ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড় ধ্বসের শঙ্কা: আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ বঙ্গোপসাগরে ঝড়ে ট্রলারডুবি, তিন দিনেও উদ্ধার হননি পটুয়াখালীর ৬ জেলে ডুবে আছে রেললাইন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ কক্সবাজারে কেন ভয়ংকর হয়ে উঠছে বর্ষা ১৯ অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস ভারী বৃষ্টির কারণে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত: ইউএনএইচসিআর মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসন রোধে একসঙ্গে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করতে গিয়ে খবর আসে স্বামীর লাশ পড়ে আছে বাসায় কক্সবাজারসহ তিন জেলায় বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে পেকুয়ার কয়েক’শ বসতি রামুতে ​শ্রী শ্রী সার্বজনীন দূর্গা মন্দির দখলের অভিযোগ শহীদ জিয়া স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে প্রবাসী কিংস চট্টগ্রাম চ্যাম্পিয়ন সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের সংকটের শঙ্কা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ১০ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার- আরসিপি উখিয়ায় জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত ৪৫ আশ্রয়কেন্দ্র

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এখন সম্ভব নয়- খলিলুর

  • আফজারা রিয়া
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 507

এই মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের টেকপাড়া আছিমং পেশকার পাড়ায় রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘মাহা সাংগ্রেং পোয়ে বা জলকেলি উৎসবে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, “এই মুহুর্তে আরাকানের যে অবস্থা তাতে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ভাবে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব নয়। আমরা সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করছি যেনো আরাকানে শান্তি এবং স্থিতাবস্থা ফিরে আসে এবং রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়।”

“আমরা সব দরজা খোলা রেখেছি, সকলের সাথে আলাপ করছি।”

তিনি মনে করেন, সকল দেশ একসঙ্গে কাজ করে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সহজতর হয়ে উঠবে।

তবে মিয়ানমার জান্তার পক্ষ থেকে বলা ১ লক্ষ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যদিয়ে প্রত্যাবাসনযোগ্য বিষয়টি একটি উল্লখযোগ্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে মনে করেন ড. খলিলুর রহমান।

এর আগে দুপুরে বাংলাদেশ সরকারের এই হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ যান উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। সেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের সাথে জুমার নামায আদায় করেন জানিয়ে বলেন, “আমি তাদের বলেছি জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন হচ্ছে, সেখানে রোহিঙ্গাদের সংঘবদ্ধ এবং স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে তারা তাদের ভবিষ্যত আকাঙ্খা ও স্বপ্ন নিয়ে কথা বলতে পারবে।”

খলিলুর রহমান বলেন, “আমরা আশাবাদী আমাদের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, আগামী ঈদ নিজ দেশে করার রোহিঙ্গাদেরকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

রাখাইন সম্প্রদায়ের সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সকল ধর্ম, নৃগোষ্ঠী ও সংস্কৃতিতে পরিপূর্ণ একটি দেশ। দেশে এখন উৎসবের আমেজ চলছে।

এমন আয়োজন আগামীতে এ দেশের সংস্কৃতিতে বড় ধরণের ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জলকেলি উৎসব উপলক্ষে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাং পরিদর্শনকালে ড. খলিলুর রহমানের সাথে ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসক মো: সালাহউদ্দিনও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা ইয়াসমিন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড় ধ্বসের শঙ্কা: আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এখন সম্ভব নয়- খলিলুর

আপডেট সময় : ১২:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

এই মুহূর্তে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের টেকপাড়া আছিমং পেশকার পাড়ায় রাখাইন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ‘মাহা সাংগ্রেং পোয়ে বা জলকেলি উৎসবে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, “এই মুহুর্তে আরাকানের যে অবস্থা তাতে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ভাবে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব নয়। আমরা সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করছি যেনো আরাকানে শান্তি এবং স্থিতাবস্থা ফিরে আসে এবং রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়।”

“আমরা সব দরজা খোলা রেখেছি, সকলের সাথে আলাপ করছি।”

তিনি মনে করেন, সকল দেশ একসঙ্গে কাজ করে, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সহজতর হয়ে উঠবে।

তবে মিয়ানমার জান্তার পক্ষ থেকে বলা ১ লক্ষ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যদিয়ে প্রত্যাবাসনযোগ্য বিষয়টি একটি উল্লখযোগ্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে মনে করেন ড. খলিলুর রহমান।

এর আগে দুপুরে বাংলাদেশ সরকারের এই হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ যান উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। সেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের সাথে জুমার নামায আদায় করেন জানিয়ে বলেন, “আমি তাদের বলেছি জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন হচ্ছে, সেখানে রোহিঙ্গাদের সংঘবদ্ধ এবং স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে তারা তাদের ভবিষ্যত আকাঙ্খা ও স্বপ্ন নিয়ে কথা বলতে পারবে।”

খলিলুর রহমান বলেন, “আমরা আশাবাদী আমাদের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, আগামী ঈদ নিজ দেশে করার রোহিঙ্গাদেরকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

রাখাইন সম্প্রদায়ের সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সকল ধর্ম, নৃগোষ্ঠী ও সংস্কৃতিতে পরিপূর্ণ একটি দেশ। দেশে এখন উৎসবের আমেজ চলছে।

এমন আয়োজন আগামীতে এ দেশের সংস্কৃতিতে বড় ধরণের ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জলকেলি উৎসব উপলক্ষে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাং পরিদর্শনকালে ড. খলিলুর রহমানের সাথে ছিলেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসক মো: সালাহউদ্দিনও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা ইয়াসমিন।