ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোরে ফুল তুলতে যাওয়া বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা, অভিযুক্তের আত্মসমর্পণ বাংলা বছরের শেষদিন— চৈত্র সংক্রান্তি আজ তীব্র গরমেও পর্যটকের ঢল, নোনাজলে খুঁজছে স্বস্তি দুই খুন ভাবিয়ে তুলেছে খোদ পুলিশকে চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে খুন হলো চকরিয়ার কিশোর সাজিদ সাংগঠনিক গতি বাড়াতে এমজেএ কক্সবাজারের সভা, নতুন সদস্য আহ্বান ও উপ-কমিটি গঠন কুতুবদিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বরযাত্রীর গাড়ি, শিশুসহ ৪জন আহত নতুন গণমাধ্যম নিয়ে আসছেন সাকিব রামুতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জেরে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ টেকনাফ ও ইনানী থেকে সাগর পথে মালয়েশিয়া যাত্রা: আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি,উদ্ধার ৯, নিখোঁজ ২ শতাধিক সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না রোগীর সেবায় ২৪ ঘন্টা জরুরি বিভাগ সচল রাখতে হবে-এমপি কাজল ২ দিনের সফরে সোমবার কক্সবাজার আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির নতুন কমিটি: জুবাইর আহবায়ক, মিজান সদস্য

ভালো কিছু শুরুর আশা পঁচিশের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে আসা পর্যটকদের

বছরের শেষ দিনে সূর্যাস্ত অবলোকন করতে আসা পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদিনই সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলীতে দেখা যায় মানুষের উপচে পড়া ভীড়।

বিকাল ৫ টা ২৬ মিনিটের দিকে ২০২৫ সালের শেষ সূর্যকে বিদায় জানান দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো পর্যটক।  এসময় প্রকৃতির নান্দনিকতায় প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানোর পাশাপাশি ছবি তুলে স্মৃতি সংরক্ষণ করেছেন অনেকেই।

রাজশাহী থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা এক পর্যটক জানান ‘ দেখতে দেখতে আরো একটি বছর চলে গেলো, নতুন বছর দেশের মঙ্গল বয়ে আনুক। প্রিয় জায়গা কক্সবাজারে এসে পরিবার সহ  ২০২৫ কে বিদায় দিলাম, সূর্যাস্ত উপভোগ করে ভালোই লেগেছে।’

গত কয়েক বছর ধরে থার্টি ফার্স্ট উপলক্ষে কক্সবাজার সৈকতে বড় পরিসরের আয়োজন হচ্ছেনা। এছাড়াও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়  শোক থাকায় তারকামানের হোটেলগুলো সহ আভ্যন্তরীণ অনেক বিশেষ আয়োজন বাতিল করা হয়েছে।

শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, গেস্টহাউস ও কটেজের প্রায় অধিকাংশই এখন  পর্যটকে ভরপুর। বড়দিন, টানা ছুটি ও বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে চলতি সপ্তাহে অন্তত ছয় লক্ষাধিক পর্যটক কক্সবাজার এসেছেন বলে ধারণা পর্যটন ব্যবসা সংশ্লিষ্টদের।

কক্সবাজার হোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘  সৈকত ও উন্মুক্ত স্থানে কোনো আয়োজন না থাকলেও বর্ষবরণকে ঘিরে পর্যটকের আগমন থেমে নেই,মৌসুমের শুরুর দিকে পর্যটক কম ছিলো কিন্তু এই সময়ে এসে আশানুরূপ পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।’

থার্টি-ফাস্ট নাইটকে ঘিরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে ৭ টি বিধিনিষেধ।

সমুদ্রসৈকতে আতশবাজি ও পটকা বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উন্মুক্ত স্থানে কিংবা রাস্তায় কোনো কনসার্ট, নাচ-গানের অনুষ্ঠান করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বার ও মদের দোকানে বেচাকেনা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস বলেন, ‘ পর্যটকদের ভ্রমণ নির্বিঘ্নের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন কাজ করছে, বিধি-নিষেধ মানা হচ্ছে কিনা তা কঠোরভাবে নজরদারি করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভালো কিছু শুরুর আশা পঁচিশের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে আসা পর্যটকদের

আপডেট সময় : ১০:২৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বছরের শেষ দিনে সূর্যাস্ত অবলোকন করতে আসা পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদিনই সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলীতে দেখা যায় মানুষের উপচে পড়া ভীড়।

বিকাল ৫ টা ২৬ মিনিটের দিকে ২০২৫ সালের শেষ সূর্যকে বিদায় জানান দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো পর্যটক।  এসময় প্রকৃতির নান্দনিকতায় প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটানোর পাশাপাশি ছবি তুলে স্মৃতি সংরক্ষণ করেছেন অনেকেই।

রাজশাহী থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা এক পর্যটক জানান ‘ দেখতে দেখতে আরো একটি বছর চলে গেলো, নতুন বছর দেশের মঙ্গল বয়ে আনুক। প্রিয় জায়গা কক্সবাজারে এসে পরিবার সহ  ২০২৫ কে বিদায় দিলাম, সূর্যাস্ত উপভোগ করে ভালোই লেগেছে।’

গত কয়েক বছর ধরে থার্টি ফার্স্ট উপলক্ষে কক্সবাজার সৈকতে বড় পরিসরের আয়োজন হচ্ছেনা। এছাড়াও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়  শোক থাকায় তারকামানের হোটেলগুলো সহ আভ্যন্তরীণ অনেক বিশেষ আয়োজন বাতিল করা হয়েছে।

শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, গেস্টহাউস ও কটেজের প্রায় অধিকাংশই এখন  পর্যটকে ভরপুর। বড়দিন, টানা ছুটি ও বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে চলতি সপ্তাহে অন্তত ছয় লক্ষাধিক পর্যটক কক্সবাজার এসেছেন বলে ধারণা পর্যটন ব্যবসা সংশ্লিষ্টদের।

কক্সবাজার হোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘  সৈকত ও উন্মুক্ত স্থানে কোনো আয়োজন না থাকলেও বর্ষবরণকে ঘিরে পর্যটকের আগমন থেমে নেই,মৌসুমের শুরুর দিকে পর্যটক কম ছিলো কিন্তু এই সময়ে এসে আশানুরূপ পর্যটক ভ্রমণ করেছেন।’

থার্টি-ফাস্ট নাইটকে ঘিরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে ৭ টি বিধিনিষেধ।

সমুদ্রসৈকতে আতশবাজি ও পটকা বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উন্মুক্ত স্থানে কিংবা রাস্তায় কোনো কনসার্ট, নাচ-গানের অনুষ্ঠান করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বার ও মদের দোকানে বেচাকেনা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস বলেন, ‘ পর্যটকদের ভ্রমণ নির্বিঘ্নের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন কাজ করছে, বিধি-নিষেধ মানা হচ্ছে কিনা তা কঠোরভাবে নজরদারি করা হচ্ছে।