ঢাকা ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা টাকা ও অলংকার নিয়ে উধাও আয়েশা! সন্ধান চায় ভুক্তভোগী পরিবার লোহাগাড়ায় পানির মোটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু গোলকিপার সাঈদীর ওপর হামলা: হোয়ানকের চেয়ারম্যান ও তার পুত্রের নামে এজাহার দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১৫ টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের সময় ১৫ জন উদ্ধার ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পূর্ব শাখা বিএনপির ১৮১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন ঈদগাঁওয়ে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে হেলপার নিহত নাফ নদীতে আরাকান আর্মির গুলিতে জেলে আহত উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ কক্সবাজারে গৃহকর্ত্রীকে চেতনাশক খাইয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল চুরি : মালামালসহ গৃহকর্মী গ্রেপ্তার পেকুয়ার যানজট নিরসন, ডাস্টবিন স্থাপন ও খেলার মাঠ উন্মুক্তকরণে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপ কামনা এবার এড. মোসলেমের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালে জিনিয়ার মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচীর উদ্বোধনকালে এমপি কাজল-সৈকতকে আগের রূপে ফিরিয়ে আনতে হবে মহেশখালীতে চোর সন্দেহে এক যুবককে খুঁটির সাথে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা

কক্সবাজারে খালেদা জিয়ার শেষ সফর ছিলো ২০১৭ সালে

  • নোমান অরুপ
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 506

​বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সফর করেছিলেন। রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নয়, বরং মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়াতেই তিনি এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছিলেন।

২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন বেগম খালেদা জিয়া। পথে ফেনীর মহিপালে তাঁর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটলেও তিনি দমে যাননি। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একরাত কাটিয়ে ২৯ অক্টোবর দুপুরে তিনি কক্সবাজারের পথে রওনা হন।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আসার পথে পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, লোহাগাড়া, চকরিয়া ও রামুসহ প্রতিটি পয়েন্টে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে একনজর দেখতে ভিড় জমান। দীর্ঘ ৫ বছর পর (এর আগে ২০১২ সালে রামু ট্র্যাজেডির সময় এসেছিলেন) প্রিয় নেত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ২৯ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউসে পৌঁছান।

​রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন:
৩০ অক্টোবর সকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী, ময়নারঘোনা ও হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি সরাসরি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন এবং শিশুদের আদর করেন। বিএনপির পক্ষ থেকে ৪৫ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী সেনাবাহিনীর ত্রাণ তহবিলে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া তিনি বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের একটি মেডিকেল ক্যাম্পও উদ্বোধন করেন।
​সফর শেষে ৩১ অক্টোবর তিনি সড়কপথেই পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন। এরপর নানা রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আর সমুদ্র সৈকতের এই জনপদে ফিরতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সেই সফরের স্মৃতিগুলো নতুন করে দাগ কাটছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

কক্সবাজারে খালেদা জিয়ার শেষ সফর ছিলো ২০১৭ সালে

আপডেট সময় : ০৬:০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

​বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সফর করেছিলেন। রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি নয়, বরং মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে দাঁড়াতেই তিনি এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছিলেন।

২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন বেগম খালেদা জিয়া। পথে ফেনীর মহিপালে তাঁর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটলেও তিনি দমে যাননি। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একরাত কাটিয়ে ২৯ অক্টোবর দুপুরে তিনি কক্সবাজারের পথে রওনা হন।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আসার পথে পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, লোহাগাড়া, চকরিয়া ও রামুসহ প্রতিটি পয়েন্টে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে একনজর দেখতে ভিড় জমান। দীর্ঘ ৫ বছর পর (এর আগে ২০১২ সালে রামু ট্র্যাজেডির সময় এসেছিলেন) প্রিয় নেত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ২৯ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউসে পৌঁছান।

​রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন:
৩০ অক্টোবর সকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী, ময়নারঘোনা ও হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি সরাসরি নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন এবং শিশুদের আদর করেন। বিএনপির পক্ষ থেকে ৪৫ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী সেনাবাহিনীর ত্রাণ তহবিলে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া তিনি বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের একটি মেডিকেল ক্যাম্পও উদ্বোধন করেন।
​সফর শেষে ৩১ অক্টোবর তিনি সড়কপথেই পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করেন। এরপর নানা রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি আর সমুদ্র সৈকতের এই জনপদে ফিরতে পারেননি। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সেই সফরের স্মৃতিগুলো নতুন করে দাগ কাটছে।