ঢাকা ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুই বিতর্কিত অভিযান / যেকারণে কক্সবাজারে অধিনায়কসহ ৩ শতাধিক র‍্যাব সদস্য বদলি জরুরি ফ্লাইটে তারেক রহমানের দেশে ‘ফেরার’ গুঞ্জন! ইয়াবা পৌঁছে দিলেই ৩০ হাজার টাকা!বিজিবির হাতে আটক চালক-সিএনজি জব্দ.. ছুটির দিনেই সমাগম , চলতি পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারে ভীড় কম টেকনাফের গোদারবিলে আগ্নেয়াস্ত্রসহ যুবক আটক খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় : মির্জা ফখরুল ‘আমাদের দেশে ভিন্নমত প্রকাশ করলে তাকে শত্রু হিসেবে দেখা হয়’ শহরে দেশীয় তৈরি এলজি ও কার্তুজসহ ৩ যুবক গ্রেফতার ক্ষমতায় এলে বিএনপিসহ সবাইকে নিয়েই দেশ পরিচালনা করবো : জামায়াত আমির ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ ভারতের দিকে এগোচ্ছে, বাংলাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া ‘বাংলাদেশে পাটভিত্তিক উৎপাদনে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী চীন’ প্রত্যর্পণ শুরু হবে সাজাপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে দিয়ে: প্রেস সচিব ‘যে যুবক বেড়ে উঠেছে আল্লাহর ইবাদতে’ চকরিয়ায় দু’র্ধ’র্ষ ডা কা তি / লুটের শি কা র ৪ সাংবাদিক ও ২ রাজনীতিবিদ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ কারিগর আটক

জাহান্নাম তাকে স্পর্শ করবে না, যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে

মুসলমানরা দুনিয়ার অভাব আর কষ্টে কাঁদতে পারে না। এটি তাদের জন্য শোভনীয়ও নয়। তারা চোখের পানি ফেলবে আল্লাহর ভয়ে, পরকালে শাস্তির ভয়ে। এটিই নবী-রাসুল ও সালফে সালেহিনদের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দনকারী মুমিনের জন্য রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি, হাশরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান ও সুখময় জান্নাতের প্রতিশ্রুতি।

অশ্রুসিক্ত চোখকে জাহান্নাম স্পর্শ করবে না। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, জাহান্নামের আগুন দুটি চোখকে স্পর্শ করবে না। ১. মহান আল্লাহর ভয়ে যে চোখ কাঁদে। ২. আল্লাহ তাআলার রাস্তায় যে চোখ (নিরাপত্তার জন্য) পাহারা দিয়ে নির্ঘুম রাত পার করে। (তিরমিজি: ১৬৩৯)

হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেন, দুটি ফোঁটা ও দুটি চিহ্নের চেয়ে বেশি প্রিয় আল্লাহ তাআলার কাছে আর কিছু নেই। আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে অশ্রুর ফোটা পড়ে, আল্লাহ তাআলার পথে (জিহাদে) যে রক্তের ফোটা নির্গত হয় এবং আল্লাহ তাআলার রাস্তায় (জিহাদে) যে চিহ্ন (ক্ষত) সৃষ্টি হয়, আল্লাহ তাআলার নির্ধারিত কোনো ফরজ আদায় করতে গিয়ে যে চিহ্ন সৃষ্টি হয় (যেমন কপালে সিজদার চিহ্ন)। (তিরমিজি: ১৬৬৯)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেছেন, ‘সাত ধরনের মানুষকে মহান আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া অন্যকোনো ছায়া থাকবে না। তার অন্যতম হলো- এমন ব্যক্তি যে আল্লাহকে নির্জনে স্মরণ করে আর তার চোখ দুটি অশ্রুসিক্ত হয়। [বুখারি: ৬৮০৬]

তাই মুমিনের উচিত নিজের মধ্যে আল্লাহভীতি জাগ্রত করা। আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে তাওবা-ইস্তেগফার করা। আমরা অনেকে মনে করি, আমরা পাপের সাগরে ডুবে গেছি, আল্লাহ আমাদের হয়তো ক্ষমা করবেন না; এসব ভুল ধারণা। তিনি দয়ার সাগর। বান্দার এক বিন্দু অনুশোচনার অশ্রু তিনি সহ্য করতে পারেন না। এক ফোঁটা অশ্রুর বিনিময়েই তিনি বান্দার জীবনের সকল গুনাহ ধুয়ে সাফ করে দিতে পারেন। জাহান্নামকে চিরতরে হারাম করে দিতে পারেন। তাই তো রাসুল (স.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে লোক কাঁদে, তার জাহান্নামে যাওয়া এরূপ অসম্ভব যেমন অসম্ভব দোহন করা দুধ আবার ওলানের মধ্যে ফিরে যাওয়া। আল্লাহ তাআলার পথের ধুলা এবং জাহান্নামের ধোঁয়া কখনো একত্র হবে না (আল্লাহ তাআলার পথের পথিক জাহান্নামে যাবে না)। [তিরমিজি: ১৬৩৩]

রাসুলুল্লাহ (স.) সাহাবিদের বেশি বেশি কান্না করার উপদেশ দিতেন। কায়েস বিন আবু হাজেম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আবদুল্লাহ বিন রাওয়াহা (রা.) স্ত্রীর কোলে মাথা রেখে হঠাৎ কাঁদতে লাগলেন, তার সাথে তার স্ত্রীও কাঁদতে লাগলেন। আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন কাঁদছ? স্ত্রী বললেন, তোমাকে কাঁদতে দেখে আমারও কান্না চলে এসেছে।

স্বামী বললেন, (আমার কান্নার কারণ হলো) আল্লাহর এ বাণীটি আমার স্মরণ হলো যে, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ এমন নেই, যে জাহান্নামের উপর দিয়ে অতিক্রম করবে না [মারইয়াম: ৭১] আর আমার জানা নেই যে, জাহান্নামের উপর স্থাপন করা পুলসিরাত অতিক্রম করার সময় আমি (দোজখ থেকে) রক্ষা পাব কি পাব না।’ [মুস্তাদরাকে হাকেম: ৮৭৮৬]

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি একবার দোজখের কথা স্মরণ করে কাঁদতে লাগলেন। রাসুলুল্লাহ (স.) বললেন, কে তোমাকে কাঁদাল? আয়েশা (রা.) বললেন, আমি দোজখের ভয়ে কাঁদছি। আপনি কি কেয়ামতের দিন আপনার পরিবারের কথা স্মরণ রাখবেন? রাসুলুল্লাহ (স.) বললেন, তিনটি স্থানে কেউ কাউকে স্মরণ রাখতে পারবে না—১. মিজানের (আমল পরিমাপক যন্ত্র) নিকট যতক্ষণ না জানতে পারবে যে, তার নেকির পাল্লা ভারী হয়েছে না হালকা, ২ আমলনামা পেশ করার সময়, যখন বলা হবে আসো তোমার আমলনামা পাঠ করো, যতক্ষণ না জানতে পারবে যে, তার আমলনামা ডান হাতে দেওয়া হচ্ছে না পিঠের পেছন থেকে বাম হাতে।৩. পুলসিরাতের উপর দিয়ে অতিক্রম করার সময় যখন তা জাহান্নামের উপর স্থাপন করা হবে।’ [আবু দাউদ: ৪৭২২]

আসলে একজন মুমিনের সেটাই উচিত। মহাপ্রতাপশালী আল্লাহ যেখানে বান্দাকে তার অবিরত গুনাহের জন্য মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারতেন, সেখানে করে যাচ্ছেন রহমত, দিয়ে যাচ্ছেন সুযোগ ও নানারকম সুবিধা; ভাবতেই তো মুমিনের চোখ দিয়ে পানি চলে আসার কথা।

আবু যর গিফারি (রা.) বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘..আল্লাহর শপথ! আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে তাহলে তোমরা খুব কম হাসতে, বেশি কাঁদতে এবং বিছানায় স্ত্রীদের উপভোগ করতে না, বাড়ী-ঘর ছেড়ে পথে-প্রান্তরে বেরিয়ে পড়তে এবং চিৎকার করে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে যে- আল্লাহর শপথ! হায়, আমি যদি একটি গাছ হতাম এবং তা কেটে ফেলা হত!’ [ইবনে মাজাহ: ৪১৯০; মেশকাত: ৫৩৪৭; সহিহাহ: ১৭২২]

অতএব আমাদের উচিত, মহান আল্লাহকে ভয় করা। তাঁরই কাছে কান্নাকাটি করে কৃত গুনাহর জন্য তওবা করা । যেকোনো সমস্যায়, দুশ্চিন্তায় মহান আল্লাহর সাহায্য চাওয়া। ইনশাআল্লাহ, এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ আমাদের সব পাপ ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেবেন। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুই বিতর্কিত অভিযান / যেকারণে কক্সবাজারে অধিনায়কসহ ৩ শতাধিক র‍্যাব সদস্য বদলি

This will close in 6 seconds

জাহান্নাম তাকে স্পর্শ করবে না, যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে

আপডেট সময় : ০২:১৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

মুসলমানরা দুনিয়ার অভাব আর কষ্টে কাঁদতে পারে না। এটি তাদের জন্য শোভনীয়ও নয়। তারা চোখের পানি ফেলবে আল্লাহর ভয়ে, পরকালে শাস্তির ভয়ে। এটিই নবী-রাসুল ও সালফে সালেহিনদের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দনকারী মুমিনের জন্য রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি, হাশরে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান ও সুখময় জান্নাতের প্রতিশ্রুতি।

অশ্রুসিক্ত চোখকে জাহান্নাম স্পর্শ করবে না। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আমি রাসুল (স.)-কে বলতে শুনেছি, জাহান্নামের আগুন দুটি চোখকে স্পর্শ করবে না। ১. মহান আল্লাহর ভয়ে যে চোখ কাঁদে। ২. আল্লাহ তাআলার রাস্তায় যে চোখ (নিরাপত্তার জন্য) পাহারা দিয়ে নির্ঘুম রাত পার করে। (তিরমিজি: ১৬৩৯)

হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেন, দুটি ফোঁটা ও দুটি চিহ্নের চেয়ে বেশি প্রিয় আল্লাহ তাআলার কাছে আর কিছু নেই। আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে অশ্রুর ফোটা পড়ে, আল্লাহ তাআলার পথে (জিহাদে) যে রক্তের ফোটা নির্গত হয় এবং আল্লাহ তাআলার রাস্তায় (জিহাদে) যে চিহ্ন (ক্ষত) সৃষ্টি হয়, আল্লাহ তাআলার নির্ধারিত কোনো ফরজ আদায় করতে গিয়ে যে চিহ্ন সৃষ্টি হয় (যেমন কপালে সিজদার চিহ্ন)। (তিরমিজি: ১৬৬৯)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেছেন, ‘সাত ধরনের মানুষকে মহান আল্লাহ কেয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া অন্যকোনো ছায়া থাকবে না। তার অন্যতম হলো- এমন ব্যক্তি যে আল্লাহকে নির্জনে স্মরণ করে আর তার চোখ দুটি অশ্রুসিক্ত হয়। [বুখারি: ৬৮০৬]

তাই মুমিনের উচিত নিজের মধ্যে আল্লাহভীতি জাগ্রত করা। আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে তাওবা-ইস্তেগফার করা। আমরা অনেকে মনে করি, আমরা পাপের সাগরে ডুবে গেছি, আল্লাহ আমাদের হয়তো ক্ষমা করবেন না; এসব ভুল ধারণা। তিনি দয়ার সাগর। বান্দার এক বিন্দু অনুশোচনার অশ্রু তিনি সহ্য করতে পারেন না। এক ফোঁটা অশ্রুর বিনিময়েই তিনি বান্দার জীবনের সকল গুনাহ ধুয়ে সাফ করে দিতে পারেন। জাহান্নামকে চিরতরে হারাম করে দিতে পারেন। তাই তো রাসুল (স.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে লোক কাঁদে, তার জাহান্নামে যাওয়া এরূপ অসম্ভব যেমন অসম্ভব দোহন করা দুধ আবার ওলানের মধ্যে ফিরে যাওয়া। আল্লাহ তাআলার পথের ধুলা এবং জাহান্নামের ধোঁয়া কখনো একত্র হবে না (আল্লাহ তাআলার পথের পথিক জাহান্নামে যাবে না)। [তিরমিজি: ১৬৩৩]

রাসুলুল্লাহ (স.) সাহাবিদের বেশি বেশি কান্না করার উপদেশ দিতেন। কায়েস বিন আবু হাজেম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আবদুল্লাহ বিন রাওয়াহা (রা.) স্ত্রীর কোলে মাথা রেখে হঠাৎ কাঁদতে লাগলেন, তার সাথে তার স্ত্রীও কাঁদতে লাগলেন। আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কেন কাঁদছ? স্ত্রী বললেন, তোমাকে কাঁদতে দেখে আমারও কান্না চলে এসেছে।

স্বামী বললেন, (আমার কান্নার কারণ হলো) আল্লাহর এ বাণীটি আমার স্মরণ হলো যে, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ এমন নেই, যে জাহান্নামের উপর দিয়ে অতিক্রম করবে না [মারইয়াম: ৭১] আর আমার জানা নেই যে, জাহান্নামের উপর স্থাপন করা পুলসিরাত অতিক্রম করার সময় আমি (দোজখ থেকে) রক্ষা পাব কি পাব না।’ [মুস্তাদরাকে হাকেম: ৮৭৮৬]

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি একবার দোজখের কথা স্মরণ করে কাঁদতে লাগলেন। রাসুলুল্লাহ (স.) বললেন, কে তোমাকে কাঁদাল? আয়েশা (রা.) বললেন, আমি দোজখের ভয়ে কাঁদছি। আপনি কি কেয়ামতের দিন আপনার পরিবারের কথা স্মরণ রাখবেন? রাসুলুল্লাহ (স.) বললেন, তিনটি স্থানে কেউ কাউকে স্মরণ রাখতে পারবে না—১. মিজানের (আমল পরিমাপক যন্ত্র) নিকট যতক্ষণ না জানতে পারবে যে, তার নেকির পাল্লা ভারী হয়েছে না হালকা, ২ আমলনামা পেশ করার সময়, যখন বলা হবে আসো তোমার আমলনামা পাঠ করো, যতক্ষণ না জানতে পারবে যে, তার আমলনামা ডান হাতে দেওয়া হচ্ছে না পিঠের পেছন থেকে বাম হাতে।৩. পুলসিরাতের উপর দিয়ে অতিক্রম করার সময় যখন তা জাহান্নামের উপর স্থাপন করা হবে।’ [আবু দাউদ: ৪৭২২]

আসলে একজন মুমিনের সেটাই উচিত। মহাপ্রতাপশালী আল্লাহ যেখানে বান্দাকে তার অবিরত গুনাহের জন্য মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারতেন, সেখানে করে যাচ্ছেন রহমত, দিয়ে যাচ্ছেন সুযোগ ও নানারকম সুবিধা; ভাবতেই তো মুমিনের চোখ দিয়ে পানি চলে আসার কথা।

আবু যর গিফারি (রা.) বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘..আল্লাহর শপথ! আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে তাহলে তোমরা খুব কম হাসতে, বেশি কাঁদতে এবং বিছানায় স্ত্রীদের উপভোগ করতে না, বাড়ী-ঘর ছেড়ে পথে-প্রান্তরে বেরিয়ে পড়তে এবং চিৎকার করে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে যে- আল্লাহর শপথ! হায়, আমি যদি একটি গাছ হতাম এবং তা কেটে ফেলা হত!’ [ইবনে মাজাহ: ৪১৯০; মেশকাত: ৫৩৪৭; সহিহাহ: ১৭২২]

অতএব আমাদের উচিত, মহান আল্লাহকে ভয় করা। তাঁরই কাছে কান্নাকাটি করে কৃত গুনাহর জন্য তওবা করা । যেকোনো সমস্যায়, দুশ্চিন্তায় মহান আল্লাহর সাহায্য চাওয়া। ইনশাআল্লাহ, এর মাধ্যমে মহান আল্লাহ আমাদের সব পাপ ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেবেন। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন।