ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ মার্চ পর্যন্ত কক্সবাজারের হোটেলগুলো অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে কুতুবদিয়া বিএনপির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন স্বাধীনতা দিবসে কক্সবাজারে খেলাঘরের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জনগণের স্বাধীনতা আজ ক্ষমতাসীনদের হাতে বন্দী- হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজার সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু রামুতে বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হলো স্বাধীনতা দিবস স্বাধীনতা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনায় এমপি শাহজাহান চৌধুরী -মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কুচকাওয়াজ: কক্সবাজারে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন কবিতা চত্বর থেকে নবজাতকের মর’দেহ উদ্ধার স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজারের শ্রদ্ধা, পুষ্পস্তবক অর্পণ বাসের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর শ্রদ্ধা, পুষ্পস্তবক অর্পণ জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ “বিজয় বয়ে এনেছিলে স্বাধীনতা তুমি”

সিনহা হত্যা মামলা দ্রুত শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আবেদন

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫
  • 465

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলা হাইকোর্টে দ্রুত শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আবেদন করেছেন তার মা নাসিমা আক্তার। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রায় কার্যকরের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আবেদন করে সিনহার পরিবার। এ সময় হত্যা মামলাটি দ্রুত শুনানির আশ্বাস দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আছাদুজ্জামান।

২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। এছাড়াও ৬ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকিদের খালাস দিয়েছিলেন আদালত।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। হত্যাকাণ্ডের ৪ দিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলায় বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া প্রদীপ কুমার দাশকে ২ নম্বর ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিতকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়। পরে আদালত কক্সবাজারের র‍্যাব-১৫ কে মামলাটির তদন্তভার দেন।

ওই ঘটনায় ৭ আগস্ট মামলার আসামি ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তদন্তে নেমে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় ৩ বাসিন্দা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৩ সদস্য ও ওসি প্রদীপের দেহরক্ষীসহ আরও মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর ২৪ জুন মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কনস্টেবল সাগর দেবের আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আলোচিত এই মামলার ১৫ আসামির সবাই আইনের আওতায় আসে।

এ মামলায় ৪ মাসের বেশি সময় তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর ৮৩ জন সাক্ষীর নামের তালিকাসহ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই সময় ১৫ জনকে আসামি করে দেয়া অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘পরিকল্পিত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগ :

৩০ মার্চ পর্যন্ত কক্সবাজারের হোটেলগুলো অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে

সিনহা হত্যা মামলা দ্রুত শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আবেদন

আপডেট সময় : ১১:১৫:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলা হাইকোর্টে দ্রুত শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে আবেদন করেছেন তার মা নাসিমা আক্তার। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রায় কার্যকরের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আবেদন করে সিনহার পরিবার। এ সময় হত্যা মামলাটি দ্রুত শুনানির আশ্বাস দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আছাদুজ্জামান।

২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। এছাড়াও ৬ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকিদের খালাস দিয়েছিলেন আদালত।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। হত্যাকাণ্ডের ৪ দিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলায় বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া প্রদীপ কুমার দাশকে ২ নম্বর ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিতকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়। পরে আদালত কক্সবাজারের র‍্যাব-১৫ কে মামলাটির তদন্তভার দেন।

ওই ঘটনায় ৭ আগস্ট মামলার আসামি ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তদন্তে নেমে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় ৩ বাসিন্দা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৩ সদস্য ও ওসি প্রদীপের দেহরক্ষীসহ আরও মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর ২৪ জুন মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি কনস্টেবল সাগর দেবের আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আলোচিত এই মামলার ১৫ আসামির সবাই আইনের আওতায় আসে।

এ মামলায় ৪ মাসের বেশি সময় তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৩ ডিসেম্বর ৮৩ জন সাক্ষীর নামের তালিকাসহ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই সময় ১৫ জনকে আসামি করে দেয়া অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘পরিকল্পিত ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।