ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুতে বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন শিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলকে লেলিয়ে দিয়েছে সরকার : গোলাম পরওয়ার মিনি ট্রাক খাদে পড়ে শ্রমিক নিহত, আহত ৩ জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর বসছে শনিবার- লালদীঘিতে জমবে বৈশাখী মেলা সহকারী বন সংরক্ষক শাহীনুর ইসলামের বিবৃতি রামুতে সড়ক সংস্কারে ঠিকাদার-এলজিইডি কর্তার অনিয়ম, কাজ শেষ হওয়ার আগেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গলায় ফাঁস দিয়ে নারীর আত্মহত্যা কুতুবদিয়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন  মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বনভূমিতে নতুন করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান উচ্ছেদ উখিয়ায় পরিবেশ ও বন অপরাধ দমনে প্রশাসনের অভিযান: ৩ লাখ টাকা জরিমানা, ড্রেজার জব্দ টেকনাফের জেলেপল্লীতে অগ্নিদুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন শাহজাহান চৌধুরী হ্নীলায় সহায়তা প্রদানকালে জেলা জামায়াত আমীর আনোয়ারী -অবিলম্বে নাফ নদী খুলে দিন ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা মেরিন ড্রাইভে ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেল পর্যটকের টেকনাফে পিস্তলসহ সিএনজি চালক আটক
হয়না কোনো উচ্ছ্বাস

রেজাল্ট দেখতে স্কুলে আসেনা শিক্ষার্থীরা!

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মতো শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা গুলোর ফলাফল দেখতে আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসতো শিক্ষার্থীরা। গেলো দুই-তিন বছর আগেও শিক্ষার্থীদের আনাগোনা দেখা যেতো। উচ্ছ্বাসের বর্ণিল আবহ দেখা যেতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘিরে।

দেখা যেতো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পরম ভালোবাসার সব চিত্র। ফল প্রত্যাশীদের সাথে দেখা যেতো বর্তমান শিক্ষার্থীদের, আসতো প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও।

কিন্তু এখন ফল প্রকাশের দিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ গুলোতে দেখা মেলেনা কোনো শিক্ষার্থীকেও। ফাঁকা বিদীর্ণ চিত্র যেনো প্রতিষ্ঠান গুলোতে এমন খুশির দিনেও।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশ করা হয় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। আমাদের প্রতিবেদকরা জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করে এমন বাস্তবতা জানান।

দুপুর ১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের অন্তত ৪টি স্কুলে গিয়েছেন টিটিএনের নিজস্ব প্রতিবেদক আফজারা রিয়া। দুই-একজন অভিভাবককে দেখতে পেলেও তিনি কোনো শিক্ষার্থীকে দেখতে পাননি।

জ্যেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক রহিম উদ্দিন জানান, ৩ বছর আগেও স্কুল প্রাঙ্গনে এসে ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসের ছবি তুলেছেন তিনি। কিন্তু দুই-এক বছর ধরে তা আর দেখা যায়না।

কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামমোহন সেন জানান, শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই সব পেয়ে যায়, তাই আর আসতে চায়না না।

রামমোহন বলেন, “আজ শুধু একজন গার্ডিয়ান এসেছিলেন। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা স্কুলের চেয়ে আগে পূর্ণাঙ্গ রেজাল্ট পেয়ে যায় অনলাইনে।”

“দুই-এক বছর আগেও ১০-২০ জন অন্তত আসতো৷ এখন আর সেই উচ্ছ্বাস নেই স্কুল ঘিরে”- বলেন রামমোহন সেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামুতে বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

হয়না কোনো উচ্ছ্বাস

রেজাল্ট দেখতে স্কুলে আসেনা শিক্ষার্থীরা!

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মতো শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা গুলোর ফলাফল দেখতে আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসতো শিক্ষার্থীরা। গেলো দুই-তিন বছর আগেও শিক্ষার্থীদের আনাগোনা দেখা যেতো। উচ্ছ্বাসের বর্ণিল আবহ দেখা যেতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘিরে।

দেখা যেতো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পরম ভালোবাসার সব চিত্র। ফল প্রত্যাশীদের সাথে দেখা যেতো বর্তমান শিক্ষার্থীদের, আসতো প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও।

কিন্তু এখন ফল প্রকাশের দিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ গুলোতে দেখা মেলেনা কোনো শিক্ষার্থীকেও। ফাঁকা বিদীর্ণ চিত্র যেনো প্রতিষ্ঠান গুলোতে এমন খুশির দিনেও।

বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশ করা হয় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। আমাদের প্রতিবেদকরা জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করে এমন বাস্তবতা জানান।

দুপুর ১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের অন্তত ৪টি স্কুলে গিয়েছেন টিটিএনের নিজস্ব প্রতিবেদক আফজারা রিয়া। দুই-একজন অভিভাবককে দেখতে পেলেও তিনি কোনো শিক্ষার্থীকে দেখতে পাননি।

জ্যেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক রহিম উদ্দিন জানান, ৩ বছর আগেও স্কুল প্রাঙ্গনে এসে ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসের ছবি তুলেছেন তিনি। কিন্তু দুই-এক বছর ধরে তা আর দেখা যায়না।

কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামমোহন সেন জানান, শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই সব পেয়ে যায়, তাই আর আসতে চায়না না।

রামমোহন বলেন, “আজ শুধু একজন গার্ডিয়ান এসেছিলেন। তাছাড়া শিক্ষার্থীরা স্কুলের চেয়ে আগে পূর্ণাঙ্গ রেজাল্ট পেয়ে যায় অনলাইনে।”

“দুই-এক বছর আগেও ১০-২০ জন অন্তত আসতো৷ এখন আর সেই উচ্ছ্বাস নেই স্কুল ঘিরে”- বলেন রামমোহন সেন।