রোববার সকালে মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলি এসে পড়ে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় মোহাম্মদ জসিমের ঘরে। এসময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয় জসিমের কন্যাশিশু হুজাইফা আফনান। সে মারা গেছে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেখা দেয়, স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে রাখে।
পরে অবশ্য জানা যায় আফনান বেঁচে আছে। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার সাথে থাকা চাচা মোহাম্মদ শওকত জানান গুলিবিদ্ধ শিশুটির সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে বলেন,,তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে অবস্থা সংকটাপন্ন।
আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা সশস্ত্রগোষ্ঠীর মাঝে গুলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন এক আরসা ও নবী হোছাইন বাহিনীর সদস্যসহ ৩জন গুলিবিদ্ধ হয়।
এ ঘটনার পর পরই সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সায়েম সিকদার বলেন, এ সংঘাত মিয়ানমারের হলে এপারের বাসিন্দারা পড়েছে এবং নিরাপত্তার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ জানান,এখন পর্যন্ত ৫৩ জন আটক আছে এছাড়া সীমান্ত ও সীমান্তের বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় বিজিবি কাজ করছে বলে তিনি জানান।
স্থানীয়দের নিরাপত্তার প্রশ্নে সীমান্তে সংঘাতে লিপ্ত সশস্ত্রগোষ্ঠীগুলোকে কঠোরহস্তে দমনের কথা বলছেন জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী ও জেলা জামায়াতের আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী। এসময় তাঁরা উত্তপ্ত পরিস্থিতি শান্ত করেন।
গত কয়েকদিন ধরে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের উপারে মিয়ানমারের বিদ্রোহীগোষ্ঠী আরাকান আর্মির সাথে রোহিঙ্গা সশস্ত্রগোষ্ঠী গুলোর সংঘর্ষ চলছে।
ধারণা করা হচ্ছে মিয়ানমারে জান্তা সরকার আরাকান আর্মির উপর আকাশপথে হামলা করছে। অসমর্থিত একটি সূত্র বলছে সীমান্তের ওপারে মংডুর কুমিরাখালীতে আরাকান আর্মির ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মিয়ানমারের রাখাইন প্রান্তে বাংলাদেশ লাগোয়া ২৭১ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে আরকান আর্মি।
নোমান অরুপ 















