ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য, থাকছে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ প্রথমবারের মতো স্থানীয় ভিসি পেল সিবিআইইউ : দায়িত্ব নিলেন ড. মোকতার আহমেদ ২ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম কক্সবাজার বিমানবন্দর: সাগরে বসানো লাইট চুরির ঘটনা কীভাবে ঘটলো? রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি, প্রতিবাদে কক্সবাজারে ‘শতকণ্ঠে রবীন্দ্র-নজরুল’ হ্নীলার রঙ্গিখালী ও বাহারছড়ার বড় ডেইলে সেনা ক্যাম্প নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী খুঁটির উপর ভর করে আছে কালভার্ট, ঝুঁকিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো শামসুল হক ফাউন্ডেশন ব্যাংকে পড়ে আছে ১৭২ কোটি টাকা, জানেন না মালিক ও উত্তরাধিকারীরা! রামুতে সুপার শপে আগুন রামুতে সুপার শপে আগুন ঢাকা-কক্সবাজার রুট: মহানগর এক্সপ্রেসের টিকিট বিক্রি শুরু আজ কক্সবাজারে ৩২৪ মণ্ডপে দুর্গোৎসব শুরু, আজ মহাষষ্ঠী অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে? তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের

জেলার তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি: শীতের প্রভাব নিয়ে যা বলছে হাওয়া দপ্তর

  • আফজারা রিয়া:
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • 743

পৌষের তৃতীয় সপ্তাহে এসে শীতের চাদরে আরও শক্ত করে জড়িয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। ভোরের কুয়াশা, হিমেল বাতাস আর শান্ত নীল সমুদ্র—সব মিলিয়ে প্রকৃতির রূপে স্পষ্ট শীতের উপস্থিতি। সকাল ও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে উপকূলজুড়ে।

হাওয়া দপ্তর বলছে,চলতি শীতের এই স্পেলে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তবে গড় তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির আশপাশেই।

কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন,জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি থেকে কমার সম্ভাবনা নেই।

শীত বেশি বা কম অনুভূত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন,“শীত শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না, এটি অনেকটাই ভূপৃষ্ঠের তাপের ওপর নির্ভরশীল। ভূপৃষ্ঠ যদি উত্তপ্ত না হয়, তাহলে শীত বেশি অনুভূত হয়।

উদাহরণ উল্লেখ করে মি. হান্নান বলেন,”তাপমাত্রা যদি ১৪ ডিগ্রি থাকে, সে ক্ষেত্রে অনুভূত তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।”

তিনি আরও জানান, উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় কক্সবাজারে শীত সাধারণত সহনীয় থাকলেও শীতের স্পেল দীর্ঘ হলে ঠান্ডার অনুভূতি বেড়ে যায়। যদি তাপমাত্রা কম থাকে তবে রোদের উপস্থিতি বেশী থাকে তবে ঠান্ডা কম লাগে আর তাপমাত্রা বেশী হলেও যদি রোদের উপস্থিতি কম থাকে তবে ঠান্ডা বেশী অনুভূত হয়।

জেলার তাপামাত্রার পরিসংখ্যান তুলে ধরে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা রেকর্ড হয় প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০১৩ সালে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পৌষের শেষ ভাগ পর্যন্ত কক্সবাজারে শীতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সকাল ও রাতের সময় শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা নেই বলে তিনি জানান।

এদিকে ১৪ ডিক্রিতেই শীতে জবুথবু হয়ে পড়ছে কক্সবাজারের মানুষ। তখন দেশের উত্তরাঞ্চলের কোনো কোনো জায়গায় তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রিতে নামছে। সেখানকার জনজিবন কতোটা বিপর্যস্ত তা সহজেই অনুমেয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য, থাকছে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’

জেলার তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি: শীতের প্রভাব নিয়ে যা বলছে হাওয়া দপ্তর

আপডেট সময় : ০৬:১১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

পৌষের তৃতীয় সপ্তাহে এসে শীতের চাদরে আরও শক্ত করে জড়িয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। ভোরের কুয়াশা, হিমেল বাতাস আর শান্ত নীল সমুদ্র—সব মিলিয়ে প্রকৃতির রূপে স্পষ্ট শীতের উপস্থিতি। সকাল ও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে উপকূলজুড়ে।

হাওয়া দপ্তর বলছে,চলতি শীতের এই স্পেলে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তবে গড় তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির আশপাশেই।

কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন,জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি থেকে কমার সম্ভাবনা নেই।

শীত বেশি বা কম অনুভূত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন,“শীত শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না, এটি অনেকটাই ভূপৃষ্ঠের তাপের ওপর নির্ভরশীল। ভূপৃষ্ঠ যদি উত্তপ্ত না হয়, তাহলে শীত বেশি অনুভূত হয়।

উদাহরণ উল্লেখ করে মি. হান্নান বলেন,”তাপমাত্রা যদি ১৪ ডিগ্রি থাকে, সে ক্ষেত্রে অনুভূত তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।”

তিনি আরও জানান, উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় কক্সবাজারে শীত সাধারণত সহনীয় থাকলেও শীতের স্পেল দীর্ঘ হলে ঠান্ডার অনুভূতি বেড়ে যায়। যদি তাপমাত্রা কম থাকে তবে রোদের উপস্থিতি বেশী থাকে তবে ঠান্ডা কম লাগে আর তাপমাত্রা বেশী হলেও যদি রোদের উপস্থিতি কম থাকে তবে ঠান্ডা বেশী অনুভূত হয়।

জেলার তাপামাত্রার পরিসংখ্যান তুলে ধরে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা রেকর্ড হয় প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০১৩ সালে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পৌষের শেষ ভাগ পর্যন্ত কক্সবাজারে শীতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সকাল ও রাতের সময় শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা নেই বলে তিনি জানান।

এদিকে ১৪ ডিক্রিতেই শীতে জবুথবু হয়ে পড়ছে কক্সবাজারের মানুষ। তখন দেশের উত্তরাঞ্চলের কোনো কোনো জায়গায় তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রিতে নামছে। সেখানকার জনজিবন কতোটা বিপর্যস্ত তা সহজেই অনুমেয়।