ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল কক্সবাজারে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা আজ পৃথিবীর মন খারাপ: ‘বিদায়’ বললেন, ফুটবলের কবি হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ সাগরে লঘুচাপ, টানা বৃষ্টির আভাস দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী বিশ্ববাজারে ১০১ ডলারে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুদের তাণ্ডব: ৮ মাঝিমাল্লা চমেক হাসপাতালে সেন্টমার্টিনে ভুল চিকিৎসায় অসুস্থ ৫০ শিশু! ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উখিয়ায় শ্মশানের ভাঙচুর করা দেয়াল পুন:র্নির্মাণ শুরু সোনাদিয়া দ্বীপে প্যারাবন দখলদারদের উচ্ছেদে নামছে নৌবাহিনী : পরিবেশবাদীদের স্বস্তি জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ বৈঠকে আমীর -“তেল, গ্যাস ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে” কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে চেইন্দায় ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজি যাত্রী নিহত

আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের

  • তানভীর শিপু
  • আপডেট সময় : ০৩:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 839

শহরের কলাতলীতে নবনির্মিত পাম্পের গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে ১০ জন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার ‘এন আলম’ নামের ওই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস লিকেজ হয়। এসময় গ্যাস বাতাসে মিশে আশেপাশের পুরো এলাকা ছেয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০ টায় লিক হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মোহাম্মদ নাসির নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় দেখা দেয় আতংক।

এসময় কলাতলী থেকে বাসটার্মিনাল যাওয়ার সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্যাস লিক হওয়ার পর ট্যাংকি থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয় এসময় এলাকায় আগুন না ধরাতে এবং ধুমপান না করতে মাইকিং করা হয়। এর কিছুক্ষন পর বিস্ফোরণ হয় আর আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।”

সাথে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবির ইউনিটও যুক্ত হয় আগুন নেভানোর কাজে।

তিনি বলেন, গ্যাস স্টেশনটির লাইসেন্স নেই। ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি নেই বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যম্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। তবে তিনি জানান, গ্যাসের ট্যাংকি থেকে এখনও মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। তাই এখনও ঝঁকি আছে তাই আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার বলেন, দগ্ধ মোট ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আর বাকীদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে চমেকে প্রেরণ করা ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।

এদিকে এঘটনায় অন্তত: ৩০ টি জীপ গাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট জীপ গাড়ীর মালিক শামসুদ্দিন। পাম্পের আশে পাশে গাড়ীগুলো পার্কিং করে রেখেছিলো বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে লোকালয় এবং আবাসিক এলাকা থেকে গ্যাস পাম্প সরানোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ট্যাগ :

আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের

আপডেট সময় : ০৩:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শহরের কলাতলীতে নবনির্মিত পাম্পের গ্যাস লিকেজ হওয়ার পর বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে ১০ জন দগ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার সন্ধ্যার ‘এন আলম’ নামের ওই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস লিকেজ হয়। এসময় গ্যাস বাতাসে মিশে আশেপাশের পুরো এলাকা ছেয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০ টায় লিক হওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মোহাম্মদ নাসির নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি আদর্শ গ্রাম, চন্দ্রিমা হাউজিং ও জেলখানা এলাকায় দেখা দেয় আতংক।

এসময় কলাতলী থেকে বাসটার্মিনাল যাওয়ার সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্যাস লিক হওয়ার পর ট্যাংকি থেকে গ্যাস ছেড়ে দেয়া হয় এসময় এলাকায় আগুন না ধরাতে এবং ধুমপান না করতে মাইকিং করা হয়। এর কিছুক্ষন পর বিস্ফোরণ হয় আর আগুন ধরে যায়। ধারণা করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেরকক্সবাজার কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বন্ধের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে।”

সাথে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবির ইউনিটও যুক্ত হয় আগুন নেভানোর কাজে।

তিনি বলেন, গ্যাস স্টেশনটির লাইসেন্স নেই। ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি নেই বলে জানান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যম্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। তবে তিনি জানান, গ্যাসের ট্যাংকি থেকে এখনও মাঝে মাঝে আগুন জ্বলে উঠছে। তাই এখনও ঝঁকি আছে তাই আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার বলেন, দগ্ধ মোট ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৫ জনকে চমেকে প্রেরণ করা হয়েছে। ২ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আর বাকীদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে চমেকে প্রেরণ করা ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে তিনি জানান।

এদিকে এঘটনায় অন্তত: ৩০ টি জীপ গাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট জীপ গাড়ীর মালিক শামসুদ্দিন। পাম্পের আশে পাশে গাড়ীগুলো পার্কিং করে রেখেছিলো বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে লোকালয় এবং আবাসিক এলাকা থেকে গ্যাস পাম্প সরানোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।