ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় ঘরের ভেতর থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার মগনামায় ৯৩১ জেলে পরিবারকে ৭৫ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ মেরিন ড্রাইভে চলন্ত প্রাইভেটকারে আগুন, পুড়ে ছাই কক্সবাজারে সাড়ে ৬ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও দেশে বেড়েছে সামান্য: জ্বালানিমন্ত্রী এবার হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা ইরানের জননেতা নুরুল আবছারে চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ানোর আহবান বাড়লো তেলের দাম: ডিজেল ১১৫, পেট্রোল ১৩৫ ও অকটেন ১৪০ টাকা টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ‘মালয়েশিয়া এয়ারপোর্ট’ কচ্ছপিয়া ও নোয়াখালী পাড়া: চলছে মানবপাচার ও অপহরণ উখিয়ায় গলায় ফাঁস লাগানো সেই কিশোরের মৃত্যু জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় দেশের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আগামীর সময়ের কক্সবাজার প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক ইমরান হোসাইন নিজের অস্ত্রের গু’লিতে পুলিশ সদস্য নি’হ’ত কচ্ছপিয়ায় কৃষি কর্মকর্তা জহিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে কৃষক সমাবেশ

কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা

কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরন করা আব্দুর রহিমের (৩৯) মরদেহ ঢাকা থেকে কক্সবাজারের পথে রওয়ানা হয়েছে।

মঙ্গলবার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার পর ঢাকা থেকে মরদেহ নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় বলে জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ করিম।

তিনি জানান, বুধবার বাদ জোহর কলাতলী চন্দ্রিমা মাঠে প্রথম জানাজা, পরে বাহারছড়া গোলচত্বর মসজিদ প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাহারছড়া কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

মঙ্গলবার সকাল ৮ টার কিছু পর ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হলো।

নিহত আব্দুর রহিমের ছোটো ভাই নুর আহমদ জানিয়েছেন, গেলো বুধবার কলাতলীর কক্সবাজার এলপিজি স্টেশনে গ্যাস লিকেজের পর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ আব্দুর রহিমসহ ৬ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চমেকে প্রেরণ করা হয়, সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবু তাহের ও আব্দুর রহিম দুজনকে একসাথে গেলো শুক্রবার ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে প্রেরণ করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম মঙ্গলবার সকালে মৃত্যুবরন করেন। আব্দুর রহিম কলাতলী এন.আলমের মালিকানাধীন সেই গ্যাস পাম্প লাগোয়া গ্যারেজের মালিক। আগুনে তার গ্যারেজ, নিজের মালিকানাধীন ৪ টি জিপও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডের সময় নিহত সিএনজি অটো চালক আবু তাহের ও আব্দুর রহিম একসাথে গ্যারেজের ভেতর ছিলেন। তারা একে অপরের বন্ধু, আগুনে আবু তাহেরের শরীরের ৯০ শতাংশ এবং আব্দুর রহিমের শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যায়।

প্রয়াত আব্দুর রহিমের বাড়ী পূর্ব কলাতলীর চন্দ্রিমা মাঠ এলাকায়। মৃত্যুকালে ৩ স্ত্রী, ৭ ছেলে মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় ঘরের ভেতর থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরন করা আব্দুর রহিমের (৩৯) মরদেহ ঢাকা থেকে কক্সবাজারের পথে রওয়ানা হয়েছে।

মঙ্গলবার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার পর ঢাকা থেকে মরদেহ নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় বলে জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ করিম।

তিনি জানান, বুধবার বাদ জোহর কলাতলী চন্দ্রিমা মাঠে প্রথম জানাজা, পরে বাহারছড়া গোলচত্বর মসজিদ প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাহারছড়া কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

মঙ্গলবার সকাল ৮ টার কিছু পর ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হলো।

নিহত আব্দুর রহিমের ছোটো ভাই নুর আহমদ জানিয়েছেন, গেলো বুধবার কলাতলীর কক্সবাজার এলপিজি স্টেশনে গ্যাস লিকেজের পর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ আব্দুর রহিমসহ ৬ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চমেকে প্রেরণ করা হয়, সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবু তাহের ও আব্দুর রহিম দুজনকে একসাথে গেলো শুক্রবার ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে প্রেরণ করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম মঙ্গলবার সকালে মৃত্যুবরন করেন। আব্দুর রহিম কলাতলী এন.আলমের মালিকানাধীন সেই গ্যাস পাম্প লাগোয়া গ্যারেজের মালিক। আগুনে তার গ্যারেজ, নিজের মালিকানাধীন ৪ টি জিপও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডের সময় নিহত সিএনজি অটো চালক আবু তাহের ও আব্দুর রহিম একসাথে গ্যারেজের ভেতর ছিলেন। তারা একে অপরের বন্ধু, আগুনে আবু তাহেরের শরীরের ৯০ শতাংশ এবং আব্দুর রহিমের শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যায়।

প্রয়াত আব্দুর রহিমের বাড়ী পূর্ব কলাতলীর চন্দ্রিমা মাঠ এলাকায়। মৃত্যুকালে ৩ স্ত্রী, ৭ ছেলে মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।