ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলার ৭১ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৬৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত : মৃতের সংখ্যা ৩০ দূর্গত এলাকায় সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট উখিয়ার হলদিয়ায় দোকান থেকে মোটরসাইকেল চুরি, সন্ধানদাতার জন্য পুরস্কারের ঘোষণা ঈদগাঁওয়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর চকরিয়ার কৈয়ারবিলের সেই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার সেমিফাইনালের পরিসংখ্যানে বিস্ময়! আর্জেন্টিনার ৭ বিভাগেই এক নাম—মেসি রামুর কচ্ছপিয়ায় স্রোতে ভেসে গিয়ে একজনের প্রাণহানি দুর্গতদের পাশে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সরাকরি সহায়তা থেকে দূর্গত কোনো মানুষ বাদ পড়বেনা- চকরিয়ায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জননেতা নুরুল আবছারের ওপেন হার্ট সার্জারি সোমবার : দোয়া কামনা পেকুয়ায় চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের উদ্যোগে চলছে বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি: ২১ ঘন্টায়ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ জুড বেলিংহাম: জিদানের পর এমন বিশ্বকাপ কি আর কোনো মিডফিল্ডার খেলেছেন? প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী মুজিববর্ষ উদযাপনে খরচ ৯৮৩ কোটি টাকা : সংসদে অর্থমন্ত্রী

আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের

  • তানভীর শিপু
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 819

শহরের কলাতলীতে নবনির্মিত পাম্পের গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে ১০ জন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার ‘এন আলম’ নামের ওই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস লিকেজ হয়। এসময় গ্যাস বাতাসে মিশে আশেপাশের পুরো এলাকা ছেয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০ টায় লিক হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মোহাম্মদ নাসির নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় দেখা দেয় আতংক।

এসময় কলাতলী থেকে বাসটার্মিনাল যাওয়ার সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্যাস লিক হওয়ার পর ট্যাংকি থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয় এসময় এলাকায় আগুন না ধরাতে এবং ধুমপান না করতে মাইকিং করা হয়। এর কিছুক্ষন পর বিস্ফোরণ হয় আর আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।”

সাথে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবির ইউনিটও যুক্ত হয় আগুন নেভানোর কাজে।

তিনি বলেন, গ্যাস স্টেশনটির লাইসেন্স নেই। ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি নেই বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যম্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। তবে তিনি জানান, গ্যাসের ট্যাংকি থেকে এখনও মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। তাই এখনও ঝঁকি আছে তাই আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার বলেন, দগ্ধ মোট ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আর বাকীদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে চমেকে প্রেরণ করা ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।

এদিকে এঘটনায় অন্তত: ৩০ টি জীপ গাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট জীপ গাড়ীর মালিক শামসুদ্দিন। পাম্পের আশে পাশে গাড়ীগুলো পার্কিং করে রেখেছিলো বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে লোকালয় এবং আবাসিক এলাকা থেকে গ্যাস পাম্প সরানোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলার ৭১ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৬৯ টি ক্ষতিগ্রস্ত : মৃতের সংখ্যা ৩০

আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের

আপডেট সময় : ০৩:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শহরের কলাতলীতে নবনির্মিত পাম্পের গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে ১০ জন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার ‘এন আলম’ নামের ওই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস লিকেজ হয়। এসময় গ্যাস বাতাসে মিশে আশেপাশের পুরো এলাকা ছেয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০ টায় লিক হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মোহাম্মদ নাসির নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় দেখা দেয় আতংক।

এসময় কলাতলী থেকে বাসটার্মিনাল যাওয়ার সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্যাস লিক হওয়ার পর ট্যাংকি থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয় এসময় এলাকায় আগুন না ধরাতে এবং ধুমপান না করতে মাইকিং করা হয়। এর কিছুক্ষন পর বিস্ফোরণ হয় আর আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।”

সাথে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবির ইউনিটও যুক্ত হয় আগুন নেভানোর কাজে।

তিনি বলেন, গ্যাস স্টেশনটির লাইসেন্স নেই। ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি নেই বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যম্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। তবে তিনি জানান, গ্যাসের ট্যাংকি থেকে এখনও মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। তাই এখনও ঝঁকি আছে তাই আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার বলেন, দগ্ধ মোট ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আর বাকীদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে চমেকে প্রেরণ করা ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।

এদিকে এঘটনায় অন্তত: ৩০ টি জীপ গাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট জীপ গাড়ীর মালিক শামসুদ্দিন। পাম্পের আশে পাশে গাড়ীগুলো পার্কিং করে রেখেছিলো বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে লোকালয় এবং আবাসিক এলাকা থেকে গ্যাস পাম্প সরানোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।