কেউ করছে গান,কেউ নাচ আবার কেউ করছে আবৃত্তি। তারপর কথামালা। সবমিলিয়ে সমুদ্র সৈকতের কবিতা চত্বর মুখরিত ছিলো সংস্কৃতি কর্মীদের পদচারণায়।
শনিবার অনুষ্ঠিত হলো মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ ও সংস্কৃতি কর্মীদের মিলনোৎসব ।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে দিনব্যাপী এ মিলনোৎসবের আয়োজন করা হয়।
এতে কক্সবাজারের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, নাট্যকর্মী, আবৃত্তিশিল্পী, সংগীতশিল্পী, নৃত্যশিল্পীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাংস্কৃতিক কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। সমুদ্রের নীল জলরাশি আর খোলা আকাশের নিচে আয়োজিত এ আয়োজন পুরো এলাকায় সৃষ্টি করে উৎসবের আমেজ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল। তিনি বলেন,সম্প্রীতির বন্ধনে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তবেই এতো শ্রম, এতো কষ্ট, এতো ত্যাগ স্বার্থক হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক জসীম উদ্দিন, এডভোকেট আবদুল কায়েম, আব্দুল মতিন আজাদ, রতন দাশ।
এ সময় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল হুদা ছিদ্দিক জামশেদ, আহ্বায়ক সুবিমল পাল পান্না, সদস্য সচিব নাছির উদ্দীন এবং খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য উৎপলা বড়ুয়া। আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক দীপক শর্মা দীপু।
বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন একে অপরের পরিপূরক। নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও দেশপ্রেম ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আরও বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমেই সমাজ থেকে সাম্প্রদায়িকতা ও অপসংস্কৃতি দূর করা সম্ভব।
আলোচনা সভা শেষে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শুরু হয়। সংগীত, আবৃত্তি, নৃত্য ও নাট্যাংশে শিল্পীরা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও বিজয়ের চেতনা তুলে ধরেন।
মিলনোৎসবে শিশু ও পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। দিনব্যাপী আয়োজন শেষে এক আনন্দঘন পরিবেশে মিলনোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : 




















