ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে নিহতের সংখ্যা ১০০০ ছাড়াল : পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে হুইল চেয়ার,ট্রলি সরবরাহ এবং দালালের দৌরাত্ম বন্ধের নির্দেশ রমজান মাসের অমূল্য রত্ন রোজাদারের দোয়া মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে? ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে ঘরে ফিরলেন অভিনেতা ‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’ হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ: জিনিয়া শারমিন রিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ রামুতে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন, দাম্পত্যকলহ নাকি পরকীয়া?  নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ ‘সুপ্রভাত কক্সবাজার’-এর ইফতার ও শুভেচ্ছা আড্ডা অনুষ্ঠিত পোকখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় ফরিদুল আলম ফরিদ উখিয়ায় অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কলাতলী গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন

টেকনাফে ১ লাখ ইয়াবাসহ পাচারকারিকে আটক করলো বিজিবি

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বাংলাদেশে মাদক পাচারের একটি বড় প্রচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদককারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১০ এর আনুমানিক ৩০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিকে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভোর ৩টার দিকে মায়ানমার দিক থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হলে বিজিবির নৌ টহল দল দ্রুত অভিযান শুরু করে। সীমান্ত অতিক্রমের সময় জাদিমুড়া এলাকার বিপরীতে নদীর জলসীমায় পাচারকারীদের ঘিরে ফেলে বিজিবি।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে একজন মাদককারবারীকে এক লক্ষ ১ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। তবে রাতের অন্ধকারের সুযোগে তার সহযোগীরা নদী সাঁতরে মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন মোঃ সালাম (৩৫), পিতা- ওলা মিয়া। তিনি ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-সি/১ এর বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, এ ঘটনায় পলাতক অপর দুই মাদককারবারীর হলো হ্নীলা ইউনিয়নের নেচারপার্ক এলাকার সালাম (৪০), ২৭ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দার আয়াজ (৩০)।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বলেন, সীমান্ত এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল প্রকার আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আটক আসামী ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে ১ লাখ ইয়াবাসহ পাচারকারিকে আটক করলো বিজিবি

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বাংলাদেশে মাদক পাচারের একটি বড় প্রচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদককারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১০ এর আনুমানিক ৩০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিকে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভোর ৩টার দিকে মায়ানমার দিক থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হলে বিজিবির নৌ টহল দল দ্রুত অভিযান শুরু করে। সীমান্ত অতিক্রমের সময় জাদিমুড়া এলাকার বিপরীতে নদীর জলসীমায় পাচারকারীদের ঘিরে ফেলে বিজিবি।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে একজন মাদককারবারীকে এক লক্ষ ১ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। তবে রাতের অন্ধকারের সুযোগে তার সহযোগীরা নদী সাঁতরে মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন মোঃ সালাম (৩৫), পিতা- ওলা মিয়া। তিনি ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-সি/১ এর বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, এ ঘটনায় পলাতক অপর দুই মাদককারবারীর হলো হ্নীলা ইউনিয়নের নেচারপার্ক এলাকার সালাম (৪০), ২৭ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দার আয়াজ (৩০)।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বলেন, সীমান্ত এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল প্রকার আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আটক আসামী ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।