ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে থাকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ: প্রতি ইউনিট ৪২ টাকা, আরও বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ গর্জনিয়া থেকে বিদেশী পিস্তল-গুলিসহ যুবক আটক ঈদগাঁও ঈদগড় সড়কে গণ ডাকাতি’র নেতৃত্বে ছালেক,গড়ে তুলেছে হক বাহিনী!   টেকনাফে বসতঘর থেকে উদ্ধার কিং কোবরা, জাহাজপুরায় বনে অবমুক্ত জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে দোকান কর্মচারীকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ হিমছড়িতে গোসলে নেমে সানি, আকাশ ও হারুনের মৃত্যু রামুর বাঁকখালী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব ধর্মের,বর্ণের মানুষের উন্নয়ন করা হবে- কক্সবাজার সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে মীর হেলাল হিমছড়িতে সৈকতে গোসলে নেমে ২ পর্যটক নিখোঁজ: ৩ জনের মৃত্যু টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন সমুদ্রে জনসমুদ্র বিসর্জনে যা অর্জন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্গাপূজা: বিবর্ণ জীবনে রঙিন উৎসব দুর্গাপূজা ও টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, তিন স্তরের নিরাপত্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের ‎বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো সশস্ত্র বাহিনী দিবস

আজ (২১ নভেম্বর ) মহান সশস্ত্র বাহিনী দিবস। ১৯৭১ সলের এই দিনে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করতে সম্মিলিত আক্রমণ সূচিত হয়। ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ- বাংলাদেশ।প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদার সাথে মনোমুগ্ধকর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয় ২১ নভেম্বর তথা সশস্ত্র বাহিনী দিবস।

অনুষ্ঠানে আগত মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল অতিথিদেরকে অভ্যর্থনা জানান জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ১০ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কক্সবাজার এরিয়া মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।

প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে স্বাগত ভাষণে মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষের অসীম সাহসিকতা, সহযোগিতা এবং বীরত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কক্সবাজার অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং আগত সকল মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

এছাড়াও, প্রধান অতিথি বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলা, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন দেশ গঠনমূলক কর্মকান্ডে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। সেই সাথে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, সশস্ত্র বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্টমার্টিনে থাকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ: প্রতি ইউনিট ৪২ টাকা, আরও বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ

রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো সশস্ত্র বাহিনী দিবস

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

আজ (২১ নভেম্বর ) মহান সশস্ত্র বাহিনী দিবস। ১৯৭১ সলের এই দিনে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করতে সম্মিলিত আক্রমণ সূচিত হয়। ফলশ্রুতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ- বাংলাদেশ।প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রামু সেনানিবাসে যথাযথ মর্যাদার সাথে মনোমুগ্ধকর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয় ২১ নভেম্বর তথা সশস্ত্র বাহিনী দিবস।

অনুষ্ঠানে আগত মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল অতিথিদেরকে অভ্যর্থনা জানান জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ১০ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কক্সবাজার এরিয়া মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।

প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে স্বাগত ভাষণে মুক্তিযুদ্ধে কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষের অসীম সাহসিকতা, সহযোগিতা এবং বীরত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কক্সবাজার অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান এবং আগত সকল মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

এছাড়াও, প্রধান অতিথি বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে জাতীয় পর্যায়ে যে কোন দুর্যোগ মোকাবিলা, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন দেশ গঠনমূলক কর্মকান্ডে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান তুলে ধরেন। সেই সাথে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, সশস্ত্র বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।