বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক এবং কথাসাহিত্যিক মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন, রামু একটা জীবন্ত মিউজিয়াম। এখানে অনেক ইতিহাস ঐতিহ্য ও স্মৃতি রয়েছে। যার কারণে বাংলাদেশের ইতিহাসে রামুর গুরুত্ব রয়েছে। এখানকার পাহাড় সমুদ্র এ এলাকার মানুষকে বড় চিন্তা করতে শিখিয়েছে। ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত রামু প্রেস ক্লাব স্থানীয় সাংবাদিকতার অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রামু প্রেসক্লাবের অভিষেক ও প্রতিষ্ঠাতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রামু প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির সভাপতি আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আহমদ ছৈয়দ ফরমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে অনুসন্ধানী রিপোর্ট অনেক করা যায়। খনিজ সম্পদ, ১২০ কি.মি সমুদ্র সৈকতের ভালো দিক তুলে ধরা যায়। কিন্তু মাসে একটা ঘটনা ঘটলে কেউ মারা গেলে, কিংবা প্রশাসনিক কোন দপ্তরের অভিযান চালালে অনেক বড় করে প্রচার করি। এতে পর্যটকদের উপর বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, তারা আতংকিত হয়। তাই আমাদের ইতিবাচক দিকগুলো বেশী তুলে ধরতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আকতার উদ্দীন চৌধুরী ও কক্সবাজারের সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নাছির উদ্দীন ও রামু বণিক সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন রকি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রামু প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমির হোসেন হেলালী, রামু প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক ও প্রচার সম্পাদক এস, মোহাম্মদ হোসেন।
পরে বাসস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক এবং কথাসাহিত্যিক মাহবুব মোর্শেদ প্রতিষ্ঠাতাদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।
গুণিজন সংবর্ধনায় রামু প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য সুলতান আহমদ মনিরী, রামু খিজারী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (অবসরপ্রাপ্ত) সাধন কুমার দে, লেখক, ছড়াকার ও গীতিকার ধনীরাম বড়ুয়াকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পরে রামু প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমীর হোছাইন হেলালী সকল সদস্যবৃন্দকে সদস্য কার্ড প্রদান করেন।
অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন, এডভোকেট শওকত ওসমান, রামু উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর বাবু, বিএনপি নেতা শেখ আবদুল্লাহ, রামু উপজেলার এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক আহসান জুবায়েরসহ সাংবাদিক, সাহিত্যিক, গবেষক, লেখক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























