ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে ৫ জামায়াত-বিএনপি নেতা আটক কক্সবাজারে শুরু হলো ৩ দিনব্যাপী মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম প্রশিক্ষণ মালয়েশিয়ার প্রলোভনে নিখোঁজ হয়ে মিয়ানমার কারাগারে ছেলে, পথে ঘুরছেন অসহায় মা চকরিয়ায় ১৯ মামলার আসামী গ্রেপ্তার! বঙ্গোসাগরের ওপর সেই আলো ছিল ভারতীয় অত্যাধুনিক মিসাইল বঙ্গবন্ধুর সহচর বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম মোজাম্মেল হকের ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশ্ব মা দিবস আজ পেকুয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ: আহত একাধিক পেশকারপাড়ায় ফারুক হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামী হলেন যারা…  সীমান্তের ৫শ হতদরিদ্রকে ফ্রীতে ৪ ধরণের সেবা দিলো ১১ বিজিবির রামুতে কোমলমতি খেলাঘর আসরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হামে মৃত্যু, সামনে ডেঙ্গু, এ কেমন জীবন? নারায়ণগঞ্জে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের দুই হোতাসহ ৭ জন কক্সবাজারে গ্রেফতার ঈদগাঁওর আলোচিত সেলিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আতাউল্লাহ গ্রেফতার আরাকান আর্মির হাতে আটক ১৪ জেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনলো বিজিবি

আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের

  • তানভীর শিপু
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 791

শহরের কলাতলীতে নবনির্মিত পাম্পের গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে ১০ জন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার ‘এন আলম’ নামের ওই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস লিকেজ হয়। এসময় গ্যাস বাতাসে মিশে আশেপাশের পুরো এলাকা ছেয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০ টায় লিক হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মোহাম্মদ নাসির নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় দেখা দেয় আতংক।

এসময় কলাতলী থেকে বাসটার্মিনাল যাওয়ার সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্যাস লিক হওয়ার পর ট্যাংকি থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয় এসময় এলাকায় আগুন না ধরাতে এবং ধুমপান না করতে মাইকিং করা হয়। এর কিছুক্ষন পর বিস্ফোরণ হয় আর আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।”

সাথে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবির ইউনিটও যুক্ত হয় আগুন নেভানোর কাজে।

তিনি বলেন, গ্যাস স্টেশনটির লাইসেন্স নেই। ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি নেই বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যম্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। তবে তিনি জানান, গ্যাসের ট্যাংকি থেকে এখনও মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। তাই এখনও ঝঁকি আছে তাই আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার বলেন, দগ্ধ মোট ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আর বাকীদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে চমেকে প্রেরণ করা ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।

এদিকে এঘটনায় অন্তত: ৩০ টি জীপ গাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট জীপ গাড়ীর মালিক শামসুদ্দিন। পাম্পের আশে পাশে গাড়ীগুলো পার্কিং করে রেখেছিলো বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে লোকালয় এবং আবাসিক এলাকা থেকে গ্যাস পাম্প সরানোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে ৫ জামায়াত-বিএনপি নেতা আটক

আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের

আপডেট সময় : ০৩:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শহরের কলাতলীতে নবনির্মিত পাম্পের গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে ১০ জন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার ‘এন আলম’ নামের ওই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস লিকেজ হয়। এসময় গ্যাস বাতাসে মিশে আশেপাশের পুরো এলাকা ছেয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০ টায় লিক হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মোহাম্মদ নাসির নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় দেখা দেয় আতংক।

এসময় কলাতলী থেকে বাসটার্মিনাল যাওয়ার সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্যাস লিক হওয়ার পর ট্যাংকি থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয় এসময় এলাকায় আগুন না ধরাতে এবং ধুমপান না করতে মাইকিং করা হয়। এর কিছুক্ষন পর বিস্ফোরণ হয় আর আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।”

সাথে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবির ইউনিটও যুক্ত হয় আগুন নেভানোর কাজে।

তিনি বলেন, গ্যাস স্টেশনটির লাইসেন্স নেই। ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি নেই বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যম্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। তবে তিনি জানান, গ্যাসের ট্যাংকি থেকে এখনও মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। তাই এখনও ঝঁকি আছে তাই আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার বলেন, দগ্ধ মোট ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আর বাকীদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে চমেকে প্রেরণ করা ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।

এদিকে এঘটনায় অন্তত: ৩০ টি জীপ গাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট জীপ গাড়ীর মালিক শামসুদ্দিন। পাম্পের আশে পাশে গাড়ীগুলো পার্কিং করে রেখেছিলো বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে লোকালয় এবং আবাসিক এলাকা থেকে গ্যাস পাম্প সরানোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।