ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো

আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের

  • তানভীর শিপু
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 814

শহরের কলাতলীতে নবনির্মিত পাম্পের গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে ১০ জন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার ‘এন আলম’ নামের ওই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস লিকেজ হয়। এসময় গ্যাস বাতাসে মিশে আশেপাশের পুরো এলাকা ছেয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০ টায় লিক হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মোহাম্মদ নাসির নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় দেখা দেয় আতংক।

এসময় কলাতলী থেকে বাসটার্মিনাল যাওয়ার সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্যাস লিক হওয়ার পর ট্যাংকি থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয় এসময় এলাকায় আগুন না ধরাতে এবং ধুমপান না করতে মাইকিং করা হয়। এর কিছুক্ষন পর বিস্ফোরণ হয় আর আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।”

সাথে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবির ইউনিটও যুক্ত হয় আগুন নেভানোর কাজে।

তিনি বলেন, গ্যাস স্টেশনটির লাইসেন্স নেই। ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি নেই বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যম্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। তবে তিনি জানান, গ্যাসের ট্যাংকি থেকে এখনও মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। তাই এখনও ঝঁকি আছে তাই আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার বলেন, দগ্ধ মোট ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আর বাকীদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে চমেকে প্রেরণ করা ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।

এদিকে এঘটনায় অন্তত: ৩০ টি জীপ গাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট জীপ গাড়ীর মালিক শামসুদ্দিন। পাম্পের আশে পাশে গাড়ীগুলো পার্কিং করে রেখেছিলো বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে লোকালয় এবং আবাসিক এলাকা থেকে গ্যাস পাম্প সরানোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি

আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের

আপডেট সময় : ০৩:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শহরের কলাতলীতে নবনির্মিত পাম্পের গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে ১০ জন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার ‘এন আলম’ নামের ওই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস লিকেজ হয়। এসময় গ্যাস বাতাসে মিশে আশেপাশের পুরো এলাকা ছেয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০ টায় লিক হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মোহাম্মদ নাসির নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় দেখা দেয় আতংক।

এসময় কলাতলী থেকে বাসটার্মিনাল যাওয়ার সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্যাস লিক হওয়ার পর ট্যাংকি থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয় এসময় এলাকায় আগুন না ধরাতে এবং ধুমপান না করতে মাইকিং করা হয়। এর কিছুক্ষন পর বিস্ফোরণ হয় আর আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।”

সাথে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবির ইউনিটও যুক্ত হয় আগুন নেভানোর কাজে।

তিনি বলেন, গ্যাস স্টেশনটির লাইসেন্স নেই। ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি নেই বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যম্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। তবে তিনি জানান, গ্যাসের ট্যাংকি থেকে এখনও মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। তাই এখনও ঝঁকি আছে তাই আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার বলেন, দগ্ধ মোট ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আর বাকীদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে চমেকে প্রেরণ করা ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।

এদিকে এঘটনায় অন্তত: ৩০ টি জীপ গাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট জীপ গাড়ীর মালিক শামসুদ্দিন। পাম্পের আশে পাশে গাড়ীগুলো পার্কিং করে রেখেছিলো বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে লোকালয় এবং আবাসিক এলাকা থেকে গ্যাস পাম্প সরানোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।