ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাকে করে পাচারের জন্য যাচ্ছিলো ১৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার, ইউএনওর অভিযানে জব্দ খুরুশকুল নতুন ব্রীজ এলাকা থেকে দেশী অস্ত্রসহ ৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতারl আজিম মেম্বার এখন পেকুয়ার বিএনপির সুসময়ের বন্ধু! লামায় জব্দ করা ৮ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট বালুর নিলাম : সরকারি কোষাগারে জমা ২০ লাখ ২২ হাজার টাকা বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন : সভাপতি-সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে ১০ প্রার্থীর লড়াই সিটি কর্পোরেশন হলে কক্সবাজার সদর উপজেলা থাকবে না উখিয়ায় নিখোঁজের ২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার ৭ বছর বয়সী পূর্ণ বড়ুয়া, পরিবারের কাছে হস্তান্তর উখিয়ায় মানসিক রোগী তিন সন্তানের জননী নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার রামুতে ​মা ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় শেফা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা ১৫টি জেলে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো নতুন নৌকা কক্সবাজার সিটি কলেজ এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় মুবিন আটক রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিকতার সঙ্গে নিরাপত্তার ভারসাম্য জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে পানিতে পড়ে নিখোঁজ, ১৮ ঘণ্টা পর শামীমের মরদেহ উদ্ধার সাভারে পুলিশের এসআইকে পিটিয়ে হত্যা

জেলার তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি: শীতের প্রভাব নিয়ে যা বলছে হাওয়া দপ্তর

  • আফজারা রিয়া:
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • 726

পৌষের তৃতীয় সপ্তাহে এসে শীতের চাদরে আরও শক্ত করে জড়িয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। ভোরের কুয়াশা, হিমেল বাতাস আর শান্ত নীল সমুদ্র—সব মিলিয়ে প্রকৃতির রূপে স্পষ্ট শীতের উপস্থিতি। সকাল ও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে উপকূলজুড়ে।

হাওয়া দপ্তর বলছে,চলতি শীতের এই স্পেলে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তবে গড় তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির আশপাশেই।

কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন,জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি থেকে কমার সম্ভাবনা নেই।

শীত বেশি বা কম অনুভূত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন,“শীত শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না, এটি অনেকটাই ভূপৃষ্ঠের তাপের ওপর নির্ভরশীল। ভূপৃষ্ঠ যদি উত্তপ্ত না হয়, তাহলে শীত বেশি অনুভূত হয়।

উদাহরণ উল্লেখ করে মি. হান্নান বলেন,”তাপমাত্রা যদি ১৪ ডিগ্রি থাকে, সে ক্ষেত্রে অনুভূত তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।”

তিনি আরও জানান, উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় কক্সবাজারে শীত সাধারণত সহনীয় থাকলেও শীতের স্পেল দীর্ঘ হলে ঠান্ডার অনুভূতি বেড়ে যায়। যদি তাপমাত্রা কম থাকে তবে রোদের উপস্থিতি বেশী থাকে তবে ঠান্ডা কম লাগে আর তাপমাত্রা বেশী হলেও যদি রোদের উপস্থিতি কম থাকে তবে ঠান্ডা বেশী অনুভূত হয়।

জেলার তাপামাত্রার পরিসংখ্যান তুলে ধরে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা রেকর্ড হয় প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০১৩ সালে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পৌষের শেষ ভাগ পর্যন্ত কক্সবাজারে শীতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সকাল ও রাতের সময় শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা নেই বলে তিনি জানান।

এদিকে ১৪ ডিক্রিতেই শীতে জবুথবু হয়ে পড়ছে কক্সবাজারের মানুষ। তখন দেশের উত্তরাঞ্চলের কোনো কোনো জায়গায় তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রিতে নামছে। সেখানকার জনজিবন কতোটা বিপর্যস্ত তা সহজেই অনুমেয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাকে করে পাচারের জন্য যাচ্ছিলো ১৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার, ইউএনওর অভিযানে জব্দ

জেলার তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি: শীতের প্রভাব নিয়ে যা বলছে হাওয়া দপ্তর

আপডেট সময় : ০৬:১১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

পৌষের তৃতীয় সপ্তাহে এসে শীতের চাদরে আরও শক্ত করে জড়িয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। ভোরের কুয়াশা, হিমেল বাতাস আর শান্ত নীল সমুদ্র—সব মিলিয়ে প্রকৃতির রূপে স্পষ্ট শীতের উপস্থিতি। সকাল ও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে উপকূলজুড়ে।

হাওয়া দপ্তর বলছে,চলতি শীতের এই স্পেলে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তবে গড় তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির আশপাশেই।

কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন,জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি থেকে কমার সম্ভাবনা নেই।

শীত বেশি বা কম অনুভূত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন,“শীত শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না, এটি অনেকটাই ভূপৃষ্ঠের তাপের ওপর নির্ভরশীল। ভূপৃষ্ঠ যদি উত্তপ্ত না হয়, তাহলে শীত বেশি অনুভূত হয়।

উদাহরণ উল্লেখ করে মি. হান্নান বলেন,”তাপমাত্রা যদি ১৪ ডিগ্রি থাকে, সে ক্ষেত্রে অনুভূত তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।”

তিনি আরও জানান, উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় কক্সবাজারে শীত সাধারণত সহনীয় থাকলেও শীতের স্পেল দীর্ঘ হলে ঠান্ডার অনুভূতি বেড়ে যায়। যদি তাপমাত্রা কম থাকে তবে রোদের উপস্থিতি বেশী থাকে তবে ঠান্ডা কম লাগে আর তাপমাত্রা বেশী হলেও যদি রোদের উপস্থিতি কম থাকে তবে ঠান্ডা বেশী অনুভূত হয়।

জেলার তাপামাত্রার পরিসংখ্যান তুলে ধরে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা রেকর্ড হয় প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০১৩ সালে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পৌষের শেষ ভাগ পর্যন্ত কক্সবাজারে শীতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সকাল ও রাতের সময় শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা নেই বলে তিনি জানান।

এদিকে ১৪ ডিক্রিতেই শীতে জবুথবু হয়ে পড়ছে কক্সবাজারের মানুষ। তখন দেশের উত্তরাঞ্চলের কোনো কোনো জায়গায় তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রিতে নামছে। সেখানকার জনজিবন কতোটা বিপর্যস্ত তা সহজেই অনুমেয়।