ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার অঞ্চলের ডিআইজি আপেল মাহমুদ ও জিনিয়া নামের এক নারীকে জড়িয়ে চাঞ্চল্যকর বক্তব্য দিয়েছেন আলোচিত ও বিতর্কিত টিকটকার লাইলা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি এই বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি সেখানে বলেন, ডিআইজি আপেল তাকে কলাতলীর একটি হোটেলে মদের আসরে নিয়ে যেতেন এবং প্রকাশ যোগ্য নয় এমন আচরণ করতেন। এ কাজে তাকে নিয়ে যেতো জিনিয়া এবং তার প্রাক্তন স্বামী সৈকত।
ভিডিওটি প্রচারের পরপরই তা নেট দুনিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
প্রকাশিত ভিডিওতে লাইলা দাবি করেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি আপেল মাহমুদ ও জিনিয়াকে ঘিরে চলমান বিভিন্ন আলোচনায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি তার বক্তব্যের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করছেন বলে জানান। তবে ভিডিওতে উত্থাপিত অভিযোগ বা দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ বা বিস্তারিত সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
লাইলার এই ভিডিও প্রকাশের পর নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন তার প্রাক্তন স্বামী রাকিবুল ইসলাম সৈকত। তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন। সৈকত তার পোস্টে লিখেন,”আপেল মাহমুদ কে সরানোর জন্য অবশেষে সাংবাদিক রা একটা চরিত্রহীন ভাড়া করলো”
সৈকতের এই মন্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে নতুন করে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ এই মন্তব্যকে কুরুচিপূর্ণ বললেও অন্য অংশ ঘটনার নেপথ্যে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
এই স্পর্শকাতর বিষয়ে জানতে ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি আপেল মাহমুদের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে তাঁর ফেসবুক আইডিতে রাতে দেয়া একটি ভিডিও বক্তব্য পাওয়া যায়, যেখানে তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যে ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবী করেন। একই সাথে ভিডিওতে উল্লেখিত জিনিয়া নামের নারীর পরিচয় স্পষ্ট করে বলা হয়নি। অবশ্য অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনসিপি নেত্রী জিনিয়া শারমিন রিয়ার ছবি দিয়ে সমালোচনা করছেন।
এ ঘটনায় কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 














