ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইয়াবা’ ছিনতাইকান্ডে কোটবাজারে তোলপাড়! ‘জুলাই চেতনাকে বাদ দিয়ে গণতন্ত্র, সুসংহত ও বৈষম্যহীন দেশ গঠন সম্ভব নয়’-হামিদুর রহমান আযাদ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল বদরখালীতে আলমগীর ফরিদের বহরে থাকা গাড়ীর ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার মাতামুহুরী হচ্ছে কক্সবাজার জেলার দশম উপজেলা ১৮ মাস পর ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন মুহাম্মদ ইউনূস ১২ মার্চ সংসদ বসছে, নির্বাচন করা হবে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে কিছু পরিবর্তন আসবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ভিসি নিয়াজ আহমদ খান চকরিয়ার কাকারায় ডাকাতের হামলায় মুজিবের মৃত্যু দাবী স্থানীয়দের: আঘাতের চিহ্ন নেই বলছে পুলিশ বিশ্বের সব দেশের ওপর শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করলেন ট্রাম্প বাংলাদেশ-সৌদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে: প্রধানমন্ত্রী জানুয়ারিতে সড়কে ঝরল ৫৪৬ প্রাণ: যাত্রী কল্যাণ সমিতি ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী, করবেন বইমেলার উদ্বোধন

মহেশখালীতে রশিদ হ’ত্যা: আসামিদের পাল্টা মামলায় হয়রানির শিকার বাদীর পরিবার

মহেশখালীতে রাজনৈতিক কথা কাটাকাটির জেরে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীর হামলায় গত ১৪ এপ্রিল খুন হয় স্থানীয় বিএনপির কর্মী রশিদ আহমেদ (৫৫)। রশিদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়ি ঘেরাও করে কামরুল হাসান নামের একজনকে আটক করে পুলিশে দেয়, এসময় উত্তেজিত জনতা কামরুলকে আটক করতে গিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করে।

রশিদ আহমেদ হত্যার ঘটনায় পরদিন (১৫ এপ্রিল) নিহতের স্ত্রী খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্তদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনায় হত্যা মামলার আসামিরা বাদী ও নিহত রশিদের পরিবারকে আসামি করে পাল্টা মামলা করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত রশিদের পরিবার।

শনিবার (৩১ মে) কালারমারছড়া উত্তর নলবিলায় কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহত রশিদের স্ত্রী খুরশিদা বেগম ও ছেলে শাওন অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ এপ্রিল কালারমারছড়ার উত্তর নলবিলা গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্র রশিদ আহমদকে রাজনৈতিক তুচ্ছ কথা কাটাকাটির জের ধরে একই এলাকার নজু মিয়ার পুত্র অমিত হাসান ও কামরুল পিটিয়ে রশিদকে হত্যা করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা হত্যাকারী কামরুল হাসানকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হলেও পুলিশ এ পর্যন্ত একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। আসামিদের একজন হেলাল উদ্দিন উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে আসে। হেলাল উদ্দিন গত ১৩ মে মহেশখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিহতের স্ত্রী, ভাই ও পরিবারের লোকজনসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা দায়ের করে। আদালত এই মামলাটি মহেশখালী থানায় তদন্তের জন্য পাঠালে পুলিশ এসে উল্টো নিহতের পরিবারের লোকজনকে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এই ঘটনায় নিহত রশিদের পরিবার প্রশাসনের প্রশ্রয়ে উল্টো আসামিদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ করেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের ছেলে মো. শাওন, বড়ভাই নজরুল ইসলাম, ভাতিজা শাহেদুল ইসলাম। তারা নিহত রশিদ আহমেদের হত্যাকারীদের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যাহার এবং রশিদ হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে ন্যায় বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

মহেশখালীতে রশিদ হ’ত্যা: আসামিদের পাল্টা মামলায় হয়রানির শিকার বাদীর পরিবার

আপডেট সময় : ০৯:১৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

মহেশখালীতে রাজনৈতিক কথা কাটাকাটির জেরে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীর হামলায় গত ১৪ এপ্রিল খুন হয় স্থানীয় বিএনপির কর্মী রশিদ আহমেদ (৫৫)। রশিদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়ি ঘেরাও করে কামরুল হাসান নামের একজনকে আটক করে পুলিশে দেয়, এসময় উত্তেজিত জনতা কামরুলকে আটক করতে গিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর করে।

রশিদ আহমেদ হত্যার ঘটনায় পরদিন (১৫ এপ্রিল) নিহতের স্ত্রী খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে অভিযুক্তদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনায় হত্যা মামলার আসামিরা বাদী ও নিহত রশিদের পরিবারকে আসামি করে পাল্টা মামলা করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত রশিদের পরিবার।

শনিবার (৩১ মে) কালারমারছড়া উত্তর নলবিলায় কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিহত রশিদের স্ত্রী খুরশিদা বেগম ও ছেলে শাওন অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ এপ্রিল কালারমারছড়ার উত্তর নলবিলা গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্র রশিদ আহমদকে রাজনৈতিক তুচ্ছ কথা কাটাকাটির জের ধরে একই এলাকার নজু মিয়ার পুত্র অমিত হাসান ও কামরুল পিটিয়ে রশিদকে হত্যা করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা হত্যাকারী কামরুল হাসানকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হলেও পুলিশ এ পর্যন্ত একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। আসামিদের একজন হেলাল উদ্দিন উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে আসে। হেলাল উদ্দিন গত ১৩ মে মহেশখালী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিহতের স্ত্রী, ভাই ও পরিবারের লোকজনসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা দায়ের করে। আদালত এই মামলাটি মহেশখালী থানায় তদন্তের জন্য পাঠালে পুলিশ এসে উল্টো নিহতের পরিবারের লোকজনকে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এই ঘটনায় নিহত রশিদের পরিবার প্রশাসনের প্রশ্রয়ে উল্টো আসামিদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর অভিযোগ করেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, নিহতের ছেলে মো. শাওন, বড়ভাই নজরুল ইসলাম, ভাতিজা শাহেদুল ইসলাম। তারা নিহত রশিদ আহমেদের হত্যাকারীদের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যাহার এবং রশিদ হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে ন্যায় বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।