ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরীমণিকে হত্যার হুমকি! ২৫শ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ : সেন্টমার্টিনে ২ দিনের বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে সিইসির কাছে আবেদন ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়েছে বাইরে বসবাস করা রোহিঙ্গাদের প্রপোজ ডে : প্রিয়জনকে মনের কথা জানাবেন যেভাবে আজ থেকে ভোটের মাঠে মোতায়েন হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনার ভোটকেন্দ্র কোথায়, জানতে পারবেন চার উপায়ে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর উখিয়ায় ক্যাম্পের বাইরে অবৈধভাবে বসবাসকারী ৬শ রোহিঙ্গা আটক সৈকতে খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রামের উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী একটা ভোটের জন্য জামায়াত যা খুশি তাই বলছে- মহেশখালীতে সালাহউদ্দিন আহমদ আগামীর কক্সবাজারের জন্য উন্নয়ন ও সুশাসনের লক্ষ্যে নাগরিক সংলাপ পরবর্তী ১৩ দফা সুপারিশ ভোটাধিকার রক্ষায় আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে— মহেশখালীতে হামিদুর রহমান আযাদ নাইক্ষ্যংছড়িতে গণমিছিল / আমরা ভাতা নয়, কাজ দিব – সুজা সেনাবাহিনীর অভিযান; খুরুশকুলের মামুন ও কায়ছার দেশীয় অস্ত্রসহ আটক

২৫শ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ : সেন্টমার্টিনে ২ দিনের বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও অভিযোজন প্রকল্পের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। এসময় ২শ বস্তায় ২৫শ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।

৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিনের ভার্চুয়াল বক্তব্য এবং প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসানের পরিবেশ রক্ষার শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযানটির উদ্বোধন করা হয়।

এ কর্মসূচিতে দ্বীপের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যুবক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, সরকার প্রতি বছর পর্যটন মৌসুম শেষে পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রাম পরিচালনা করে আসছে। তিনি জানান, এ কার্যক্রম প্রতিবছর চালু রাখার মাধ্যমে মানুষকে প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা এবং পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, দ্বীপবাসী ও পর্যটকদের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিবেশ সচেতনতা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শপথ পাঠের আগে বক্তব্যে প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপকে প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষা করতে দেশের সচেতন সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একটি অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক আব্দুল লতিফ জনি। এছাড়া ইউডিপি-ব্র্যাক সেন্টমার্টিন প্রকল্পের প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর মংওয়ান লাইন, মোবিলাইজার মার্টিন কুমার বিশ্বাস, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মুহাম্মদ রফিক, ডিপিএইচ সেন্টমার্টিন প্রকল্পের সুপারভাইজার জয়নুল আবেদিন এবং প্রান-আরএফএল-এর অস্থায়ী ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর ওসমান গনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

২৫শ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ : সেন্টমার্টিনে ২ দিনের বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৫:৩০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও অভিযোজন প্রকল্পের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী বিচ ক্লিনিং কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। এসময় ২শ বস্তায় ২৫শ কেজি বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।

৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিনের ভার্চুয়াল বক্তব্য এবং প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসানের পরিবেশ রক্ষার শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযানটির উদ্বোধন করা হয়।

এ কর্মসূচিতে দ্বীপের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যুবক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, সরকার প্রতি বছর পর্যটন মৌসুম শেষে পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় বিচ ক্লিনিং প্রোগ্রাম পরিচালনা করে আসছে। তিনি জানান, এ কার্যক্রম প্রতিবছর চালু রাখার মাধ্যমে মানুষকে প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা এবং পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, দ্বীপবাসী ও পর্যটকদের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিবেশ সচেতনতা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শপথ পাঠের আগে বক্তব্যে প্রকল্প পরিচালক কামরুল হাসান বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপকে প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষা করতে দেশের সচেতন সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একটি অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক আব্দুল লতিফ জনি। এছাড়া ইউডিপি-ব্র্যাক সেন্টমার্টিন প্রকল্পের প্রকল্প কো-অর্ডিনেটর মংওয়ান লাইন, মোবিলাইজার মার্টিন কুমার বিশ্বাস, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর মুহাম্মদ রফিক, ডিপিএইচ সেন্টমার্টিন প্রকল্পের সুপারভাইজার জয়নুল আবেদিন এবং প্রান-আরএফএল-এর অস্থায়ী ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর ওসমান গনি।