ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যার রায় : ১ মাসের মধ্যে ফাঁসি কার্যকর চায় পরিবার আপত্তিকর ভিডিও প্রচারের অভিযোগে কক্সবাজার সিটি কলেজের শিক্ষার্থী বহিষ্কার জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী মেসিকে কি লাল কার্ড দেওয়া উচিত ছিল শিশু আয়াত হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদন্ড সংসদে বাংলা-ইংরেজি মিলিয়ে ভুল ইংরেজিতে নারী এমপির বক্তব্য আলোচিত সেই শিশুধর্ষণ মামলার রায় আজ পেকুয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই লবণ শ্রমিকের বসতঘর, ক্ষতি ৫ লাখ টাকার কম্বোডিয়ায় সাইবার প্রতারণার জাল: চার দিনে ফিরলেন ২২১ বাংলাদেশি হ্যাটট্রিক-রেকর্ড- ইতিহাস; আবেগে ভেজা চোখ- স্বপ্নের মত শুরু আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রা আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে সর্বকনিষ্ঠ ও সবচেয়ে বেশি বয়সে গোলের রেকর্ড এখন মেসির মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু আর্জেন্টিনার মাতারবাড়িতে জ্বিন তাড়ানোর নামে শরীরে আগুন, ৪ দিন পর বৃদ্ধের মৃত্যু অটোরিক্সাকে বাঁচাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দূর্ঘটনার শিকার যাত্রীবাহী বাস ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার ইয়াবাসহ মরিচ্যায় ২ পাচারকারী আটক

নিখোঁজের ৫ দিন পর পাহাড়ের ঢালুতে মিলল শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুলে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর উর্মি আক্তার (৯) নামের এক শিশুকন্যার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটির হাত, পা ও চুল বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হামজার ডেইল কদমতলী এলাকায় পাহাড়ের ঢালু থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত উর্মি আক্তার ওই এলাকার আব্দুর রশিদ ও রাশেদা আক্তারের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে সকালে বাড়ি থেকে ফুল কুড়াতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় উর্মি। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে ৪ মে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। যার নম্বর-২৯৪।

এরপর পরিবার ও পুলিশ যৌথভাবে বিভিন্ন স্থানে শিশুটিকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা নুরুল ইসলামের বসতবাড়ির পেছনের দক্ষিণ পাশের পাহাড়ি ঢালু এলাকায় দুর্গন্ধ পেয়ে সেখানে গিয়ে অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন জানিয়েছেন, মরদেহটির হাত, পা ও চুল ছিল না এবং শরীরের বেশিরভাগ অংশ পচে গিয়েছিল। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অনেকে এটিকে রহস্যজনক ও নৃশংস ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

ওসি মো. ছমিউদ্দিন নিশ্চিত করেছেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যার রায় : ১ মাসের মধ্যে ফাঁসি কার্যকর চায় পরিবার

নিখোঁজের ৫ দিন পর পাহাড়ের ঢালুতে মিলল শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ

আপডেট সময় : ১১:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুলে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর উর্মি আক্তার (৯) নামের এক শিশুকন্যার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটির হাত, পা ও চুল বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হামজার ডেইল কদমতলী এলাকায় পাহাড়ের ঢালু থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত উর্মি আক্তার ওই এলাকার আব্দুর রশিদ ও রাশেদা আক্তারের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে সকালে বাড়ি থেকে ফুল কুড়াতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় উর্মি। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পরও তাকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে ৪ মে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। যার নম্বর-২৯৪।

এরপর পরিবার ও পুলিশ যৌথভাবে বিভিন্ন স্থানে শিশুটিকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা নুরুল ইসলামের বসতবাড়ির পেছনের দক্ষিণ পাশের পাহাড়ি ঢালু এলাকায় দুর্গন্ধ পেয়ে সেখানে গিয়ে অর্ধগলিত একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন জানিয়েছেন, মরদেহটির হাত, পা ও চুল ছিল না এবং শরীরের বেশিরভাগ অংশ পচে গিয়েছিল। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অনেকে এটিকে রহস্যজনক ও নৃশংস ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

ওসি মো. ছমিউদ্দিন নিশ্চিত করেছেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।