ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আ.লীগ সরকারের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কক্সবাজার উপকূলে শত পরিবারে কান্না আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি,নিখোঁজ পেকুয়ার ১২জন চকরিয়ার সাংবাদিক মিজবাউল হকের স্ত্রী মারা গেছেন, জানাজা বৃহস্পতিবার কচ্ছপিয়ার ৪ যুবক মালয়েশিয়াগামী ট্রলারে প্রাণ হারালো : এলাকায় শোকের ছায়া হাতি তাড়াতে গিয়ে ৩ রোহিঙ্গা অপহৃত স্ত্রীকে হত্যা করে হাত ও মাথা বিচ্ছিন্ন, স্বামী গ্রেপ্তার ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান: তিন প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা অটোরিকশার আসনের নিচে ৪০ হাজার ইয়াবা, চালক আটক চকরিয়ার খুটাখালীতে বালু উত্তোলন করতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু বিদ্যুৎ উদ্বৃত্তের দাবির দেশে লোডশেডিং: আসল সংকট কোথায়? কক্সবাজারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু: প্রথম দিনে উপস্থিতি ৫৬% কক্সবাজারে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে সময় লাগবে : মন্ত্রী ফের মাইন বিস্ফোরণ, পাঁচ দিনে পা হারালেন দুই রোহিঙ্গা যুবক বন্য হাতির আক্রমণে ধান পাহারায় থাকা কৃষকের মৃত্যু

গভীর নিম্নচাপের তাণ্ডব: কক্সবাজারে টানা বৃষ্টি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, পাহাড় ধসের শঙ্কা

গভীর  নিম্নচাপটি উপকূল অতিক্রম করলেও কক্সবাজারে এখনো এর তাণ্ডব থামেনি। শহরজুড়ে চলমান রয়েছে টানা বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঝড়ো হাওয়ার গতিও বেশ উদ্বেগজনক। প্রতি ঘণ্টায় বাতাসের গতি ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো আকারে কখনো কখনো ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে এখনো ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের প্রভাবে কক্সবাজার জেলার বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, রামু, চকরিয়া, টেকনাফ, উখিয়া, পেকুয়া, কক্সবাজার সদর ও ঈদগাঁও উপজেলার নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আজ ও আগামীকাল পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যেসব মানুষ পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছেন, তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন।

প্রশাসন ও স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যদি দ্রুত নিরাপদে সরে না যাওয়া হয়, তবে বিগত বছরগুলোর মতো পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

উল্লেখ্য, চলমান দুর্যোগের কারণে জেলা জুড়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও অফিসগুলোতে উপস্থিতিও তুলনামূলক কম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে রেসকিউ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে, এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোও খুলে দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আ.লীগ সরকারের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

গভীর নিম্নচাপের তাণ্ডব: কক্সবাজারে টানা বৃষ্টি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, পাহাড় ধসের শঙ্কা

আপডেট সময় : ১২:৩১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

গভীর  নিম্নচাপটি উপকূল অতিক্রম করলেও কক্সবাজারে এখনো এর তাণ্ডব থামেনি। শহরজুড়ে চলমান রয়েছে টানা বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঝড়ো হাওয়ার গতিও বেশ উদ্বেগজনক। প্রতি ঘণ্টায় বাতাসের গতি ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো আকারে কখনো কখনো ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে এখনো ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের প্রভাবে কক্সবাজার জেলার বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, রামু, চকরিয়া, টেকনাফ, উখিয়া, পেকুয়া, কক্সবাজার সদর ও ঈদগাঁও উপজেলার নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আজ ও আগামীকাল পর্যন্ত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এর ফলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যেসব মানুষ পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছেন, তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন।

প্রশাসন ও স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যদি দ্রুত নিরাপদে সরে না যাওয়া হয়, তবে বিগত বছরগুলোর মতো পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

উল্লেখ্য, চলমান দুর্যোগের কারণে জেলা জুড়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ও অফিসগুলোতে উপস্থিতিও তুলনামূলক কম। প্রশাসনের পক্ষ থেকে রেসকিউ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে, এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোও খুলে দেওয়া হয়েছে।