ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হারুন গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা শুরু ৪৯০ এআই ক্যামেরা স্থাপন, মহাসড়কে আইন ভাঙলেই ‘অটো ফাইন’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ ১৮৩ মিমি বৃষ্টিপাত টেকনাফে, বৃষ্টিপাত থাকতে পারে আরো ৫দিন : আবহাওয়া অফিস সৎ ও দক্ষ অফিসারদের আরও বেশি কাজের সুযোগ করে দিতে চাই : প্রধানমন্ত্রী তুরস্ক থেকে পা হারিয়ে ঢাকা বিমানবন্দরে উখিয়ার মরিচ্যার ফরিদ পরিবারকে খুঁজছে অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী মুখস্থনির্ভর শিক্ষা নয়, খেলায় খেলায় শিশুদের শেখাতে হবে : ববি হাজ্জাজ কক্সবাজারকে এশিয়ার অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র করতে চায় সরকার প্রাডো জিপে কক্সবাজার থেকে নিয়ে যাচ্ছিলো ৩ লাখ ইয়াবা : কুমিল্লায় আটক ২ মিয়ানমারের বিবৃতির প্রতিবাদে ইউসিআর -“রোহিঙ্গারা বাঙালি নয়, তারা রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী” শহরের লাইট হাউজ এলাকায় রিসোর্ট দখলের ঘটনায় আল-আমিনসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা : আটক ১ লোহাগাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া থেকে বেরিয়ে এলো জালনোটের কারবার : জালনোটসহ ‘কারবারি’ শাহ আলম আটক পর্যটন শহর কক্সবাজারের দোকান-শপিংমল রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা রাখার প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের পেকুয়ায় মাদকবিরোধী র‍্যালী ও সমাবেশ

কলাতলী গ্যাসপাম্প অগ্নিকাণ্ড: চমেকে দগ্ধ মোতাহেরের মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৩

  • রাহুল মহাজন:
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • 193

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় গ্যাসপাম্পে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ মোতাহের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে একই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আবু তাহের ও আব্দু রহিম মারা যান। সর্বশেষ গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চমেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন মোতাহের। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে তিনি মারা যান।

মোতাহেরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভাতিজা মো. হৃদয় বাবু। তিনি জানান, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে মোতাহের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে পারিবারিক সিদ্ধান্তে এতে পরিবর্তনও হতে পারে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলাতলীর ওই গ্যাসপাম্পে অগ্নিকাণ্ডের সময় অন্তত ১০ জন শ্রমিক ও কর্মচারী দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিস্ফোরণ অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্যাসপাম্পটির জেলা প্রশাসনের অনাপত্তিপত্র, পরিবেশ অধিদপ্তরের সনদ, ফায়ার সার্ভিসের অনুমতিপত্র এবং বিস্ফোরণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছিল না।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। নিহতদের পরিবারও চায় দোষীদের বিচার ও ক্ষতিপূরণ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হারুন গ্রেপ্তার

কলাতলী গ্যাসপাম্প অগ্নিকাণ্ড: চমেকে দগ্ধ মোতাহেরের মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৩

আপডেট সময় : ১২:২৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় গ্যাসপাম্পে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ মোতাহের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে একই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আবু তাহের ও আব্দু রহিম মারা যান। সর্বশেষ গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চমেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন মোতাহের। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে তিনি মারা যান।

মোতাহেরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভাতিজা মো. হৃদয় বাবু। তিনি জানান, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে মোতাহের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে পারিবারিক সিদ্ধান্তে এতে পরিবর্তনও হতে পারে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলাতলীর ওই গ্যাসপাম্পে অগ্নিকাণ্ডের সময় অন্তত ১০ জন শ্রমিক ও কর্মচারী দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিস্ফোরণ অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্যাসপাম্পটির জেলা প্রশাসনের অনাপত্তিপত্র, পরিবেশ অধিদপ্তরের সনদ, ফায়ার সার্ভিসের অনুমতিপত্র এবং বিস্ফোরণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছিল না।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। নিহতদের পরিবারও চায় দোষীদের বিচার ও ক্ষতিপূরণ।