দৈনিক যায়যায়দিনের টেকনাফ প্রতিনিধি (মাল্টিমিডিয়া) সাংবাদিক আরাফাত সানিকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। শনিবার তাকে আটক করে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী। পরে রোববার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (ক্র্যাক)। সংগঠনটি মনে করে আরাফাত সানিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছে।
আরাফাত সানিকে আটকের পর ক্র্যাক বিভিন্নভাবে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে জানতে পারে যে, আটকের পূর্বে তিনি (আরাফাত সানি) সেন্টমার্টিনে অবস্থান করছিলেন। পরে দ্বীপ থেকে ফেরার সময় শনিবার বিকাল পৌনে ৫টায় শাহপরীর দ্বীপ ঘাটে পৌঁছলে তাকে আটক করে কোস্টগার্ড। পরে সাজানো নাটকের অংশ হিসেবে তাকে অস্ত্র ও মাদক দিয়ে আটক দেখানো হয়। সানিকে যে সময় আটক করা হয় সেই সময় ঘাটে তার আরো কয়েকজন সহকর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাদের ভাষ্যমতে, হঠাৎ কোস্টগার্ডের সদস্যরা চা খাওয়ার কথা বলে ঘাট থেকে তাকে নিয়ে যায়। এরপর অস্ত্র ও মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়।
ক্র্যাক মনে করে, আরাফাত সানি দীর্ঘদিন সীমান্ত জনপদ টেকনাফে ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিকতা করে আসছে। ইতোপূর্বে তার অবস্থান ও বেশকিছু নিউজ বিভিন্ন বাহিনীর বিতর্কিত অভিযানের বিরুদ্ধে ছিলো। সেকারণে ক্ষুব্ধ কোস্টগার্ড প্রতিশোধ নিতে গিয়ে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে। যার প্রমাণ স্বরূপ, কোস্টগার্ড ও আইএসপিআরের পৃথকভাবে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তির মিল নেই। অনতিবিলম্বে আরাফাত সানিকে মুক্তি না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সংগঠনটির। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেল তিনটায় কক্সবাজার পৌরসভা চত্বরে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে সংগঠনের পক্ষ থেকে। এতে সকলের উপস্থিতি কামনা করেন ক্র্যাকের সভাপতি জসিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আজিম নিহাদ।
সাংবাদ বিজ্ঞপ্তি: 





















