ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় অর্ধেক গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে যাচ্ছে মিয়ানমার কক্সবাজারের আকাশে ‘ব্লাড মুন’ কক্সবাজারে এ বছরের সর্বনিম্ন ফিতরা ৯৫ টাকা, সর্বোচ্চ ২৪৭৫ টাকা এনসিপির আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আবু তাহেরের পরিবারকে ১ লক্ষ টাকার সহায়তা দিলেন এমপি কাজল অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিরুকে হয়রানির প্রচেষ্টা ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তার: ক্র্যাকের নিন্দা কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা ​ঢাবিতে ‘ডুসাট’-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাহরির সময় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা ‘ডিজিটাল ডিভাইসে’ নকল প্রতিরোধে আইন হবে: শিক্ষামন্ত্রী ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের মুগ্ধতার লড়াই টেকনাফে অর্ধ লক্ষ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার অভিনন্দন সংবলিত বিলবোর্ড-ব্যানার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রেমিট্যান্সে ঝড়, ১৯ দিনে এলো সোয়া দুই বিলিয়ন ডলার

 

পবিত্র রমজান মাসের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শেষ। দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদের আগমনী বার্তা। সাধারণত ঈদের আগে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে বেশি পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠান, যাতে তাদের পরিবারগুলো ঈদ উপলক্ষে আর্থিকভাবে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারে। গত কয়েক বছরে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে, যা দেশের অর্থনীতি এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বৃহস্প‌তিবার (২০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাং‌কের সবশেষ তথ্য বলছে, চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১৯ দিনে ২২৫ কো‌টি ২০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার হিসেবে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা) এই পরিমাণ দাঁড়ায় ২৭ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকারও বেশি।

আগের অর্থবছরের ঠিক এই সময়ের গ্রাফ স্কেলে এটি প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। গত বছর একই সময় রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৬৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

রেমিট্যান্সের এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাসিক হিসেবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ ২৬৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চে রয়েছে চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে অর্জিত ২৫৪ কোটি ডলার।

প্রসঙ্গত, একসময় বাংলাদেশের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, ওমান, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে পেছনে ফেলে এখন প্রবাসী আয়ের বড় উৎস হিসেবে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। গত বছরের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস হিসেবে তালিকায় উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রের নাম। সর্বশেষ গত জানুয়ারি মাসে সৌদি আরব ও ইউএইকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে যুক্তরাজ্য।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় অর্ধেক গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে যাচ্ছে মিয়ানমার

রেমিট্যান্সে ঝড়, ১৯ দিনে এলো সোয়া দুই বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

পবিত্র রমজান মাসের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ শেষ। দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদের আগমনী বার্তা। সাধারণত ঈদের আগে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে বেশি পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠান, যাতে তাদের পরিবারগুলো ঈদ উপলক্ষে আর্থিকভাবে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারে। গত কয়েক বছরে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে, যা দেশের অর্থনীতি এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বৃহস্প‌তিবার (২০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাং‌কের সবশেষ তথ্য বলছে, চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১৯ দিনে ২২৫ কো‌টি ২০ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার হিসেবে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা) এই পরিমাণ দাঁড়ায় ২৭ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকারও বেশি।

আগের অর্থবছরের ঠিক এই সময়ের গ্রাফ স্কেলে এটি প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। গত বছর একই সময় রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৬৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

রেমিট্যান্সের এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাসিক হিসেবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ ২৬৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চে রয়েছে চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে অর্জিত ২৫৪ কোটি ডলার।

প্রসঙ্গত, একসময় বাংলাদেশের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, ওমান, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে পেছনে ফেলে এখন প্রবাসী আয়ের বড় উৎস হিসেবে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। গত বছরের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস হিসেবে তালিকায় উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রের নাম। সর্বশেষ গত জানুয়ারি মাসে সৌদি আরব ও ইউএইকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে যুক্তরাজ্য।