ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে একসঙ্গে ধরা পড়ল ১০১ মণ ইলিশ, বিক্রি ৩৩ লাখে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাতের ডাক দেওয়ার ঘোষণা: গণতন্ত্রের সঙ্গে কতটা সাংঘর্ষিক? বাংলা নববর্ষ উদযাপনে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় তনু হত্যা: ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ বাংলাদেশ সীমান্তের নদীতে কুমির ও সাপ ছাড়তে চায় ভারত কক্সবাজারে ক্রাইম ও অপারেশন দায়িত্বে নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: অহিদুর রহমান (পিপিএম) সচল হলো টেকনাফ স্থলবন্দর,সীমান্ত বাণিজ্য হবে মিয়ানমার সরকারের সাথে-নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহার পর ইউপি-পৌর ভোট সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে, তফসিল ৮ এপ্রিল ভূমধ্যসাগরে নৌযান ডুবে ৭০ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ, উদ্ধার বাংলাদেশিসহ ৩২ জামিন পেলেন বাউলশিল্পী আবুল সরকার ট্রাম্পের হুমকির পর ফের বাড়ল তেলের দাম দাম বাড়ছেই, হরমুজ দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে আসবে বড় বিপদ যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জন্য হরমুজ প্রণালি আর ‘আগের অবস্থায়’ ফিরবে না: ইরান সংবিধান সংস্কার নয়, সংশোধন হবে : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেড় লাখ ইয়াবার মালিক শীর্ষ মাদক কারবারি আব্দুর রহিমকে খুঁজছে বিজিবি

কক্সবাজারের উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবসহ মাদক কারবারীকে আটক করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)।

উদ্ধার করা ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবার আনুমানিক চার কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, গত ১৩ নভেম্বর রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বালুখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিপি-২৯ এর কাছে নারিকেল বাগান এলাকায় অবস্থান নেয়।

রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে মিয়ানমার দিক থেকে তিনজনকে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকতে দেখে টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এসময় দুইজন পালিয়ে গেলেও একজনকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম মো. সাদেক হোসেন (২০), পিতা— মো. আলম, ঠিকানা— ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প

পালিয়ে যাওয়া দুইজনের একজন স্থানীয় মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য আব্দুর রহিম (৩২) বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবির তালিকায় মোস্ট ওয়ান্টেড রহিম আগে থেকেই দুটি মাদক মামলায় পলাতক।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদেক জানায়, ৯ হাজার টাকা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আব্দুর রহিমের নির্দেশে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা বহনের কাজ করছিল।

এক বিজ্ঞপ্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিএসসি বলেন, “মাদক সরবরাহকারী এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবা এবং গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উখিয়া থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারা নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখা, মাদক ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড দমনে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে।

তাদের নিয়মিত অভিযানে টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে জনগণের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে একসঙ্গে ধরা পড়ল ১০১ মণ ইলিশ, বিক্রি ৩৩ লাখে

দেড় লাখ ইয়াবার মালিক শীর্ষ মাদক কারবারি আব্দুর রহিমকে খুঁজছে বিজিবি

আপডেট সময় : ০১:১৬:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবসহ মাদক কারবারীকে আটক করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)।

উদ্ধার করা ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবার আনুমানিক চার কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, গত ১৩ নভেম্বর রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বালুখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিপি-২৯ এর কাছে নারিকেল বাগান এলাকায় অবস্থান নেয়।

রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে মিয়ানমার দিক থেকে তিনজনকে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকতে দেখে টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এসময় দুইজন পালিয়ে গেলেও একজনকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম মো. সাদেক হোসেন (২০), পিতা— মো. আলম, ঠিকানা— ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প

পালিয়ে যাওয়া দুইজনের একজন স্থানীয় মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য আব্দুর রহিম (৩২) বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবির তালিকায় মোস্ট ওয়ান্টেড রহিম আগে থেকেই দুটি মাদক মামলায় পলাতক।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদেক জানায়, ৯ হাজার টাকা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আব্দুর রহিমের নির্দেশে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা বহনের কাজ করছিল।

এক বিজ্ঞপ্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিএসসি বলেন, “মাদক সরবরাহকারী এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবা এবং গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উখিয়া থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারা নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখা, মাদক ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড দমনে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে।

তাদের নিয়মিত অভিযানে টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে জনগণের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।