ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কলাতলীর অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন শিল্প-সাহিত্য চর্চার রাজনীতিকীকরণ সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তি ভারতের সিকিমে জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞের মামলায় সাবেক এমপি বদির জামিন ২৬ দিনে আটবার কেঁপেছে দেশ, বড় দুর্যোগের শঙ্কা? একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কলাতলীর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস নতুন গভর্নরকে স্বাগত জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মীরা বইমেলা শুরু হচ্ছে আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের আরেক চমক: এবার পৌরসভা হচ্ছে পেকুয়া বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের গুলিতে জেলে নিহত আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের কক্সবাজারে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প কলাতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড , নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনী

রামুতে ব্রি ধান ১০৩ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস

রামুতে আমান মৌসুমের ব্রি ধান-১০৩ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার পশ্চিম চাকমারকুলে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রামু উপজেলার সহযোগিতায়
এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থান ভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের অর্থায়নে বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণও করা হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় কক্সবাজারের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার এবং আঞ্চলিক প্রধান ড. ফজলুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন।

চাকমারকুল ইউনিয়নে কর্মরত উপসহকারি কৃষি অফিসার মো: জাকারিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে বক্তব্য রাখেন রামু উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ তানজিলা রহমান, সাইন্টিফিক অফিসার মোজাম্মেল হক, কৃষি তথ্য সার্ভিস কক্সবাজারের কর্মকর্তা মোঃ লোকমান হাকিম, কৃষক আবদুল মান্নান প্রমুখ।

চলতি আমন ২০২৫ মৌসুমে কক্সবাজার জেলায় এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় ১ একরের ১২৫টি জাত প্রদর্শনী স্থাপিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ১ বিঘা (৩৩ শতক) জমিতে ব্রি ধান১০৩ জাত চাষ করে ২৫ মণের অধিক ফলন উৎপাদন করা সম্ভব,যা প্রচলিত আমন মৌসুমের যেকোন জাতের চেয়ে বেশি ফলন দিতে সক্ষম।

জাতটির জীবনকাল ১২৮-১৩৩দিন হওয়ায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষেও কৃষকদের জন্যে সুবিধা হবে। এছাড়া জাতটিতে পোকামাকড় ও রোগের আক্রমণ কম, ফলন বেশি হওয়ায় আমন মৌসুমে কৃষকদের জন্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাত হবে বলে আমরা আশাকরি।

মাঠ দিবসে ব্রির বিজ্ঞানীগন উক্ত ইউনিয়নে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের আশা প্রকাশ করেন এবং সে লক্ষ্যে এলাকার কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধান চাষের সকল ধরনের সুবিধা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কলাতলীর অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

This will close in 6 seconds

রামুতে ব্রি ধান ১০৩ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস

আপডেট সময় : ১১:৩৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

রামুতে আমান মৌসুমের ব্রি ধান-১০৩ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার পশ্চিম চাকমারকুলে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রামু উপজেলার সহযোগিতায়
এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থান ভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের অর্থায়নে বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণও করা হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় কক্সবাজারের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার এবং আঞ্চলিক প্রধান ড. ফজলুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন।

চাকমারকুল ইউনিয়নে কর্মরত উপসহকারি কৃষি অফিসার মো: জাকারিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে বক্তব্য রাখেন রামু উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ তানজিলা রহমান, সাইন্টিফিক অফিসার মোজাম্মেল হক, কৃষি তথ্য সার্ভিস কক্সবাজারের কর্মকর্তা মোঃ লোকমান হাকিম, কৃষক আবদুল মান্নান প্রমুখ।

চলতি আমন ২০২৫ মৌসুমে কক্সবাজার জেলায় এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় ১ একরের ১২৫টি জাত প্রদর্শনী স্থাপিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ১ বিঘা (৩৩ শতক) জমিতে ব্রি ধান১০৩ জাত চাষ করে ২৫ মণের অধিক ফলন উৎপাদন করা সম্ভব,যা প্রচলিত আমন মৌসুমের যেকোন জাতের চেয়ে বেশি ফলন দিতে সক্ষম।

জাতটির জীবনকাল ১২৮-১৩৩দিন হওয়ায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষেও কৃষকদের জন্যে সুবিধা হবে। এছাড়া জাতটিতে পোকামাকড় ও রোগের আক্রমণ কম, ফলন বেশি হওয়ায় আমন মৌসুমে কৃষকদের জন্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাত হবে বলে আমরা আশাকরি।

মাঠ দিবসে ব্রির বিজ্ঞানীগন উক্ত ইউনিয়নে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের আশা প্রকাশ করেন এবং সে লক্ষ্যে এলাকার কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধান চাষের সকল ধরনের সুবিধা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।