ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পোর্টস ও ইভি গাড়ি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী মাতামুহুরী উপজেলার প্রথম ইউএনও শাহীন দেলোয়ার সীমান্তে বিজিবির বাধার মুখে বিএসএফ, পিছু হটতে বাধ্য হলো ভারতীয় বাহিনী ফোর্টিফাই রাইটসের বিবৃতি – আরসা প্রধান আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দাবি কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হা’ম’লা চকরিয়ায় বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত কুকুরের নৈপুণ্যে টায়ারের ভেতর মিলল ইয়াবা চকরিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধ বাবার প্যাসিফিক বীচ রিসোর্টে আগুনে পুড়ে ছাই ৩ কটেজ, ক্ষতি ৭০ লাখ টাকা খেলাঘরের মানববন্ধন :শিশুর ধর্ষক ও হত্যাকারীদের দ্রুত এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া নতুন আলোচনায় কারা?  / উখিয়ায় ৬ বছর ধরে ‘মেয়াদউর্ত্তীণ’ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি  চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা, জড়িতদের শাস্তি দাবি অভিযুক্ত ডিবি কার্যালয়ে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে র‍্যাব

রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ারের জীবনাবসান

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 338

অনন্তলোকে পাড়ি জমালেন একুশে পদকজয়ী রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার

দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে অনন্তলোকে পাড়ি জমালেন একুশে পদকজয়ী রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার।

ঢাকার ইমপালস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে পাপিয়ার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তার স্বামী সারোয়ার এ আলম।তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “পাপিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার দিকে চিকিৎসক তার লাইফ সাপোর্ট খুলে মৃত ঘোষণা করেছেন।”

জানাজা-দাফন কোথায় হবে, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ধানমন্ডি ঈদগাহ মাঠে জানাজা করে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে।”

৭১ বছর বয়সী পাপিয়া সারোয়ার ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে তিন বছর ধরে ভুগছিলেন। ২০২১ সালে একুশে পদকপ্রাপ্ত এ শিল্পী দেশ-বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সম্প্রতি অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেওয়া হয়।

চিকিৎসকের বরাতে সারোয়ার এ আলম বুধবার রাত ৮টায় গণমাধ্যমে বলেছিলেন, “পাপিয়া এখন লাইফ সাপোর্টে আছে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আমরা আত্মীয়-স্বজন সবাই আছি হাসপাতালে।

“আমার মেয়ে বিদেশ থেকে এসেছে। এখন আমরা অপেক্ষায় আছি।”

দর্শক-শ্রোতার কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গানের শিল্পী পাপিয়া সারোয়ারের খ্যাতি রবীন্দ্রসংগীতে। আধুনিক গানেও তিনি পরিচিত।

২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার পান। ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ লাভ করেন। চলতি বছর চ্যানেল আইয়ের আয়োজনে রবীন্দ্রমেলায় পাপিয়া সারোয়ারকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।

বরিশালের মেয়ে পাপিয়া প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে পড়াশোনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে ১৯৭৩ সালে তিনি রবীন্দ্রসংগীতে ডিগ্রি নিতে যান বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে।

তার আগে তিনি ১৯৬৬ সালে ছায়ানটে ওয়াহিদুল হক, সনজীদা খাতুন এবং জাহেদুর রহিমের কাছে এবং পরবর্তীতে বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে সংগীত দীক্ষা নেন।

তার দুই মেয়ের মধ্যে জারা সারোয়ার থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে। আর ছোট মেয়ে জিশা সারোয়ার থাকেন কানাডায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ারের জীবনাবসান

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে অনন্তলোকে পাড়ি জমালেন একুশে পদকজয়ী রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার।

ঢাকার ইমপালস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে পাপিয়ার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন তার স্বামী সারোয়ার এ আলম।তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “পাপিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার দিকে চিকিৎসক তার লাইফ সাপোর্ট খুলে মৃত ঘোষণা করেছেন।”

জানাজা-দাফন কোথায় হবে, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ধানমন্ডি ঈদগাহ মাঠে জানাজা করে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে।”

৭১ বছর বয়সী পাপিয়া সারোয়ার ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে তিন বছর ধরে ভুগছিলেন। ২০২১ সালে একুশে পদকপ্রাপ্ত এ শিল্পী দেশ-বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সম্প্রতি অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেওয়া হয়।

চিকিৎসকের বরাতে সারোয়ার এ আলম বুধবার রাত ৮টায় গণমাধ্যমে বলেছিলেন, “পাপিয়া এখন লাইফ সাপোর্টে আছে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আমরা আত্মীয়-স্বজন সবাই আছি হাসপাতালে।

“আমার মেয়ে বিদেশ থেকে এসেছে। এখন আমরা অপেক্ষায় আছি।”

দর্শক-শ্রোতার কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গানের শিল্পী পাপিয়া সারোয়ারের খ্যাতি রবীন্দ্রসংগীতে। আধুনিক গানেও তিনি পরিচিত।

২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার পান। ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ লাভ করেন। চলতি বছর চ্যানেল আইয়ের আয়োজনে রবীন্দ্রমেলায় পাপিয়া সারোয়ারকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়।

বরিশালের মেয়ে পাপিয়া প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে পড়াশোনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে ১৯৭৩ সালে তিনি রবীন্দ্রসংগীতে ডিগ্রি নিতে যান বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে।

তার আগে তিনি ১৯৬৬ সালে ছায়ানটে ওয়াহিদুল হক, সনজীদা খাতুন এবং জাহেদুর রহিমের কাছে এবং পরবর্তীতে বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে সংগীত দীক্ষা নেন।

তার দুই মেয়ের মধ্যে জারা সারোয়ার থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে। আর ছোট মেয়ে জিশা সারোয়ার থাকেন কানাডায়।