ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহেশখালীতে বাচ্চুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুই হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি অহিদুল গ্রেপ্তার  কক্সবাজার সদর থানায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে আগুন ​”ব্লাড ক্যান্সারে মারা যাওয়া টেকনাফের শিক্ষার্থী রিয়াজের মরদেহ আটকে আছে হাসপাতালে, সাহায্যের আবেদন ইনানী সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে যুবক নিখোঁজ- উদ্ধার অভিযান অব্যাহত শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনধারা গড়ে তোলা প্রয়োজন: সেনাপ্রধান ফের ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি সমস্যা নিরসন করে সবাইকে ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত করে এগিয়ে নিতে হবে: সেনাপ্রধান ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে, প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা এবার বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শাহাদাত হোসাইনের পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে, সরকারি অফিসকে আবাস বানানোর অভিযোগ শাহাদাতের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তাহসান- রোহিঙ্গা তরুণদের পাশে থাকা ও বৈশ্বিক সহায়তার আহ্বান কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান

কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা

কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরন করা আব্দুর রহিমের (৩৯) মরদেহ ঢাকা থেকে কক্সবাজারের পথে রওয়ানা হয়েছে।

মঙ্গলবার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার পর ঢাকা থেকে মরদেহ নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় বলে জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ করিম।

তিনি জানান, বুধবার বাদ জোহর কলাতলী চন্দ্রিমা মাঠে প্রথম জানাজা, পরে বাহারছড়া গোলচত্বর মসজিদ প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাহারছড়া কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

মঙ্গলবার সকাল ৮ টার কিছু পর ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হলো।

নিহত আব্দুর রহিমের ছোটো ভাই নুর আহমদ জানিয়েছেন, গেলো বুধবার কলাতলীর কক্সবাজার এলপিজি স্টেশনে গ্যাস লিকেজের পর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ আব্দুর রহিমসহ ৬ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চমেকে প্রেরণ করা হয়, সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবু তাহের ও আব্দুর রহিম দুজনকে একসাথে গেলো শুক্রবার ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে প্রেরণ করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম মঙ্গলবার সকালে মৃত্যুবরন করেন। আব্দুর রহিম কলাতলী এন.আলমের মালিকানাধীন সেই গ্যাস পাম্প লাগোয়া গ্যারেজের মালিক। আগুনে তার গ্যারেজ, নিজের মালিকানাধীন ৪ টি জিপও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডের সময় নিহত সিএনজি অটো চালক আবু তাহের ও আব্দুর রহিম একসাথে গ্যারেজের ভেতর ছিলেন। তারা একে অপরের বন্ধু, আগুনে আবু তাহেরের শরীরের ৯০ শতাংশ এবং আব্দুর রহিমের শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যায়।

প্রয়াত আব্দুর রহিমের বাড়ী পূর্ব কলাতলীর চন্দ্রিমা মাঠ এলাকায়। মৃত্যুকালে ৩ স্ত্রী, ৭ ছেলে মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মহেশখালীতে বাচ্চুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুই হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি অহিদুল গ্রেপ্তার 

কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরন করা আব্দুর রহিমের (৩৯) মরদেহ ঢাকা থেকে কক্সবাজারের পথে রওয়ানা হয়েছে।

মঙ্গলবার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার পর ঢাকা থেকে মরদেহ নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় বলে জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ করিম।

তিনি জানান, বুধবার বাদ জোহর কলাতলী চন্দ্রিমা মাঠে প্রথম জানাজা, পরে বাহারছড়া গোলচত্বর মসজিদ প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাহারছড়া কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

মঙ্গলবার সকাল ৮ টার কিছু পর ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হলো।

নিহত আব্দুর রহিমের ছোটো ভাই নুর আহমদ জানিয়েছেন, গেলো বুধবার কলাতলীর কক্সবাজার এলপিজি স্টেশনে গ্যাস লিকেজের পর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ আব্দুর রহিমসহ ৬ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চমেকে প্রেরণ করা হয়, সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবু তাহের ও আব্দুর রহিম দুজনকে একসাথে গেলো শুক্রবার ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে প্রেরণ করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম মঙ্গলবার সকালে মৃত্যুবরন করেন। আব্দুর রহিম কলাতলী এন.আলমের মালিকানাধীন সেই গ্যাস পাম্প লাগোয়া গ্যারেজের মালিক। আগুনে তার গ্যারেজ, নিজের মালিকানাধীন ৪ টি জিপও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডের সময় নিহত সিএনজি অটো চালক আবু তাহের ও আব্দুর রহিম একসাথে গ্যারেজের ভেতর ছিলেন। তারা একে অপরের বন্ধু, আগুনে আবু তাহেরের শরীরের ৯০ শতাংশ এবং আব্দুর রহিমের শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যায়।

প্রয়াত আব্দুর রহিমের বাড়ী পূর্ব কলাতলীর চন্দ্রিমা মাঠ এলাকায়। মৃত্যুকালে ৩ স্ত্রী, ৭ ছেলে মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।