ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ : পাহাড়তলীতে যুবক নিহত, আহত ২ উখিয়ায় সহযোগী সংগঠনের চার নেতা ইউনিয়ন বিএনপির পদে! উখিয়ায় বিএনপির আট ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত, আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে সামাজিক মাধ্যম বাজারঘাটায় চার প্রতিষ্ঠানে ভোক্তা অধিদপ্তরের বিশ হাজার টাকা জরিমানা ধর্ষণের শিকার কিশোরীর ছবি ফেসবুকে দিলেন ওসি! পাটের ব্যাগে ৩৮ হাজার ইয়াবা,আলীর জাহালে যুবক আটক রামুতে আসনের নিচে লুকানো ৮ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক ঈদগাঁওতে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বন্ধুর সৈকতে নতুন কার্ড বন্ধ, নবায়ন নিয়েও কঠোর সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসনের মিয়ানমারে পাচারের পথে ১৭শ বস্তা সিমেন্ট জব্দ, আটক ২০ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপে ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে- মানববন্ধনে বক্তারা সাগরে জেলের জালে ধরা পড়লো “স্বয়ংক্রিয় সামুদ্রিক যান” তাপমাত্রা ৩৪.২ ডিগ্রি: বুধ বা বৃহস্পতিবার থেকে কক্সবাজারে বৃষ্টির সম্ভাবনা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ : পাহাড়তলীতে যুবক নিহত, আহত ২

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত বদল: পাবে ১২ ডলার

আপডেট সময় : ০৮:৩২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশের আশ্রয় শিবিরে বাস করা রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। এবারে জনপ্রতি মাসিক বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ১২ ডলার করে। যা আগে ছিলো সাড়ে ১২ ডলার।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডব্লিউএফপি এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা আগামী পহেলা এপ্রিল থেকে এ বরাদ্দ কার্যকর হবে।

মিজানুর রহমান বলেন, ভাসানচরে যেসকল রোহিঙ্গা বসবাস করছে তারা পাবে ১৩ ডলার করে। কক্সবাজারে যারা আছে তাদের চেয়ে একডলার বেশি পাবেন।

গত ৫ মার্চ বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের কাছে খাদ্য সহায়তা কমানো সংক্রান্ত চিঠি এসেছিলো।

চিঠিতে ডব্লিউএফপি তহবিল সংকটের কারনে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এপ্রিল থেকে মাসিক খাবারের বরাদ্দ সাড়ে ১২ ডলার থেকে কমিয়ে জনপ্রতি ৬ ডলার নামানোর কথা জানায়।

এরপর গত ১৪ মার্চ জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেস রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন করেন। এসময় তার কাছে তুলে ধরা হয় ৬ ডলারে রোহিঙ্গারা আসলে কি পরিমাণ খাবার পাবেন। এসংক্রান্ত একটি ভিডিওতে গুতেরেসকে বিষ্ময় প্রকাশ করতে দেখা যায়।

শরনার্থী কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামস-দৌজা নয়ন বলেন, গুতেরেস যদিও আগে থেকে জানতেন, আমরাও জানিয়েছিলাম বিষয়টি।

গুতেরেস এর সফরের প্রভাব কিনা জানতে চাইলে নয়ন বলেন, তা বলতে পারছিনা, কিন্তু তহবিল সংকট স্বত্ত্বেও ডব্লিউএফপি নিশ্চিত করেছে যে খাদ্য সহায়তা একইরকম থাকছে।

উখিয়ার কুতুপালং এর স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, এটি ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাহয় রোহিঙ্গারা খাদ্যের যোগানের জন্য ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিলো।