ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসছে ‎রামু উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি: আলোচনায় যারা বাংলাবাজারে ভবন থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, নেপথ্যে প্রেমঘটিত কারণ ! মেইন লাইনে ত্রুটি: উখিয়া ও টেকনাফসহ বিশাল এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ কক্সবাজারে এক বছর পর ফিরলো ফুটবল উন্মাদনা : উদ্বোধনী ম্যাচে সদরকে হারিয়ে জয় পেলো চকরিয়া ঝিনুকমালা খেলাঘর আসরের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী, ২ প্রতিমন্ত্রী ২৫ আগস্ট চুনতিতে শুরু হচ্ছে ১৯ দিনের সীরাতুন্নবী মাহফিল, বাজেট ৬ কোটি টাকা লোহাগাড়ায় বল আনতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল ৮ বছরের আরিয়ানের ‘শুধু মুখে বললে প্রত্যাবাসন হয় না, দরকার স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান’ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন চারজন, রাতে শপথ পুলিশের অভিযানে পেকুয়ায় ইয়াবাসহ নারী কারবারি আটক বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ, আজ বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক ​টেকনাফের সাবরাংয়ে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান: ড্রেজার ও ৩টি ড্রাম ট্রাক জব্দ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে অর্ধশত দোকানপাট উচ্ছেদ

কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়ি দখল করে গড়ে তোলা অর্ধশতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন।

রোববার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেয় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা। উচ্ছেদ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয় একটি এক্সকাভেটরও।

এর আগে শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে নতুন স্থাপনা ১১ অক্টোবর রাতের মধ্যে এবং পুরোনো স্থাপনা ১৬ অক্টোবরের মধ্যে সরানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সৈকতের পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা থেকে সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়েছে।

অভিযানে অংশ নেওয়া ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (এডিআইজি) আপেল মাহমুদ বলেন, “জেলা প্রশাসনের নির্দেশে অন্তত ৫০টি দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। দুপুর ২টার মধ্যে মালিকদের নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নিতে সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা না করায় প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে।”

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম বলেন, “শনিবার রাতের মধ্যে স্থাপনা সরানোর নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা অমান্য করায় রবিবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।”

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত এক বছরে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক, সুগন্ধা, কলাতলী, দরিয়ানগর, হিমছড়ি, সোনারপাড়া, ইনানী, পাটুয়ারটেক ও টেকনাফ সৈকতে শতাধিক দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে ওঠে। বিশেষ করে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের বদলির পরপরই সুগন্ধা সৈকতে দ্রুতগতিতে টংঘর ও দোকান বসানো হয়।

সরকার ১৯৯৯ সালে কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতকে ‘প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা’ (ECA) ঘোষণা করে। সংশ্লিষ্ট আইনে জোয়ার-ভাটার অঞ্চল থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত এলাকায় যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ ও উন্নয়ন নিষিদ্ধ।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর এবং ২০২৩ সালেও একাধিকবার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছিল জেলা প্রশাসন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আসছে ‎রামু উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি: আলোচনায় যারা

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে অর্ধশত দোকানপাট উচ্ছেদ

আপডেট সময় : ০৪:১৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়ি দখল করে গড়ে তোলা অর্ধশতাধিক দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসন।

রোববার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে অংশ নেয় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, র‍্যাব, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা। উচ্ছেদ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয় একটি এক্সকাভেটরও।

এর আগে শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে নতুন স্থাপনা ১১ অক্টোবর রাতের মধ্যে এবং পুরোনো স্থাপনা ১৬ অক্টোবরের মধ্যে সরানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সৈকতের পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা থেকে সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়েছে।

অভিযানে অংশ নেওয়া ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (এডিআইজি) আপেল মাহমুদ বলেন, “জেলা প্রশাসনের নির্দেশে অন্তত ৫০টি দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। দুপুর ২টার মধ্যে মালিকদের নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নিতে সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা না করায় প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে।”

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম বলেন, “শনিবার রাতের মধ্যে স্থাপনা সরানোর নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা অমান্য করায় রবিবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।”

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত এক বছরে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক, সুগন্ধা, কলাতলী, দরিয়ানগর, হিমছড়ি, সোনারপাড়া, ইনানী, পাটুয়ারটেক ও টেকনাফ সৈকতে শতাধিক দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে ওঠে। বিশেষ করে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের বদলির পরপরই সুগন্ধা সৈকতে দ্রুতগতিতে টংঘর ও দোকান বসানো হয়।

সরকার ১৯৯৯ সালে কক্সবাজারের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতকে ‘প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা’ (ECA) ঘোষণা করে। সংশ্লিষ্ট আইনে জোয়ার-ভাটার অঞ্চল থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত এলাকায় যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ ও উন্নয়ন নিষিদ্ধ।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর এবং ২০২৩ সালেও একাধিকবার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছিল জেলা প্রশাসন।