ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে হুইল চেয়ার,ট্রলি সরবরাহ এবং দালালের দৌরাত্ম বন্ধের নির্দেশ রমজান মাসের অমূল্য রত্ন রোজাদারের দোয়া মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে? ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে ঘরে ফিরলেন অভিনেতা ‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’ হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ: জিনিয়া শারমিন রিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ রামুতে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন, দাম্পত্যকলহ নাকি পরকীয়া?  নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ ‘সুপ্রভাত কক্সবাজার’-এর ইফতার ও শুভেচ্ছা আড্ডা অনুষ্ঠিত পোকখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় ফরিদুল আলম ফরিদ উখিয়ায় অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কলাতলী গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন খেজুর কেন ইফতারে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?

কক্সবাজারে খালেদা জিয়ার শেষ সফর ছিলো ২০১৭ সালে

  • নোমান অরুপ
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 414

​বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সফর করেছিলেন। রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নয়, বরং মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়াতেই তিনি এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছিলেন।

২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন বেগম খালেদা জিয়া। পথে ফেনীর মহিপালে তাঁর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটলেও তিনি দমে যাননি। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একরাত কাটিয়ে ২৯ অক্টোবর দুপুরে তিনি কক্সবাজারের পথে রওনা হন।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আসার পথে পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, লোহাগাড়া, চকরিয়া ও রামুসহ প্রতিটি পয়েন্টে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে একনজর দেখতে ভিড় জমান। দীর্ঘ ৫ বছর পর (এর আগে ২০১২ সালে রামু ট্র্যাজেডির সময় এসেছিলেন) প্রিয় নেত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ২৯ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউসে পৌঁছান।

​রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন:
৩০ অক্টোবর সকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী, ময়নারঘোনা ও হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি সরাসরি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন এবং শিশুদের আদর করেন। বিএনপির পক্ষ থেকে ৪৫ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী সেনাবাহিনীর ত্রাণ তহবিলে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া তিনি বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের একটি মেডিকেল ক্যাম্পও উদ্বোধন করেন।
​সফর শেষে ৩১ অক্টোবর তিনি সড়কপথেই পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন। এরপর নানা রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আর সমুদ্র সৈকতের এই জনপদে ফিরতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সেই সফরের স্মৃতিগুলো নতুন করে দাগ কাটছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে খালেদা জিয়ার শেষ সফর ছিলো ২০১৭ সালে

আপডেট সময় : ০৬:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

​বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সফর করেছিলেন। রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নয়, বরং মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়াতেই তিনি এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছিলেন।

২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন বেগম খালেদা জিয়া। পথে ফেনীর মহিপালে তাঁর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটলেও তিনি দমে যাননি। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একরাত কাটিয়ে ২৯ অক্টোবর দুপুরে তিনি কক্সবাজারের পথে রওনা হন।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আসার পথে পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, লোহাগাড়া, চকরিয়া ও রামুসহ প্রতিটি পয়েন্টে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে একনজর দেখতে ভিড় জমান। দীর্ঘ ৫ বছর পর (এর আগে ২০১২ সালে রামু ট্র্যাজেডির সময় এসেছিলেন) প্রিয় নেত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ২৯ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউসে পৌঁছান।

​রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন:
৩০ অক্টোবর সকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী, ময়নারঘোনা ও হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি সরাসরি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন এবং শিশুদের আদর করেন। বিএনপির পক্ষ থেকে ৪৫ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী সেনাবাহিনীর ত্রাণ তহবিলে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া তিনি বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের একটি মেডিকেল ক্যাম্পও উদ্বোধন করেন।
​সফর শেষে ৩১ অক্টোবর তিনি সড়কপথেই পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন। এরপর নানা রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আর সমুদ্র সৈকতের এই জনপদে ফিরতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সেই সফরের স্মৃতিগুলো নতুন করে দাগ কাটছে।