ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্লট দখল নিয়ে প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে সাংবাদিক ছফওয়ানের বিবৃতি, আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারি লোহাগাড়ায় ভোররাতে ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৮ লাখ টাকার স্বর্ণ-টাকা ও মালামাল লুট গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন মুহিববুল্লাহ সৌদিয়া হোটেল থেকে হানিফ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার ‘সৌরবিদ্যুতে চার্জ না দিলে মিলবে না ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন’ তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত : দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে, জানে না বাংলাদেশ: চিফ প্রসিকিউটর বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, ৪ বিভাগে ভারি বর্ষণের আভাস ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চালু হচ্ছে ৭ শতাধিক এআই ক্যামেরা হ্নীলার নুরুল হুদা মেম্বারের সাড়ে তিন বছর কারাদণ্ড : ৫ কোটি ৩৬ লাখ ৮২ হাজার টাকার অর্থদণ্ড শহরে বন্দুকসহ গ্রেফতার ২ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী ও সন্তানকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বামী ঢাকায় গ্রেফতার নতুন বাহারছড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইস্কান্দার মির্জা আর নেই শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানো হবে কি না, ঠিক করবে ভারতের আদালত: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ব্লু ইকোনমির রাজধানী হবে কক্সবাজার – এমপি লুৎফুর রহমান কাজল

জেলার তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি: শীতের প্রভাব নিয়ে যা বলছে হাওয়া দপ্তর

  • আফজারা রিয়া:
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • 716

পৌষের তৃতীয় সপ্তাহে এসে শীতের চাদরে আরও শক্ত করে জড়িয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। ভোরের কুয়াশা, হিমেল বাতাস আর শান্ত নীল সমুদ্র—সব মিলিয়ে প্রকৃতির রূপে স্পষ্ট শীতের উপস্থিতি। সকাল ও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে উপকূলজুড়ে।

হাওয়া দপ্তর বলছে,চলতি শীতের এই স্পেলে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তবে গড় তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির আশপাশেই।

কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন,জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি থেকে কমার সম্ভাবনা নেই।

শীত বেশি বা কম অনুভূত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন,“শীত শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না, এটি অনেকটাই ভূপৃষ্ঠের তাপের ওপর নির্ভরশীল। ভূপৃষ্ঠ যদি উত্তপ্ত না হয়, তাহলে শীত বেশি অনুভূত হয়।

উদাহরণ উল্লেখ করে মি. হান্নান বলেন,”তাপমাত্রা যদি ১৪ ডিগ্রি থাকে, সে ক্ষেত্রে অনুভূত তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।”

তিনি আরও জানান, উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় কক্সবাজারে শীত সাধারণত সহনীয় থাকলেও শীতের স্পেল দীর্ঘ হলে ঠান্ডার অনুভূতি বেড়ে যায়। যদি তাপমাত্রা কম থাকে তবে রোদের উপস্থিতি বেশী থাকে তবে ঠান্ডা কম লাগে আর তাপমাত্রা বেশী হলেও যদি রোদের উপস্থিতি কম থাকে তবে ঠান্ডা বেশী অনুভূত হয়।

জেলার তাপামাত্রার পরিসংখ্যান তুলে ধরে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা রেকর্ড হয় প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০১৩ সালে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পৌষের শেষ ভাগ পর্যন্ত কক্সবাজারে শীতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সকাল ও রাতের সময় শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা নেই বলে তিনি জানান।

এদিকে ১৪ ডিক্রিতেই শীতে জবুথবু হয়ে পড়ছে কক্সবাজারের মানুষ। তখন দেশের উত্তরাঞ্চলের কোনো কোনো জায়গায় তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রিতে নামছে। সেখানকার জনজিবন কতোটা বিপর্যস্ত তা সহজেই অনুমেয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্লট দখল নিয়ে প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে সাংবাদিক ছফওয়ানের বিবৃতি, আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারি

জেলার তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি: শীতের প্রভাব নিয়ে যা বলছে হাওয়া দপ্তর

আপডেট সময় : ০৬:১১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

পৌষের তৃতীয় সপ্তাহে এসে শীতের চাদরে আরও শক্ত করে জড়িয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। ভোরের কুয়াশা, হিমেল বাতাস আর শান্ত নীল সমুদ্র—সব মিলিয়ে প্রকৃতির রূপে স্পষ্ট শীতের উপস্থিতি। সকাল ও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে উপকূলজুড়ে।

হাওয়া দপ্তর বলছে,চলতি শীতের এই স্পেলে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তবে গড় তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রির আশপাশেই।

কক্সবাজারের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন,জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি থেকে কমার সম্ভাবনা নেই।

শীত বেশি বা কম অনুভূত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে এই আবহাওয়াবিদ বলেন,“শীত শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না, এটি অনেকটাই ভূপৃষ্ঠের তাপের ওপর নির্ভরশীল। ভূপৃষ্ঠ যদি উত্তপ্ত না হয়, তাহলে শীত বেশি অনুভূত হয়।

উদাহরণ উল্লেখ করে মি. হান্নান বলেন,”তাপমাত্রা যদি ১৪ ডিগ্রি থাকে, সে ক্ষেত্রে অনুভূত তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।”

তিনি আরও জানান, উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় কক্সবাজারে শীত সাধারণত সহনীয় থাকলেও শীতের স্পেল দীর্ঘ হলে ঠান্ডার অনুভূতি বেড়ে যায়। যদি তাপমাত্রা কম থাকে তবে রোদের উপস্থিতি বেশী থাকে তবে ঠান্ডা কম লাগে আর তাপমাত্রা বেশী হলেও যদি রোদের উপস্থিতি কম থাকে তবে ঠান্ডা বেশী অনুভূত হয়।

জেলার তাপামাত্রার পরিসংখ্যান তুলে ধরে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা রেকর্ড হয় প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০১৩ সালে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পৌষের শেষ ভাগ পর্যন্ত কক্সবাজারে শীতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সকাল ও রাতের সময় শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা নেই বলে তিনি জানান।

এদিকে ১৪ ডিক্রিতেই শীতে জবুথবু হয়ে পড়ছে কক্সবাজারের মানুষ। তখন দেশের উত্তরাঞ্চলের কোনো কোনো জায়গায় তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রিতে নামছে। সেখানকার জনজিবন কতোটা বিপর্যস্ত তা সহজেই অনুমেয়।