“জাপান বিশ্বসেরা দলগুলোর একটি। তাদের প্রতি আমাদের পূর্ণ সম্মান আছে। আমাদের কাছে এই ম্যাচটাই ফাইনাল।”
নকআউট ম্যাচের মানসিক চাপের কথাও তুলে ধরেন ব্রাজিল কোচ। অতিরিক্ত সময় কিংবা টাইব্রেকারের মতো যেকোনো পরিস্থিতির জন্য দলকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, শক্ত মন ও বড় সাহস নিয়েই মাঠে নামতে হবে।
অন্যদিকে, জাপান কোচ হাজিমে মোরিয়াসু আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, গ্রুপ পর্বের ভালো পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবার ব্রাজিলকে চ্যালেঞ্জ জানাতেই মাঠে নামবে তার দল।
“ব্রাজিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারে, তবে আমরা তাদের ছেড়ে কথা বলব না। জয় পেতে হলে নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতেই হবে।”
গত বছর প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলকে হারানোর স্মৃতিও মনে করিয়ে দেন মোরিয়াসু। যদিও বিশ্বকাপে এখনো ব্রাজিলের বিপক্ষে জয়ের দেখা পায়নি জাপান, তবুও এবার ইতিহাস বদলানোর বিশ্বাস রয়েছে তার।
“আমাদের বিশ্বাস আছে, আমরা জিততে পারি। মানুষ যেন জাপানকে এমন একটি দল হিসেবে দেখে, যারা বিশ্বসেরাদের হারানোর সামর্থ্য রাখে।”
তবে ম্যাচের আগে জাপান শিবিরে বড় ধাক্কাও এসেছে। দলের অন্যতম তারকা তাকেফুসা কুবো চোটের কারণে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না বলে নিশ্চিত করেছেন মোরিয়াসু। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কুবো দ্রুত সুস্থ হয়ে দলে ফিরবেন।
এদিকে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে টানা ১২তম বারের মতো বিশ্বকাপের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল। ১৯৮২ বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে টানা ৪৪ বছর ধরে গ্রুপসেরা হওয়ার অনন্য রেকর্ডও ধরে রেখেছে সেলেসাওরা।
এখন দেখার বিষয়, আনচেলত্তির অভিজ্ঞ ব্রাজিল নাকি মোরিয়াসুর আত্মবিশ্বাসী জাপান—কারা শেষ পর্যন্ত নকআউটের মহারণে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে পরবর্তী পর্বে জায়গা নিশ্চিত করতে পারে।
সায়ন্তন ভট্টাচার্য: 























