ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টানা বৃষ্টিতে লামার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : প্রশাসনের সতর্কতা জারি লোহাগাড়ায় টানা বৃষ্টি :পানিবন্দী অসংখ্য মানুষ সাভারে এনসিপির সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ সাত মামলার আসামি কচ্ছপিয়ার ইউপি সদস্য শাকিলকে ঘিরে সীমান্ত চোরাচালানের অভিযোগ বৈরী আবহাওয়ায় মহেশখালী নৌপথে সি-ট্রাক ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা পাহাড় ধস, জলাবদ্ধতা ও ঢলের পানিতে মৃত্যু, দুর্ভোগে নাইক্ষ্যংছড়ির মানুষ জামায়াতকে সাধুবাদ, শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে বাধা নেই: রুমিন ফারহানা কক্সবাজার ফিশারী ঘাটে নির্মিত হচ্ছে অত্যাধুনিক ফিশ ল্যান্ডিং স্টেশন : মৎস্য খাতে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন কক্সবাজারে বিদেশি নারী পর্যটককে ধ/র্ষ/ণ চেষ্টা : তিনজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড পেকুয়ায় পাহাড় ধসে এক শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন ​কক্সবাজারের ২০ এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে ১ লাখেরও বেশি মানুষ কুতুবদিয়ায় লেমশীখালী-কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু ধসে পড়েছে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েও ৩৬৭ কোটি টাকা পাচ্ছে ব্রাজিল

চট্টগ্রাম ইপিজেডে কারখানার আগুন সাড়ে ১৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:১৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • 361

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড) এলাকার কারখানায় লাগা আগুন প্রায় সাড়ে ১৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। আগের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় সিইপিজেডের সাততলা কারখানা ভবনটিতে আগুন লাগে।

সকাল আটটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের ১৭টি ইউনিট কাজ করেছে। ইউনিটগুলো এখনো ঘটনাস্থলে রয়েছে।

গতকাল বেলা দুইটার দিকে ইপিজেড এলাকার অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিকেল কোম্পানির গুদামে আগুন লাগে। অ্যাডামস তোয়ালে, ক্যাপ এবং জিহং মেডিকেল সার্জিক্যাল গাউন তৈরির কারখানা। কারখানা ভবনটি সাততলার। দুটি কারখানার গুদামই সাততলায়, যেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত। পরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে সাততলার পুরো ভবনটিতেই। থেমে থেমে কারখানাটির ভেতরে ছোট আকারে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় রাতে।

আগুনের তাপের কারণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাছে যেতে পারছিলেন না। দূর থেকে এক পাশে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন তাঁরা। এর মধ্যে আগুন পাশের একটি তিনতলা ভবনেও আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। সিইপিজেড কর্তৃপক্ষ ও কারখানার মালিকপক্ষ জানায়, ভেতরে কোনো শ্রমিক আটকে নেই। সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে সরেজমিন দেখা যায়, আগুনের তাপের কারণে ভবনটির ১০০ মিটার পর্যন্ত কেউ যেতে পারছেন না। তাপের তীব্রতায় ভবনের ছাদ ধসে পড়ছে। এই ভবন থেকে আগুনের ফুলকি চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আশপাশের ভবনে পানি ছিটিয়ে এ আগুন ছড়িয়ে পড়া রোধ করার চেষ্টা করছেন। চারপাশে ভিড় করেছেন উৎসুক মানুষ। সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা তাঁদের ভবনের পাশ থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। উদ্ধার সহায়তায় দুই প্লাটুন বিজিবিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন গতকাল রাতে জানান, আগুনের তাপের কারণে কারখানাটির কাছে যাওয়া যাচ্ছিল না। আগুন নেভানোর পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। ভেতরে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের।

সূত্র:প্রথম আলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বৃষ্টিতে লামার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : প্রশাসনের সতর্কতা জারি

চট্টগ্রাম ইপিজেডে কারখানার আগুন সাড়ে ১৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

আপডেট সময় : ১১:১৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড) এলাকার কারখানায় লাগা আগুন প্রায় সাড়ে ১৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। আগের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় সিইপিজেডের সাততলা কারখানা ভবনটিতে আগুন লাগে।

সকাল আটটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের ১৭টি ইউনিট কাজ করেছে। ইউনিটগুলো এখনো ঘটনাস্থলে রয়েছে।

গতকাল বেলা দুইটার দিকে ইপিজেড এলাকার অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ও জিহং মেডিকেল কোম্পানির গুদামে আগুন লাগে। অ্যাডামস তোয়ালে, ক্যাপ এবং জিহং মেডিকেল সার্জিক্যাল গাউন তৈরির কারখানা। কারখানা ভবনটি সাততলার। দুটি কারখানার গুদামই সাততলায়, যেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত। পরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে সাততলার পুরো ভবনটিতেই। থেমে থেমে কারখানাটির ভেতরে ছোট আকারে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় রাতে।

আগুনের তাপের কারণে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাছে যেতে পারছিলেন না। দূর থেকে এক পাশে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন তাঁরা। এর মধ্যে আগুন পাশের একটি তিনতলা ভবনেও আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। সিইপিজেড কর্তৃপক্ষ ও কারখানার মালিকপক্ষ জানায়, ভেতরে কোনো শ্রমিক আটকে নেই। সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে সরেজমিন দেখা যায়, আগুনের তাপের কারণে ভবনটির ১০০ মিটার পর্যন্ত কেউ যেতে পারছেন না। তাপের তীব্রতায় ভবনের ছাদ ধসে পড়ছে। এই ভবন থেকে আগুনের ফুলকি চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আশপাশের ভবনে পানি ছিটিয়ে এ আগুন ছড়িয়ে পড়া রোধ করার চেষ্টা করছেন। চারপাশে ভিড় করেছেন উৎসুক মানুষ। সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা তাঁদের ভবনের পাশ থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। উদ্ধার সহায়তায় দুই প্লাটুন বিজিবিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন গতকাল রাতে জানান, আগুনের তাপের কারণে কারখানাটির কাছে যাওয়া যাচ্ছিল না। আগুন নেভানোর পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। ভেতরে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের।

সূত্র:প্রথম আলো