ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি ব্যালট যুদ্ধের, তারা নিচ্ছে বুলেট যুদ্ধের: কোটবাজারে ডাকসু জিএস ফরহাদ হুজাইফার শেষ বিদায়ে রেখে গেল প্রশ্ন, কবে নিরাপদ হবে সীমান্ত? কুতুবদিয়ায় আগুনে পুড়েছে ৩ বসতবাড়ি : ৪০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি পারিবারিক কলহের জের : রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত ক্যাম্পের বাইরে রোহিঙ্গাদের বাসা ভাড়া :১৩ বাংলাদেশীকে অর্থদন্ড ও কারাদন্ড ‘ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন, ফলাফল নিয়ে ঘরে যাবেন’: পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ বহিস্কৃত জনপ্রতিনিধিদের পুনর্বহাল করা হবে: চকরিয়ায় আব্দুল্লাহ আল ফারুক পরীমণিকে হত্যার হুমকি! ২৫শ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ : সেন্টমার্টিনে ২ দিনের বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে আবেদন ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে বাইরে বসবাস করা রোহিঙ্গাদের প্রপোজ ডে : প্রিয়জনকে মনের কথা জানাবেন যেভাবে আজ থেকে ভোটের মাঠে মোতায়েন হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনার ভোটকেন্দ্র কোথায়, জানতে পারবেন চার উপায়ে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর

পারিবারিক কলহের জের : রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত

উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী ও তার শাশুড়িও গুরুতর আহত হয়েছেন।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ব্লক-এফ, শেড-১১ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামী বলি আমিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার স্ত্রী খুরশিদাকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে খুরশিদা গুরুতর আহত হন। আশপাশের রোহিঙ্গারা তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পসংলগ্ন আইআরসি আইপিডি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। তবে সেখানে নেওয়ার পর প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক খুরশিদাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিজ্ঞাপন
ঘটনায় আহত হন অভিযুক্ত স্বামী বলি আমিন ও তার শাশুড়ি লায়লা বেগম। তাদেরও আইআরসি আইপিডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত খুরশিদা কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ব্লক-এফ, শেড-১১ এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মৃত মোহাম্মদ সালাম। আহত লায়লা বেগম নিহত খুরশিদার মা।

ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, এটি তার স্বামী বলি আমিনের দ্বিতীয় বিয়ে। তার প্রথম স্ত্রী আগে মারা গেছেন। অভিযুক্ত বলি আমিনের পিতা বশির আহমেদ।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর আহমদ জানান, এ ঘটনায় ক্যাম্প প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি ব্যালট যুদ্ধের, তারা নিচ্ছে বুলেট যুদ্ধের: কোটবাজারে ডাকসু জিএস ফরহাদ

This will close in 6 seconds

পারিবারিক কলহের জের : রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত

আপডেট সময় : ১২:০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী ও তার শাশুড়িও গুরুতর আহত হয়েছেন।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ব্লক-এফ, শেড-১১ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামী বলি আমিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার স্ত্রী খুরশিদাকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে খুরশিদা গুরুতর আহত হন। আশপাশের রোহিঙ্গারা তাকে উদ্ধার করে ক্যাম্পসংলগ্ন আইআরসি আইপিডি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। তবে সেখানে নেওয়ার পর প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক খুরশিদাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিজ্ঞাপন
ঘটনায় আহত হন অভিযুক্ত স্বামী বলি আমিন ও তার শাশুড়ি লায়লা বেগম। তাদেরও আইআরসি আইপিডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত খুরশিদা কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ব্লক-এফ, শেড-১১ এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মৃত মোহাম্মদ সালাম। আহত লায়লা বেগম নিহত খুরশিদার মা।

ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, এটি তার স্বামী বলি আমিনের দ্বিতীয় বিয়ে। তার প্রথম স্ত্রী আগে মারা গেছেন। অভিযুক্ত বলি আমিনের পিতা বশির আহমেদ।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর আহমদ জানান, এ ঘটনায় ক্যাম্প প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।