কক্সবাজার মানেই শুধু সমুদ্র নয় এটি স্বাদের শহর, গল্পের শহর। এই শহরের মানুষ, সমুদ্র ও খাবার এই তিন উপাদানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এক অনন্য উপকূলীয় সংস্কৃতি। সেই সংস্কৃতিকেই উদযাপন করতে এমবোলডেন বাংলাদেশ ও নেক্সট শিখন-এর আয়োজনে এবং হোটেল রামাদা ও ইন্টারন্যাশনাল শ্রম সংস্থা (আইএলও) -এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ব্যতিক্রমী সি-ফুড উৎসব “সাগরের স্বাদ”।
শুক্রবার (০৭ নভেম্বর) সকালে হোটেল রামাদার সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমবোলডেন বাংলাদেশ এর ডেপুটি লিড অপারেশন আফিফা ইয়াসের উলফার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি শারমিন সোলতানা, কক্সবাজার উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জাহানারা ইসলাম, হোটেল রামাদার জেনারেল ম্যানেজার চেভান গুনেরাত্নে, টুয়াকের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিলকী, এনরুটের টিম লিডার ইব্রাহিম খলিল ভুঁইয়া, এমবোলডেন বাংলাদেশ এর উপদেষ্টা হাসনা হুরাইন চৌধুরী, নেক্সট শিখন এর নির্বাহী পরিচালক তামান্না নওরিন সহ অনেকে।
সহকারী কমিশনার ভূমি শারমিন সোলতানা বলেন, ভূ-প্রাকৃতীক বৈশিষ্ট্য, খাদ্যাভ্যাস, ধর্মীয় এবং সামাজিক বৈচিত্র্য সবকিছু মিলেই কক্সবাজার সকলের জন্য আকর্ষণীয় একটা জায়গা। যেমন ভ্রমণের জন্য আকর্ষণীয় তেমনই এখানকার বৈশিষ্ট্য সকলের আকর্ষণ করে। এসবকে মানুষের মাঝে পরিচিত করে দেওয়ার জন্য আজকের সাগরের স্বাদ নামের উদ্যোগের জন্য আপনাদের সাধুবাদ জানাই।
উপকূলের স্বাদে, সৃজনশীলতার উৎসবে
“সাগরের স্বাদ” উৎসবে স্থানীয় উদ্যোক্তারা নিয়ে এসেছেন তাদের উদ্ভাবনী সামুদ্রিক খাবার। খাবারের মধ্যে রয়েছে তাজা চিংড়ি, কোরাল, কাঁকড়া, লবস্টার, কালামারি, স্কুইডসহ নানা রকমের সি-ফুড পদ, যা দর্শনার্থীদের রসনাকে জাগিয়ে তুলছে নতুন অভিজ্ঞতা ও স্বাদে।
অন্যতম আয়োজক এমবোলডেন বাংলাদেশ এর সভাপতি ইনজামামুল হক বলেন, এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার বিকাশ ঘটানো এবং উপকূলীয় অর্থনীতিকে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া। উৎসবের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা উপকূলীয় সংস্কৃতি, খাদ্য ঐতিহ্য ও উদ্যোক্তা চেতনার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
সাগরের ছোঁয়ায় উৎসবের উচ্ছ্বাস
সাগরের ঢেউয়ের সুরে ও রামাদা হোটেলের মনোরম পরিবেশে এই দিনব্যাপী উৎসব হবে স্বাদ, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার মিলনমেলা। পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে অংশগ্রহণ করুন “সাগরের স্বাদ”-এর রঙিন আয়োজনে যেখানে প্রতিটি পদে মিশে আছে উপকূলের গল্প ও মানুষের ভালোবাসা।
১৬ টি ভিন্নধর্মী স্টল নিয়ে এই আয়োজন চলবে রাত ৮ টা পর্যন্ত।
নিজস্ব প্রতিবেদক : 























