ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে উদ্ধার ২০ ১৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা টাকা ও অলংকার নিয়ে উধাও আয়েশা! সন্ধান চায় ভুক্তভোগী পরিবার লোহাগাড়ায় পানির মোটর চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু গোলকিপার সাঈদীর ওপর হামলা: হোয়ানকের চেয়ারম্যান ও তার পুত্রের নামে এজাহার দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১৫ টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের সময় ১৫ জন উদ্ধার ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পূর্ব শাখা বিএনপির ১৮১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন ঈদগাঁওয়ে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে হেলপার নিহত নাফ নদীতে আরাকান আর্মির গুলিতে জেলে আহত উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ কক্সবাজারে গৃহকর্ত্রীকে চেতনাশক খাইয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল চুরি : মালামালসহ গৃহকর্মী গ্রেপ্তার পেকুয়ার যানজট নিরসন, ডাস্টবিন স্থাপন ও খেলার মাঠ উন্মুক্তকরণে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপ কামনা এবার এড. মোসলেমের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম সাইবার ট্রাইব্যুনালে জিনিয়ার মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচীর উদ্বোধনকালে এমপি কাজল-সৈকতকে আগের রূপে ফিরিয়ে আনতে হবে

টেকনাফে ১ লাখ ইয়াবাসহ পাচারকারিকে আটক করলো বিজিবি

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বাংলাদেশে মাদক পাচারের একটি বড় প্রচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদককারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১০ এর আনুমানিক ৩০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিকে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভোর ৩টার দিকে মায়ানমার দিক থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হলে বিজিবির নৌ টহল দল দ্রুত অভিযান শুরু করে। সীমান্ত অতিক্রমের সময় জাদিমুড়া এলাকার বিপরীতে নদীর জলসীমায় পাচারকারীদের ঘিরে ফেলে বিজিবি।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে একজন মাদককারবারীকে এক লক্ষ ১ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। তবে রাতের অন্ধকারের সুযোগে তার সহযোগীরা নদী সাঁতরে মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন মোঃ সালাম (৩৫), পিতা- ওলা মিয়া। তিনি ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-সি/১ এর বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, এ ঘটনায় পলাতক অপর দুই মাদককারবারীর হলো হ্নীলা ইউনিয়নের নেচারপার্ক এলাকার সালাম (৪০), ২৭ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দার আয়াজ (৩০)।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বলেন, সীমান্ত এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল প্রকার আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আটক আসামী ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে উদ্ধার ২০

টেকনাফে ১ লাখ ইয়াবাসহ পাচারকারিকে আটক করলো বিজিবি

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বাংলাদেশে মাদক পাচারের একটি বড় প্রচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদককারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১০ এর আনুমানিক ৩০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিকে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভোর ৩টার দিকে মায়ানমার দিক থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হলে বিজিবির নৌ টহল দল দ্রুত অভিযান শুরু করে। সীমান্ত অতিক্রমের সময় জাদিমুড়া এলাকার বিপরীতে নদীর জলসীমায় পাচারকারীদের ঘিরে ফেলে বিজিবি।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে একজন মাদককারবারীকে এক লক্ষ ১ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। তবে রাতের অন্ধকারের সুযোগে তার সহযোগীরা নদী সাঁতরে মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন মোঃ সালাম (৩৫), পিতা- ওলা মিয়া। তিনি ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-সি/১ এর বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, এ ঘটনায় পলাতক অপর দুই মাদককারবারীর হলো হ্নীলা ইউনিয়নের নেচারপার্ক এলাকার সালাম (৪০), ২৭ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দার আয়াজ (৩০)।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বলেন, সীমান্ত এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল প্রকার আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আটক আসামী ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।