ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় সতীনের সঙ্গে বিরোধের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করলেন আইনজীবী ইয়াছির আরাফাত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গভীর রাতে সাগরের মাছ পাচার তথ্য মহাসড়কে বাংলাদেশের ২০ বছরের গৌরবযাত্রা: কক্সবাজার থেকে শুরু হয়েছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের বৈশ্বিক সংযোগ নেইমারের বিশ্বকাপ আক্ষেপ—২০২৬ কি হবে শেষ স্বপ্নপূরণের মঞ্চ? ডিএনএ রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট: আইনমন্ত্রী স্পোর্টস ও ইভি গাড়ি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী মাতামুহুরী উপজেলার প্রথম ইউএনও শাহীন দেলোয়ার সীমান্তে বিজিবির বাধার মুখে বিএসএফ, পিছু হটতে বাধ্য হলো ভারতীয় বাহিনী ফোর্টিফাই রাইটসের বিবৃতি – আরসা প্রধান আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দাবি কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হা’ম’লা চকরিয়ায় বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত কুকুরের নৈপুণ্যে টায়ারের ভেতর মিলল ইয়াবা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বড়দিন উদযাপন

উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নানা আয়োজন ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উদযাপিত হয়েছে। বড়দিন উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ক্যাম্প এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) উখিয়ার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১ ব্লকে আয়োজিত বড়দিনের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। দুই দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন করা হয়।

সূত্র জানায়, উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ৪০টি খ্রিস্টান পরিবার বসবাস করছে। তাঁরা প্রতিবছর নিয়মিতভাবে বড়দিন পালন করে থাকেন। এ বছরও দুই দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে বড়দিনের আয়োজন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক সিরাজুল কবির বলেন, বড়দিন উপলক্ষে ক্যাম্পে যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি না থাকে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে—সে লক্ষ্যেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের আওতাধীন ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-ইন-চার্জ আল ইমরান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত সব ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্যাম্পে সকল ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎসব চলাকালে ক্যাম্প ইনচার্জ ও এপিবিএন পুলিশের তত্ত্বাবধানে সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় সতীনের সঙ্গে বিরোধের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বড়দিন উদযাপন

আপডেট সময় : ১২:৪০:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নানা আয়োজন ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উদযাপিত হয়েছে। বড়দিন উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ক্যাম্প এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) উখিয়ার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১ ব্লকে আয়োজিত বড়দিনের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। দুই দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন করা হয়।

সূত্র জানায়, উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ৪০টি খ্রিস্টান পরিবার বসবাস করছে। তাঁরা প্রতিবছর নিয়মিতভাবে বড়দিন পালন করে থাকেন। এ বছরও দুই দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে বড়দিনের আয়োজন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক সিরাজুল কবির বলেন, বড়দিন উপলক্ষে ক্যাম্পে যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি না থাকে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে—সে লক্ষ্যেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের আওতাধীন ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-ইন-চার্জ আল ইমরান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত সব ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্যাম্পে সকল ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎসব চলাকালে ক্যাম্প ইনচার্জ ও এপিবিএন পুলিশের তত্ত্বাবধানে সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।