ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে ৪ মাসব্যাপী বিআরটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু, অংশ নিচ্ছেন ১০০ জন জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয় টেকনাফে যুবক গুলিবিদ্ধ টেকনাফে কিশোর অপহরণ, ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি কক্সবাজার চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হ্নীলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর/ অবশেষে জেটি ও টার্মিনালসহ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ হত্যাচেষ্টা মামলায় হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন: ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নির্দেশ ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করলো সৈকত খেলাঘর আসর নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ মিললো গর্তে কক্সবাজারে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল:গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বিএনপিকে জনগণ নোট অব ডিসেন্ট দেবে খেলাঘরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝিনুকমালার নানান আয়োজন 

বড়দিনের ছুটিতে উৎসবের নগরী কক্সবাজার

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটির দিনে কক্সবাজারে রেকর্ড পরিমাণ পর্যটকের সমাগম হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই শহর জুড়ে দেখা মিলেছে লাখো মানুষের উপস্থিতি।

সৈকতের বালুকাবেলায় আগত পর্যটকেরা মেতে আছেন অবকাশযাপনে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করার পাশাপাশি বন্ধু-বান্ধব পরিবার-পরিজন নিয়ে সমুদ্র শহরে তারা অতিবাহিত করছেন আনন্দমুখর সময়।

রাজধানীর মিরপুর থেকে বেড়াতে এসেছেন আরিফুল হুদা। তিনি বলেন, ‘ কক্সবাজার প্রিয় জায়গা, সুযোগ পেলেই চলে আসি। আজকে এসেছি পরিবার নিয়ে, সমুদ্র আমাকে মুগ্ধ করে।শীতের সময়ে এখানকার পরিবেশটা অন্যরকম ভালো লাগে।’

আনন্দ উল্লাসের মাঝেও আছে ভোগান্তি, বাড়তি খরচ এবং সৈকত এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর উৎপাতসহ কিছু দৃশ্যমান অব্যবস্থাপনা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্ভোগের কারণ। সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ী শামসুল আলম জানালেন, ‘ এখানে সবকিছুর দাম বেশি, অটোচালকরা অল্প দূরত্বেও অনেক বেশি টাকা দাবী করে বসেন৷ খাবারের উচ্চ দাম। এসব নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের যথাযথ তদারকি করা উচিত।’

বড়দিন উপলক্ষে শহরের অভিজাত হোটেলগুলোতে থাকছে নানা আয়োজন, উৎসবের আমেজ তৈরি করতে যেগুলো বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলের সব কক্ষই বুকিং হয়ে আছে, এই মৌসুমে শত কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা দেখছেন পর্যটক সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘ ২৭ তারিখ (শনিবার) পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিনের ছুটি আছে এছাড়াও ৩১ তারিখ বছর শেষ হতে চলেছে। মাসের শেষ সময়ে প্রচুর পর্যটক আসছেন, সব মিলিয়ে পর্যটন ব্যবসায় শত কোটি টাকার বাণিজ্য ছাড়িয়ে যাবে যেহেতু সমাগম বেশি।’

পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি হয়রানি প্রতিরোধে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রেখেছে টুরিস্ট পুলিশ।

সংস্থাটির কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, ‘ আমাদের প্রথম এবং মুখ্য কাজ হচ্ছে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সে লক্ষ্যে নিয়মিত তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে টুরিস্ট পুলিশ। পর্যটক হয়রানি দমনে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। ‘

পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত হেল্পলাইন- ০১৩২০১৬০০০০ নাম্বারে যোগাযোগ করলে টুরিস্ট পুলিশের সহায়তা পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে ৪ মাসব্যাপী বিআরটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু, অংশ নিচ্ছেন ১০০ জন

বড়দিনের ছুটিতে উৎসবের নগরী কক্সবাজার

আপডেট সময় : ০১:৫২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটির দিনে কক্সবাজারে রেকর্ড পরিমাণ পর্যটকের সমাগম হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই শহর জুড়ে দেখা মিলেছে লাখো মানুষের উপস্থিতি।

সৈকতের বালুকাবেলায় আগত পর্যটকেরা মেতে আছেন অবকাশযাপনে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করার পাশাপাশি বন্ধু-বান্ধব পরিবার-পরিজন নিয়ে সমুদ্র শহরে তারা অতিবাহিত করছেন আনন্দমুখর সময়।

রাজধানীর মিরপুর থেকে বেড়াতে এসেছেন আরিফুল হুদা। তিনি বলেন, ‘ কক্সবাজার প্রিয় জায়গা, সুযোগ পেলেই চলে আসি। আজকে এসেছি পরিবার নিয়ে, সমুদ্র আমাকে মুগ্ধ করে।শীতের সময়ে এখানকার পরিবেশটা অন্যরকম ভালো লাগে।’

আনন্দ উল্লাসের মাঝেও আছে ভোগান্তি, বাড়তি খরচ এবং সৈকত এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর উৎপাতসহ কিছু দৃশ্যমান অব্যবস্থাপনা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্ভোগের কারণ। সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ী শামসুল আলম জানালেন, ‘ এখানে সবকিছুর দাম বেশি, অটোচালকরা অল্প দূরত্বেও অনেক বেশি টাকা দাবী করে বসেন৷ খাবারের উচ্চ দাম। এসব নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের যথাযথ তদারকি করা উচিত।’

বড়দিন উপলক্ষে শহরের অভিজাত হোটেলগুলোতে থাকছে নানা আয়োজন, উৎসবের আমেজ তৈরি করতে যেগুলো বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলের সব কক্ষই বুকিং হয়ে আছে, এই মৌসুমে শত কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা দেখছেন পর্যটক সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘ ২৭ তারিখ (শনিবার) পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিনের ছুটি আছে এছাড়াও ৩১ তারিখ বছর শেষ হতে চলেছে। মাসের শেষ সময়ে প্রচুর পর্যটক আসছেন, সব মিলিয়ে পর্যটন ব্যবসায় শত কোটি টাকার বাণিজ্য ছাড়িয়ে যাবে যেহেতু সমাগম বেশি।’

পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি হয়রানি প্রতিরোধে নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রেখেছে টুরিস্ট পুলিশ।

সংস্থাটির কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, ‘ আমাদের প্রথম এবং মুখ্য কাজ হচ্ছে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সে লক্ষ্যে নিয়মিত তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে টুরিস্ট পুলিশ। পর্যটক হয়রানি দমনে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। ‘

পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত হেল্পলাইন- ০১৩২০১৬০০০০ নাম্বারে যোগাযোগ করলে টুরিস্ট পুলিশের সহায়তা পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।