কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের হারুণ মাতবর পাড়া এলাকায় পুত্রবধুকে রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হওয়া আবু তাহের (৭৫) হত্যার তিন দিন পার হলেও এখনো মামলা দায়ের হয়নি।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বিচার দাবি করলেও আসামির তালিকা নিয়ে স্থানীয় একটি পক্ষ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এ মামলা নিয়ে বাণিজ্য করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।
নিহতের ছেলে মো. তারেক জানান, তার পিতা আবু তাহের হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। দ্রুত এজাহার থানায় জমা দেয়া হবে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল না। বরং নারী সংক্রান্ত একটি ঘটনার জেরে সৃষ্ট সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আবু তাহেরকে হত্যা করা হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে ঢুকার চেষ্টা করলে ওই নারী চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে আবু তাহের প্রতিবাদ করতে গেলে বৃদ্ধকে মারধর করলে এতে তিনি প্রাণ হারান।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনায় শিফাত ও বাহাদুর সরাসরি জড়িত থাকলেও বিভিন্ন সূত্র ও সম্পর্কের খাতিরে আরও ৬-৭ জনের নাম আসামির তালিকায় যুক্ত করার আলোচনা চলছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি হাসান বলেন, এজাহার এখনো আমাদের হাতে পৌঁছেনি। তবে আজ (রোববার) রাতেই এজাহার জমা হতে পারে।
উল্লেখ্য যে, গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় আবু তাহেরকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আবু তাহের একই এলাকার মৃত আব্দু ছাত্তারের ছেলে।
রেজাউল করিম, পেকুয়া: 
























