শিল্প মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের আলোকে লবণ আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হলেও বর্তমানে তা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিকের লবণ সেলের প্রধান মোঃ সরোয়ার হোসেন।
তিনি জানান, গত সেপ্টেম্বর মাসে শিল্প মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ মেট্রিক টন লবণ আমদানির বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হয়। সে অনুযায়ী সিসিআই (প্রধান নিয়ন্ত্রক আমদানি-রপ্তানি দপ্তর) থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে আগ্রহী আমদানিকারকদের আবেদনের আহ্বান করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়, যার শেষ সময় ছিল ১১ জানুয়ারি।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাত্র ২০–২৫ হাজার মেট্রিক টনের জন্য এলসি খোলা সম্ভব হওয়ায় সরকার আর সময় বাড়ায়নি।বুধবার কক্সবাজারের লবণ শিল্প সংশ্লীষ্টরা বৈঠক করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সাথে। বৈঠকের পর শিল্প উপদেষ্টা বাণিজ্য উপদেষ্টাকে ফোন করে যারা এলসি করেছে বা করেনি, সকল প্রক্রিয়া আপাতত বন্ধ রাখতে বলেন।
মোঃ সরোয়ার হোসেন বলেন, “এখন আর কেউ লবণ আমদানি করতে পারবে না। বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে পুনরায় আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত আমদানি স্থগিত থাকবে। এই সিদ্ধান্ত সবার সামনে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।বিসিকের চেয়ারম্যান এবং কক্সবাজারের লবণ সংশ্লিষ্টরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।”
১ লক্ষ টন লবণ আমদানির লক্ষ্যে বানিজ্য মন্ত্রনালয়ে ২৪৭ টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা পাঠিয়েছিলো শিল্প মন্ত্রণালয়। এই তালিকা থেকে আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৩১ টি প্রতিষ্ঠান কে লবণ আমদানির অনুৃমতি দেয়া হয়।
এ নিয়ে লবণ আমদানি বাতিলের দাবী চাষীরা আন্দোলন নামে। বুধবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনও করে। যেখানে ড. সলিমুল্লাহ খান তার বক্তব্যে লবণ আমদানীর সিদ্ধান্ত স্থগিত করার আহবান জানান।
এদিকে লবন আমদানি স্থগিতের খবরে কক্সবাজারের চাষীরা উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন। দ্রুত এ বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির অনুরোধ জানান তারা।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















