ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নতুন নেতৃত্বের ঐক্যের বার্তার বিপরীতে ক্ষোভ–বঞ্চনার প্রকাশ.. কক্সবাজারে টানা বৃষ্টিতে বিপাকে লবণ চাষিরা, বন্ধ উৎপাদন, বাড়ছে দুশ্চিন্তা কক্সবাজারে ৪ মাসব্যাপী বিআরটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু, অংশ নিচ্ছেন ১০০ জন জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয় টেকনাফে যুবক গুলিবিদ্ধ টেকনাফে কিশোর অপহরণ, ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি কক্সবাজার চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হ্নীলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর/ অবশেষে জেটি ও টার্মিনালসহ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ হত্যাচেষ্টা মামলায় হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন: ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নির্দেশ ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করলো সৈকত খেলাঘর আসর নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ মিললো গর্তে

“হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, বাংলাদেশ ভয় নেই” শ্লোগানে প্রকম্পিত কক্সবাজার

ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর শহরের তারাবনিয়ার ছড়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ কালে আরো বেশ কিছু খন্ড খন্ড মিছিল এতে যুক্ত হয়। এসময় মিছিল থেকে শ্লোগান উঠে- হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই, বাংলাদেশ ভয় নেই/ ঢাকা না দিল্লি, ঢাকা ঢাকা/ আজাদী না দালালি, আজাদী আজাদীসহ বেশ কিছু শ্লোগান।

পরে মিছিলটি শহরের পুরাতন শহীদ মিনারে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম সুজা উদ্দিন ফিদেল কাস্ত্রোর বিখ্যাত উক্তি ‘জন্মভূমি অথবা মৃত্যু’ এর উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, আমরা এর জন্যই প্রস্তুত। ভারতের সাথে যতো অন্যায্য চুক্তি ও লেনদেন হয়েছে সব প্রকাশ করতে হবে।

সুজা বলেন, ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপর অন্যকোন রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারেনা।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক শাহেদুল ওয়াহিদ বলেন, “ভারত আমাদের তথাকথিত বন্ধু রাষ্ট্র ছিলো, তারপরও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে তাদের সুবিধা দিয়ে গেছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গেলেও ভারতে বসেই ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।”

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক জুনায়েদ হোসাইন বলেন, ভারত বিরোধী স্ট্যাটাস দেয়ার জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হামলা ও হত্যার শিকার হতে হয়েছে আমাদের ভাইদের৷ এখন সময় পাল্টেছে। ফেলানি ও আবরার ফাহাদের মতো আমরাও রক্ত ঢেলে দিতে প্রস্তুত।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক একারামুল হক বলেন, আমরা যেকোনো মুহুর্তে প্রস্তুত। তাই আমাদের ভয় দেখিয়ে উপায় নেই।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক রবিউল হোসেন বলেন, ভারত এখন বাংলাদেশের জনগণের সাথে সরাসরি শত্রুতা করছে। তারা একটি মহলকে খুশি রাখতে গিয়ে এই শত্রুতায় উপনীত হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নতুন নেতৃত্বের ঐক্যের বার্তার বিপরীতে ক্ষোভ–বঞ্চনার প্রকাশ..

“হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, বাংলাদেশ ভয় নেই” শ্লোগানে প্রকম্পিত কক্সবাজার

আপডেট সময় : ১১:২১:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর শহরের তারাবনিয়ার ছড়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ কালে আরো বেশ কিছু খন্ড খন্ড মিছিল এতে যুক্ত হয়। এসময় মিছিল থেকে শ্লোগান উঠে- হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই, বাংলাদেশ ভয় নেই/ ঢাকা না দিল্লি, ঢাকা ঢাকা/ আজাদী না দালালি, আজাদী আজাদীসহ বেশ কিছু শ্লোগান।

পরে মিছিলটি শহরের পুরাতন শহীদ মিনারে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম সুজা উদ্দিন ফিদেল কাস্ত্রোর বিখ্যাত উক্তি ‘জন্মভূমি অথবা মৃত্যু’ এর উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, আমরা এর জন্যই প্রস্তুত। ভারতের সাথে যতো অন্যায্য চুক্তি ও লেনদেন হয়েছে সব প্রকাশ করতে হবে।

সুজা বলেন, ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপর অন্যকোন রাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারেনা।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক শাহেদুল ওয়াহিদ বলেন, “ভারত আমাদের তথাকথিত বন্ধু রাষ্ট্র ছিলো, তারপরও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে তাদের সুবিধা দিয়ে গেছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গেলেও ভারতে বসেই ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।”

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক জুনায়েদ হোসাইন বলেন, ভারত বিরোধী স্ট্যাটাস দেয়ার জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে হামলা ও হত্যার শিকার হতে হয়েছে আমাদের ভাইদের৷ এখন সময় পাল্টেছে। ফেলানি ও আবরার ফাহাদের মতো আমরাও রক্ত ঢেলে দিতে প্রস্তুত।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক একারামুল হক বলেন, আমরা যেকোনো মুহুর্তে প্রস্তুত। তাই আমাদের ভয় দেখিয়ে উপায় নেই।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক রবিউল হোসেন বলেন, ভারত এখন বাংলাদেশের জনগণের সাথে সরাসরি শত্রুতা করছে। তারা একটি মহলকে খুশি রাখতে গিয়ে এই শত্রুতায় উপনীত হয়েছে।