ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্ত্রীকে নির্যাতন শেষে ‘ঝুলিয়ে’ হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক কক্সবাজারে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের গণবিজ্ঞপ্তি: আবেদনের সময়সীমা ১৫ এপ্রিল এখন টেলিভিশনের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হয়েছেন মোহাম্মদ মোরশেদ বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদ-২০২৬ গঠিত: জ্যোতিসেন মহাথেরো সভাপতি, কানন বড়ুয়া সম্পাদক ওসমান হাদি হত্যার দুই আসামিকে ফেরত পাঠাতে সম্মত ভারত ‎ঈদগাঁও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি গঠন ডিসি কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে স্মারকলিপি মামলা নিয়ে বিরোধ: বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন কক্সবাজারে তিন দফা কালবৈশাখী, তীব্রতা কম-সামনে বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফে র‍্যাবের অভিযান: ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার কক্সবাজার সদর ও রামুতে ৭৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত-সংসদে এমপি কাজলের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী নিষিদ্ধই থাকছে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম, সন্ত্রাসবিরোধী বিল পাস পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগ ও কৌশলগত রূপরেখা রয়েছে মাছবোঝাই পিকআপে ১ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবা, চালক-হেলপার আটক

মামলা নিয়ে বিরোধ: বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন

কক্সবাজার শহরের পর্যটন জোনে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরে শওকত আলম (৩২) নামে এক ইজিবাইক চালক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে শহরের হোটেল-মোটেল জোন এলাকার সিলভার বে রিসোর্টের সামনে সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শওকত আলম টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। অভিযুক্ত আবু সিদ্দিক (৩৫) নিহতের বন্ধু এবং একই এলাকার ইমান হোসেনের ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শওকতের পরিবার গত ১৫ বছর ধরে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের কলেজ গেইট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে। একই এলাকায় বসবাস করতেন তার বন্ধু আবু সিদ্দিকও। সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক অপহরণ মামলা রয়েছে। যেগুলোতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক।

নিহতের স্ত্রী সূরা খাতুন ও স্বজনদের অভিযোগ, ওই অপহরণ মামলাকে কেন্দ্র করেই শওকত ও সিদ্দিকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জীবিকার তাগিদে ইজিবাইক নিয়ে বের হন শওকত। রাত ১১টার দিকে পর্যটন জোন এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে সিদ্দিকের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আবু সিদ্দিক ও তার সঙ্গে থাকা আরও ২-৩ জন মিলে শওকতকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে এক স্থানীয় যুবক শওকতকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি ছমিউদ্দিন জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ বর্তমানে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রীকে নির্যাতন শেষে ‘ঝুলিয়ে’ হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক

মামলা নিয়ে বিরোধ: বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন

আপডেট সময় : ০৬:২৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজার শহরের পর্যটন জোনে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরে শওকত আলম (৩২) নামে এক ইজিবাইক চালক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে শহরের হোটেল-মোটেল জোন এলাকার সিলভার বে রিসোর্টের সামনে সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শওকত আলম টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। অভিযুক্ত আবু সিদ্দিক (৩৫) নিহতের বন্ধু এবং একই এলাকার ইমান হোসেনের ছেলে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শওকতের পরিবার গত ১৫ বছর ধরে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের কলেজ গেইট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছে। একই এলাকায় বসবাস করতেন তার বন্ধু আবু সিদ্দিকও। সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক অপহরণ মামলা রয়েছে। যেগুলোতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক।

নিহতের স্ত্রী সূরা খাতুন ও স্বজনদের অভিযোগ, ওই অপহরণ মামলাকে কেন্দ্র করেই শওকত ও সিদ্দিকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জীবিকার তাগিদে ইজিবাইক নিয়ে বের হন শওকত। রাত ১১টার দিকে পর্যটন জোন এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে সিদ্দিকের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আবু সিদ্দিক ও তার সঙ্গে থাকা আরও ২-৩ জন মিলে শওকতকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে সড়কের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে এক স্থানীয় যুবক শওকতকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি ছমিউদ্দিন জানিয়েছেন, “প্রাথমিকভাবে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ বর্তমানে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।”