ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে রহস্য,অতিরিক্ত মদ্যপানে বলে ধারণা স্থানীয়দের টেকনাফে আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল বশর ও নুরুল আলমের বাড়িতে পুলিশের অভিযান “বিজয় বয়ে এনেছিলে স্বাধীনতা তুমি” পর্যটন ব্যবসায়ী সোহেলকে নিয়ে অপপ্রচার : প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা ২৫ মার্চের অপারেশন সার্চলাইটে সেনাবাহিনীতে কর্মরত কক্সবাজারের দুই শহীদ শহীদ এটিএম জাফর : কালরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হওয়া কক্সবাজারের বীর সন্তান খোরশেদ হত্যাকান্ডের আসামী তারেক আটক, নিরাপদ তারিন কুতুপালং ক্যাম্পে বস্তাবন্দি রোহিঙ্গা শিশুর মরদেহ উদ্ধার ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা জুলাই যোদ্ধা খোরশেদের মরদেহ দেখতে হাসপাতালের মর্গে এমপি কাজল খুব শিগগির উপজেলা-পৌরসভায় নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সরকারের এক মাসের অর্জন তুলে ধরলেন:তথ্যমন্ত্রী সিনিয়র সহকারী সচিব হলেন ২৬৪ কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি’ নিয়ে বিশেষ সভা স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের জন্য আগামী ৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ তারিখ নির্ধারণ করেন। প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মঈনুল করিম। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, ২৭ জানুয়ারি এ মামলার যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের পর প্রসিকিউশনের পক্ষে জবাব দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। এরপর পাল্টা জবাব দেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

গত ২১ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে শেষ হয় ২৫ জানুয়ারি। তিন কার্যদিবসে যুক্তিতর্কে এ মামলার আদ্যোপান্ত তুলে ধরা হয়। এছাড়া বেরোবি ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সিসিটিভি ফুটেজ ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়, যা ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সময় ধারণ করা হয়েছিল। মামলার প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত এসব ভিডিওতে আসামিরা কে কোথায় ছিলেন এবং তাদের কার্যকলাপ শনাক্ত করে দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। একইসঙ্গে ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করা হয়।

গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের পক্ষে ২২ জুলাই স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে চারজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৩০ জুন। ২৪ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।

সূত্র:ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :

কক্সবাজারে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে রহস্য,অতিরিক্ত মদ্যপানে বলে ধারণা স্থানীয়দের

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল

আপডেট সময় : ১২:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের জন্য আগামী ৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ তারিখ নির্ধারণ করেন। প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এ মামলায় বেরোবির তৎকালীন ভিসি হাসিবুর রশীদসহ মোট আসামি ৩০ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেরোবির সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মঈনুল করিম। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, ২৭ জানুয়ারি এ মামলার যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের পর প্রসিকিউশনের পক্ষে জবাব দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। এরপর পাল্টা জবাব দেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

গত ২১ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে শেষ হয় ২৫ জানুয়ারি। তিন কার্যদিবসে যুক্তিতর্কে এ মামলার আদ্যোপান্ত তুলে ধরা হয়। এছাড়া বেরোবি ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সিসিটিভি ফুটেজ ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়, যা ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের সময় ধারণ করা হয়েছিল। মামলার প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত এসব ভিডিওতে আসামিরা কে কোথায় ছিলেন এবং তাদের কার্যকলাপ শনাক্ত করে দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। একইসঙ্গে ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করা হয়।

গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের পক্ষে ২২ জুলাই স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে চারজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৩০ জুন। ২৪ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।

সূত্র:ঢাকা পোস্ট