ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোববার থেকে হামের টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কউকের সেমিনার-কক্সবাজারে সুপেয় পানির পরিমান কমছে নানার বাড়ি এসে পুকুরেডুবে দুই শিশুর মৃ’ত্যু আমেরিকা যুদ্ধ থেকে পালানোর পথ খুঁজছে : ইরা‌নি রাষ্ট্রদূত আমিরাতে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে মানবপাচার চক্রের আস্তানা থেকে ১৩ জন উদ্ধার ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করল আরব আমিরাত ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছে নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে অপহৃত গর্জনিয়ার মিন্টু ইরান নিয়ে জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন ট্রাম্প আরাকান আর্মির কবল থেকে মুক্ত ১৪ জেলে দেশে ফিরেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের সাবেক পৌর মেয়র মাহবুবের খোলা চিঠি পাল্টাপাল্টি চাঁদা দাবির অভিযোগে মুখোমুখি যুবদল–ছাত্রদল নেতা বাংলাদেশি ১৬ জেলেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ‘মিয়ানমারের কোস্ট গার্ডের’ বিরুদ্ধে রাজনীতির ভাষা: মর্যাদা নাকি মুখোমুখি অবস্থান? কক্সবাজারের ভূমিহীনদের নিয়ে সংসদে এমপি কাজলের প্রশ্ন, জবাবে যা জানালেন ভূমিমন্ত্রী

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: ভেঙ্গে দেয়া হলো ডাকাত নবী হোসেনের আস্তানা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতদলের আস্তানা খ্যাত একটি ঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহার হয়ে আসছিল অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইট, রড, বালু, সিমেন্টের তৈরি সেমিপাকা ঘর! এমন দৃশ্য আগে কেউ দেখেনি। অথচ উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর বি-৪১ ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল এমনই একটি স্থাপনা। দীর্ঘদিন ধরে সেটি ব্যবহার হতো অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে। আর নিয়ন্ত্রণে ছিল রোহিঙ্গা ডাকাত নবী হোসেনের।

জানা যায়, পুরো ক্যাম্পজুড়ে যেখানে রোহিঙ্গাদের ঘর বাঁশ, ত্রিপল ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়, সেখানে হঠাৎ সেমিপাকা স্থাপনার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এই স্থাপনাটি নবী হোসেনের ‘অবৈধ দখলদারিত্বের আস্তানা’ যেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, “ঘরটি নবী হোসেনের অপরাধের আস্তানা ছিল। ডাকাতি, অপহরণ আর মাদকের পরিকল্পনা হতো এখানেই। এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনি, অবশেষে প্রশাসন সাহসী পদক্ষেপ নেয়।”

রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “ক্যাম্পে এমন পাকা ঘর আগে কখনো দেখিনি। এটা পুরো নিয়মের বাইরে। এখানে ইট সিমেন্ট রড দিয়ে স্থাপনা তৈরির কোন অনুমতি নেই।‌”

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ঘরের একাংশ এবং ভেতরের কংক্রিটের তাক ভেঙে ফেলা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) গাজী শরিফুল হাসান।

তিনি জানান, অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনী ও ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

গাজী শরিফুল হাসান বলেন, “কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই ঘরের একাংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে পুরো অবৈধ স্থাপনাটি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: ভেঙ্গে দেয়া হলো ডাকাত নবী হোসেনের আস্তানা

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতদলের আস্তানা খ্যাত একটি ঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহার হয়ে আসছিল অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইট, রড, বালু, সিমেন্টের তৈরি সেমিপাকা ঘর! এমন দৃশ্য আগে কেউ দেখেনি। অথচ উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর বি-৪১ ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল এমনই একটি স্থাপনা। দীর্ঘদিন ধরে সেটি ব্যবহার হতো অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে। আর নিয়ন্ত্রণে ছিল রোহিঙ্গা ডাকাত নবী হোসেনের।

জানা যায়, পুরো ক্যাম্পজুড়ে যেখানে রোহিঙ্গাদের ঘর বাঁশ, ত্রিপল ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়, সেখানে হঠাৎ সেমিপাকা স্থাপনার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এই স্থাপনাটি নবী হোসেনের ‘অবৈধ দখলদারিত্বের আস্তানা’ যেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, “ঘরটি নবী হোসেনের অপরাধের আস্তানা ছিল। ডাকাতি, অপহরণ আর মাদকের পরিকল্পনা হতো এখানেই। এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনি, অবশেষে প্রশাসন সাহসী পদক্ষেপ নেয়।”

রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “ক্যাম্পে এমন পাকা ঘর আগে কখনো দেখিনি। এটা পুরো নিয়মের বাইরে। এখানে ইট সিমেন্ট রড দিয়ে স্থাপনা তৈরির কোন অনুমতি নেই।‌”

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ঘরের একাংশ এবং ভেতরের কংক্রিটের তাক ভেঙে ফেলা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) গাজী শরিফুল হাসান।

তিনি জানান, অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনী ও ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

গাজী শরিফুল হাসান বলেন, “কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই ঘরের একাংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে পুরো অবৈধ স্থাপনাটি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।”