ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বড়দিন উদযাপন

উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নানা আয়োজন ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উদযাপিত হয়েছে। বড়দিন উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ক্যাম্প এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) উখিয়ার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১ ব্লকে আয়োজিত বড়দিনের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। দুই দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন করা হয়।

সূত্র জানায়, উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ৪০টি খ্রিস্টান পরিবার বসবাস করছে। তাঁরা প্রতিবছর নিয়মিতভাবে বড়দিন পালন করে থাকেন। এ বছরও দুই দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে বড়দিনের আয়োজন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক সিরাজুল কবির বলেন, বড়দিন উপলক্ষে ক্যাম্পে যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি না থাকে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে—সে লক্ষ্যেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের আওতাধীন ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-ইন-চার্জ আল ইমরান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত সব ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্যাম্পে সকল ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎসব চলাকালে ক্যাম্প ইনচার্জ ও এপিবিএন পুলিশের তত্ত্বাবধানে সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বড়দিন উদযাপন

আপডেট সময় : ১২:৪০:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নানা আয়োজন ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উদযাপিত হয়েছে। বড়দিন উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ক্যাম্প এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) উখিয়ার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১ ব্লকে আয়োজিত বড়দিনের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। দুই দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন করা হয়।

সূত্র জানায়, উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ৪০টি খ্রিস্টান পরিবার বসবাস করছে। তাঁরা প্রতিবছর নিয়মিতভাবে বড়দিন পালন করে থাকেন। এ বছরও দুই দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে বড়দিনের আয়োজন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক সিরাজুল কবির বলেন, বড়দিন উপলক্ষে ক্যাম্পে যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি না থাকে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে—সে লক্ষ্যেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের আওতাধীন ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-ইন-চার্জ আল ইমরান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত সব ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্যাম্পে সকল ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎসব চলাকালে ক্যাম্প ইনচার্জ ও এপিবিএন পুলিশের তত্ত্বাবধানে সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।