স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক এক জরুরি নির্দেশনায় প্যাথলজি ল্যাব রিপোর্টে কেবল বিএমডিসি নিবন্ধিত চিকিৎসকদের স্বাক্ষরের বিধানকে পেশাগত বৈষম্যমূলক আচরণ উল্লেখ করে তা বাতিল বা সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন বায়োকেমিস্ট ও মাইক্রোবায়োলজিস্টরা।
২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি জারি করা ওই জরুরি নির্দেশনার (স্মারক নং স্বঃ অধি/হাসঃ/নির্দেশনা/২০২৫/১৫) ৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্যাথলজি ল্যাবের রিপোর্টে শুধুমাত্র বিএমডিসি রেজিস্টার্ড চিকিৎসকরাই স্বাক্ষর করতে পারবেন। অথচ এর আগে জারি করা অধ্যাদেশগুলোতে বায়োকেমিস্ট ও মাইক্রোবায়োলজিস্টদের রিপোর্টে স্বাক্ষরের সুযোগ ছিল বলে দাবি করেন বায়োকেমিস্টরা।
এই নির্দেশনার প্রতিবাদে কক্সবাজার সিটি কলেজে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুর ১টার দিকে কলেজের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, নতুন প্রজ্ঞাপনে বায়োকেমিস্ট ও মাইক্রোবায়োলজিস্টদের স্বাক্ষরের অধিকার বাদ দেয়ায় পেশাগত বৈষম্য সৃষ্টি হবে এবং এতে স্বাস্থ্যসেবায় তাঁদের দীর্ঘদিনের অবদান ক্ষুণ্ণ হবে। আধুনিক রোগ নির্ণয়, ল্যাবরেটরি ম্যানেজমেন্ট এবং কোয়ালিটি কন্ট্রোলে ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্টদের ভূমিকা অপরিহার্য বলেও তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে উক্ত প্রজ্ঞাপনের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অবিলম্বে বাতিল বা সংশোধন করা জরুরি। একই সঙ্গে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকদের পাশাপাশি ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্ট এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের ডায়াগনস্টিক রিপোর্টে স্বাক্ষরের বৈধতা দিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানান তারা।
কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম আক্তার উদ্দিন চৌধুরী, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের প্রভাষক ইজাজুর রহমান হিমু, গোলাম মোস্তফা মিঠু, ঈপ্সিতা চক্রবর্তী, শহীদুল আলম সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশে একই বিভাগের প্রভাষক মিসবাহ উদ্দিন, সরওয়ার আলম, কামরুন্নাহার, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল ইসলামসহ বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
বার্তা পরিবেশক: 






















