭ নারী পোস্টাল ব্যালটের চূড়ান্ত হিসাব জানালো ইসি সারা দেশে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ: ইসি ২০ বছর পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি, প্রথমবার বিরোধী দলে জামায়াত নির্বাচন ও গণভোটে ২৯৯ আসনে ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ

প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের হরিজন সম্প্রদায়ের পাশে এনসিপি

কক্সবাজার পৌর শহরে সোমবার মধ্য রাতে পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের হরিজন সম্প্রদায়ের দরিদ্র মানুষদের মাঝে ছাত্র প্রতিনিধি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (০২ জুন) মধ্য রাতে শহরের ৯নং ওয়ার্ডের সম্ভব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাঈদ স্বাধীন এর উদ্যোগে আয়োজিত এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম সুজা উদ্দিন ও কক্সবাজারের অন্যতম সংগঠক খালিদ বিন সাঈদ।

সম্প্রতি গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে পুরো জেলায় অসংখ্য মানুষ ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কক্সবাজার সদর, কুতুবদিয়া, মহেশখালী ঈদগাঁও, বদরখালীতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এনসিপি কক্সবাজারের প্রতিনিধিরা।

যেকোনো দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও কোন মানবিক সহায়তার দেখা পায় না পৌর শহরে বসবাসরত হরিজন সম্প্রদায়। এবারই কোন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপির পক্ষ থেকে জরুরি খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পাশে দাঁড়ালেন এনসিপির প্রতিনিধি সাঈদ স্বাধীন সহ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি এএসএম সুজা উদ্দিন ও জেলা প্রতিনিধি মুহাম্মদ খালিদ বিন সাঈদ ও শামীম ফরহাদ।

এনসিপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি এএসএম সুজা উদ্দিন বলেন, সারা বাংলাদেশে দলিত হরিজন বা তফসিল সম্প্রদায়ের সদস্য বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় ৬ থেকে ৭ ভাগ।এরা তেলেগু, হিন্দি, মারাঠি ও বাংলা ভাষায় কথা বলে , আবার যে অঞ্চলে বসবাস করছে বহুদিন ধরে সে অঞ্চলের ভাষায় কথা বলতে পারে।

দেশের জনগণের জরুরি সেবামূলক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি তারা পেশা হিসাবে নেন। জলাশয় পরিস্কার থেকে শুরু করে সমাজের বজ্য ব্যবস্থাপনা পুরোটায় তাদের মাধ্যমে হয়। একদিন তারা কাজ থেকে বিরত থাকলে আমাদের অবস্থা কি হবে তা অবর্ণনীয়।

এই বৃষ্টিতে শুধু উপকূলবাসী নয়, সমাজে অনেক শ্রেনীর মানুষ আছে যাদেরকে আসলে কেউ দেখতে আসে না, দায়িত্বও নেয় না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের হরিজন সম্প্রদায়ের পাশে এনসিপি

আপডেট সময় : ০৭:০৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

কক্সবাজার পৌর শহরে সোমবার মধ্য রাতে পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের হরিজন সম্প্রদায়ের দরিদ্র মানুষদের মাঝে ছাত্র প্রতিনিধি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (০২ জুন) মধ্য রাতে শহরের ৯নং ওয়ার্ডের সম্ভব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাঈদ স্বাধীন এর উদ্যোগে আয়োজিত এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম সুজা উদ্দিন ও কক্সবাজারের অন্যতম সংগঠক খালিদ বিন সাঈদ।

সম্প্রতি গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে পুরো জেলায় অসংখ্য মানুষ ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কক্সবাজার সদর, কুতুবদিয়া, মহেশখালী ঈদগাঁও, বদরখালীতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এনসিপি কক্সবাজারের প্রতিনিধিরা।

যেকোনো দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও কোন মানবিক সহায়তার দেখা পায় না পৌর শহরে বসবাসরত হরিজন সম্প্রদায়। এবারই কোন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপির পক্ষ থেকে জরুরি খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পাশে দাঁড়ালেন এনসিপির প্রতিনিধি সাঈদ স্বাধীন সহ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি এএসএম সুজা উদ্দিন ও জেলা প্রতিনিধি মুহাম্মদ খালিদ বিন সাঈদ ও শামীম ফরহাদ।

এনসিপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি এএসএম সুজা উদ্দিন বলেন, সারা বাংলাদেশে দলিত হরিজন বা তফসিল সম্প্রদায়ের সদস্য বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় ৬ থেকে ৭ ভাগ।এরা তেলেগু, হিন্দি, মারাঠি ও বাংলা ভাষায় কথা বলে , আবার যে অঞ্চলে বসবাস করছে বহুদিন ধরে সে অঞ্চলের ভাষায় কথা বলতে পারে।

দেশের জনগণের জরুরি সেবামূলক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি তারা পেশা হিসাবে নেন। জলাশয় পরিস্কার থেকে শুরু করে সমাজের বজ্য ব্যবস্থাপনা পুরোটায় তাদের মাধ্যমে হয়। একদিন তারা কাজ থেকে বিরত থাকলে আমাদের অবস্থা কি হবে তা অবর্ণনীয়।

এই বৃষ্টিতে শুধু উপকূলবাসী নয়, সমাজে অনেক শ্রেনীর মানুষ আছে যাদেরকে আসলে কেউ দেখতে আসে না, দায়িত্বও নেয় না।