ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয় টেকনাফে যুবক গুলিবিদ্ধ টেকনাফে কিশোর অপহরণ, ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি কক্সবাজার চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হ্নীলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর/ অবশেষে জেটি ও টার্মিনালসহ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ হত্যাচেষ্টা মামলায় হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন: ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নির্দেশ ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করলো সৈকত খেলাঘর আসর নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ মিললো গর্তে কক্সবাজারে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল:গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বিএনপিকে জনগণ নোট অব ডিসেন্ট দেবে খেলাঘরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝিনুকমালার নানান আয়োজন  পেকুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য সহকারীসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারীরা।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারী) দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মো: আ: মান্নানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ-সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারক লিপি প্রদান করে পরীক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে তারা বলেন,২৬ ডিসেম্বর কক্সবাজার জেলায় অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সহকারী, পরিসংখ্যান, ড্রাইভার, কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও নৈরাজ্য দেখা গেছে। পরীক্ষার পূর্বেই মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। তারা বলেন, সিভিল সার্জন মোহাম্মদুল হক একজন দুর্নীতিবাজ মানুষ, যা কক্সবাজারবাসী জানে। তিনি তড়িৎগতিতে ১৬০ টি ডিভাইস কন্ট্রাক করে ১৬০ টি গ্রামীন সীম ব্যবহার করে কলাতলির একটি ত্রি-স্টার মানের হোটেলে বসে পরীক্ষা নিয়েছেন। তারপর উত্তরপত্র তৈরী করার জন্য তিনজন বিসিএস ক্যাডার এনে তাদেরকে ৩০ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। এ ছাড়া সিভিল সার্জন অফিসের একজন অসাধু কর্মচারী পেনড্রাইভের মাধ্যমে উত্তরপত্র সাপ্লাই দেন। পরীক্ষা না দিয়েও লিখিত পরীক্ষায় পাস করা কুতুবদিয়া উপজেলার এক লোককে নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে তিনি ভাইভা পরিক্ষায় উপস্থিত হননি।

তারা বলেন, সিভিল সার্জন অফিসের নিযোগ বানিজ্যের প্রধান হচ্ছে ডা: মোহাম্মদুল হক, তার সহকর্মি মোয়াজ আবরার, স্টেনো ওসমান গনি, পংকজ পাল, প্রধান সহকারি মুজিব রাতে প্রশ্ন করার পর ভোর ৭ টার দিকে তারা ডিসি অফিস ত্যাগ করেন এবং পেনড্রাইপ করে সাথে প্রশ্ন নিয়ে যান, তাদের চাহিদা মতো টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন বিতরণ করেন, তাও পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকা সত্যেও পাশ করিয়ে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে অনিয়মের সত্যতা যাচাই এবং সুষ্ঠু নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা। তা না হলে দ্রুত উচ্চ আদালতে যাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পরীক্ষার্থী-মুমেন আব্দুল্লাহ, ইমরানুল ইসলাম ও আতাউল গনী সাব্বির। এসময় অভিভাবকসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন শেষে পরীক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদল জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয়

সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৭:২৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য সহকারীসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারীরা।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারী) দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক মো: আ: মান্নানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ-সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারক লিপি প্রদান করে পরীক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে তারা বলেন,২৬ ডিসেম্বর কক্সবাজার জেলায় অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সহকারী, পরিসংখ্যান, ড্রাইভার, কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও নৈরাজ্য দেখা গেছে। পরীক্ষার পূর্বেই মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। তারা বলেন, সিভিল সার্জন মোহাম্মদুল হক একজন দুর্নীতিবাজ মানুষ, যা কক্সবাজারবাসী জানে। তিনি তড়িৎগতিতে ১৬০ টি ডিভাইস কন্ট্রাক করে ১৬০ টি গ্রামীন সীম ব্যবহার করে কলাতলির একটি ত্রি-স্টার মানের হোটেলে বসে পরীক্ষা নিয়েছেন। তারপর উত্তরপত্র তৈরী করার জন্য তিনজন বিসিএস ক্যাডার এনে তাদেরকে ৩০ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। এ ছাড়া সিভিল সার্জন অফিসের একজন অসাধু কর্মচারী পেনড্রাইভের মাধ্যমে উত্তরপত্র সাপ্লাই দেন। পরীক্ষা না দিয়েও লিখিত পরীক্ষায় পাস করা কুতুবদিয়া উপজেলার এক লোককে নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে তিনি ভাইভা পরিক্ষায় উপস্থিত হননি।

তারা বলেন, সিভিল সার্জন অফিসের নিযোগ বানিজ্যের প্রধান হচ্ছে ডা: মোহাম্মদুল হক, তার সহকর্মি মোয়াজ আবরার, স্টেনো ওসমান গনি, পংকজ পাল, প্রধান সহকারি মুজিব রাতে প্রশ্ন করার পর ভোর ৭ টার দিকে তারা ডিসি অফিস ত্যাগ করেন এবং পেনড্রাইপ করে সাথে প্রশ্ন নিয়ে যান, তাদের চাহিদা মতো টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন বিতরণ করেন, তাও পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকা সত্যেও পাশ করিয়ে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে অনিয়মের সত্যতা যাচাই এবং সুষ্ঠু নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা। তা না হলে দ্রুত উচ্চ আদালতে যাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পরীক্ষার্থী-মুমেন আব্দুল্লাহ, ইমরানুল ইসলাম ও আতাউল গনী সাব্বির। এসময় অভিভাবকসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন শেষে পরীক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদল জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে।