ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ মিথ্যা দাবি খোকন চেয়ারম্যানের : চাইলেন সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত কুতুবজোমের উন্নয়ন ও নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নামছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. রহিম উল্লাহ টুপটুপের মামলায় ওসি তলব- ‘আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ’ পাটুয়ারটেক ট্রাজেডি, ডিএনএ টেস্টে নিহত ১০ জনের পরিচয় মিলেছে, মিলেনি ছাত্রদল নেতার স্ত্রীর পরিচয় কক্সবাজার রুটে বাড়ল ট্রেন, যুক্ত হলো মহানগর এক্সপ্রেস নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলার উপ কারিগরি শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ সাঈদ চট্রগ্রামে আটক টেকনাফের পৌরমেয়র প্রার্থীর মিছিলে চাঁদাবাজি মামলার আসামী! রামুর বাঁকখালী তীরে মিলনমেলা – সম্প্রীতির বন্ধনে ভাসলো কল্প-জাহাজ বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে সম্প্রীতির দেশ- কক্সবাজারের প্রবারণা উৎসবে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম অভিযানের পরও মেরিনড্রাইভে নির্মাণযজ্ঞ,  ‘সরকারি দপ্তর’ ম্যানেজের দাবি! কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সোনারগাঁওয়ের যুবদল নেতা জহির ফকির হত্যা মামলার আসামি কবির গ্রেপ্তার গর্জনিয়ায় হাবিব-আয়েশা ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ গর্জনিয়ায় হাবিব-আয়েশা ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ লামায় বজ্রপাতে ঝরল দুই প্রাণ

রামুতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বালুবাসা গ্রামে নগদ টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সাহাব উদ্দিন নামে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছে। শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে- গরু বিক্রির টাকা নিয়ে রামু থেকে ঘরে ফিরছিলেন কচ্ছপিয়ার বালুবাসা গ্রামের তিন বন্ধু। শনিবার রাত ১১টায় তাঁরা বালুবাসা রাস্তার মাথায় পৌঁছালে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের মোটরসাইকেল থামিয়ে নগদ ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালান। এতে বাঁধা দিলে গুলিবর্ষণ করা হয়। এসময় গুলির শব্দ এবং রামু থেকে আসা রিমন ও আনসার উল্লাহর চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসেন। পরে গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে সাহাব উদ্দিন প্রচন্ডভাবে আহত হন। বাকি সদস্যরা অস্ত্র ও ৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। পরে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত সাহাব উদ্দিন ও ছিনতাইয়ের শিকার রিমনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাহাব উদ্দিন মারা যায়।

গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রুবেল দেব নাথ বলেন- ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় সাহাব উদ্দিন ও রিমনকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাহাব উদ্দিন মারা যায়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন- ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। সাহাব উদ্দিন দলবল নিয়ে এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে এসেছেন। এলাকাবাসী তাকে গণপিটুনি দিয়েছে। তার পরনের জ্যাকেট থেকে তিন রাউন্ড গুলি ও একটি আইসের প্যাকেট পেয়েছে স্থানীয়রা।

এদিকে নিহত সাহাব উদ্দিনের নিকটাত্মীয় সালাহ উদ্দিন বাবু বলেন- শনিবার রাতে একটি ফোন আসে সাহাব উদ্দিনকে বালুবাসা গ্রামে মেরে পেলে রাখা হয়েছে। কি কারণে এ ঘটনা তারা জানেন না। সাহাব উদ্দিনকে প্রচন্ডভাবে প্রহার করা হয়েছে। মাথা ও শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন তারা। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না পাওয়ায় সে মারা যায় বলে তাদের দাবি।

রামু থানার ওসি ইমন কান্তি চৌধুরী রোববার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন- নিহত সাহাব উদ্দিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনাটি অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীরা শীঘ্রই আইনের আওতায় আসবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ মিথ্যা দাবি খোকন চেয়ারম্যানের : চাইলেন সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত

রামুতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ১০:২২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪

রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বালুবাসা গ্রামে নগদ টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সাহাব উদ্দিন নামে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছে। শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে- গরু বিক্রির টাকা নিয়ে রামু থেকে ঘরে ফিরছিলেন কচ্ছপিয়ার বালুবাসা গ্রামের তিন বন্ধু। শনিবার রাত ১১টায় তাঁরা বালুবাসা রাস্তার মাথায় পৌঁছালে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের মোটরসাইকেল থামিয়ে নগদ ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালান। এতে বাঁধা দিলে গুলিবর্ষণ করা হয়। এসময় গুলির শব্দ এবং রামু থেকে আসা রিমন ও আনসার উল্লাহর চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসেন। পরে গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে সাহাব উদ্দিন প্রচন্ডভাবে আহত হন। বাকি সদস্যরা অস্ত্র ও ৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। পরে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত সাহাব উদ্দিন ও ছিনতাইয়ের শিকার রিমনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাহাব উদ্দিন মারা যায়।

গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রুবেল দেব নাথ বলেন- ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় সাহাব উদ্দিন ও রিমনকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাহাব উদ্দিন মারা যায়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন- ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। সাহাব উদ্দিন দলবল নিয়ে এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে এসেছেন। এলাকাবাসী তাকে গণপিটুনি দিয়েছে। তার পরনের জ্যাকেট থেকে তিন রাউন্ড গুলি ও একটি আইসের প্যাকেট পেয়েছে স্থানীয়রা।

এদিকে নিহত সাহাব উদ্দিনের নিকটাত্মীয় সালাহ উদ্দিন বাবু বলেন- শনিবার রাতে একটি ফোন আসে সাহাব উদ্দিনকে বালুবাসা গ্রামে মেরে পেলে রাখা হয়েছে। কি কারণে এ ঘটনা তারা জানেন না। সাহাব উদ্দিনকে প্রচন্ডভাবে প্রহার করা হয়েছে। মাথা ও শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন তারা। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না পাওয়ায় সে মারা যায় বলে তাদের দাবি।

রামু থানার ওসি ইমন কান্তি চৌধুরী রোববার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন- নিহত সাহাব উদ্দিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনাটি অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীরা শীঘ্রই আইনের আওতায় আসবে।