ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাহাড় কর্তনকারী ও বন্যায় স্লুইসগেট বন্ধের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বিশ্বে ফার্মের মুরগি উৎপাদনে বাংলাদেশ কততম, শীর্ষে কারা? সড়ক দুর্ঘটনায় সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ক্যথিং এবং সাবেক এমপি এথিন রাখাইন আহত পদার্থবিজ্ঞানের ৬ ও ৭ দুটি প্রশ্নের পুরো নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পদার্থবিজ্ঞানের ৬ ও ৭ দুটি প্রশ্নের পুরো নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকায় পরীক্ষা নেওয়ায় বিক্ষোভ, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংবিধানে গণভোটের বিধান না থাকলে ২০২৬ সালে নির্বাচনও নেই: শফিকুর রহমান কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড়ধসের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম, পুনর্বাসনের আশ্বাস জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটিকে স্বাগত, আশাবাদী রোহিঙ্গারা বৃহত্তর গর্জনিয়ায় বানভাসীদের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ত্রাণ বিতরণ করলেন ডিসি ও ইউএনও ভেসে গেছে ৩ হাজার ৯১৮ পুকুর-ঘেরের মাছ, ক্ষতি ৪৬ কোটি টাকা কক্সবাজারে পানিবাহিত রোগ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কতা “বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত, তাই মানুষের প্রতি দায় আছে”- কক্সবাজারে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার: টেন্ডার সিন্ডিকেটের কেন্দ্রে ‘রয়েল নাসির’

টেকনাফে ৫০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার প্রায় ৫০ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেয়া তথ্য মতে, এতে করে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী।

এর মধ্যে হোয়াইক্যং ইউনিয়নে ৮টি গ্রাম, হ্নীলা ইউনিয়নে ১২টি গ্রাম, টেকনাফ পৌরসভার ৭টি গ্রাম, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৬টি গ্রাম, সাবরাং ইউনিয়নে ৭টি গ্রাম, বাহারছড়া ইউনিয়নে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার তথ্য এসেছে আমাদের হাতে।

আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহেসান উদ্দিন বলেন , ”ভারী বর্ষণের ফলে বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।”

হ্নীলা ইউনিয়নের ১২ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী। তিনি জানান, চার হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। গ্রামগুলোর চলাচলের রাস্তাও পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়া, নতুন পাল্লান পাড়া, তুলাতুলি, লেঙ্গুরবিল, খোনকারপাড়া, মাঠপাড়া ও রাজারছড়া, জাহাঁলিয়া পাড়াসহ মোট ৬ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে জানান সেখানকার চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান।

এছাড়াও সাবরাং ইউনিয়নের ১০ টি গ্রাম এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৮ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর দিয়েছেন স্থানীয়রা। পানিবন্দি হয়েছে টেকনাফ পৌর এলাকার বেশ কয়েকটি এলাকাও।

এদিকে ভারী বৃষ্টি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস জানিয়ে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারি আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, গত ৪ দিন থেকে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর মধ্যে রোববার সকাল ৬ টা থেকে সোমবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় মোট বৃষ্টিপাতের পরিমান ১৪৬ মিলিমিটার। সকাল ৬ টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত আরও ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাহাড় কর্তনকারী ও বন্যায় স্লুইসগেট বন্ধের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে-প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম

টেকনাফে ৫০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী

আপডেট সময় : ০৬:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার প্রায় ৫০ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেয়া তথ্য মতে, এতে করে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখন পানিবন্দী।

এর মধ্যে হোয়াইক্যং ইউনিয়নে ৮টি গ্রাম, হ্নীলা ইউনিয়নে ১২টি গ্রাম, টেকনাফ পৌরসভার ৭টি গ্রাম, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৬টি গ্রাম, সাবরাং ইউনিয়নে ৭টি গ্রাম, বাহারছড়া ইউনিয়নে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার তথ্য এসেছে আমাদের হাতে।

আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার কথা জানিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহেসান উদ্দিন বলেন , ”ভারী বর্ষণের ফলে বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।”

হ্নীলা ইউনিয়নের ১২ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী। তিনি জানান, চার হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। গ্রামগুলোর চলাচলের রাস্তাও পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়া, নতুন পাল্লান পাড়া, তুলাতুলি, লেঙ্গুরবিল, খোনকারপাড়া, মাঠপাড়া ও রাজারছড়া, জাহাঁলিয়া পাড়াসহ মোট ৬ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে জানান সেখানকার চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান।

এছাড়াও সাবরাং ইউনিয়নের ১০ টি গ্রাম এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৮ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর দিয়েছেন স্থানীয়রা। পানিবন্দি হয়েছে টেকনাফ পৌর এলাকার বেশ কয়েকটি এলাকাও।

এদিকে ভারী বৃষ্টি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস জানিয়ে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারি আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, গত ৪ দিন থেকে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর মধ্যে রোববার সকাল ৬ টা থেকে সোমবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় মোট বৃষ্টিপাতের পরিমান ১৪৬ মিলিমিটার। সকাল ৬ টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত আরও ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।